এবার অসামাজিক কাজে মিনারার সাথে আটক জাপা নেত্রী হেনা !

 

সুরমা টাইমস ডেস্কঃ সিলেটের জৈন্তাপুরে অসামাজিক কাজে জড়ীত থাকায় সিলেট জেলা যুব মহিলা লীগের অর্থ সম্পাদক মীনারা চৌধুরী সহ ১৯ জনকে আটক করে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে এলাকাবাসী।পুলিশ ২৬ আগষ্ট মামলা পরবর্তী আটককৃতদের আদালতে প্রেরণ করে।এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় মীনারা বেগম চৌধুরী ঘাটেরচটি এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে

বসবাস করে আসছেন বিগত কয়েক বৎসর থেকে তার বিরুদ্ধে রয়েছে অসামাজিক কার্যকলাপ সহ নানা অভিযোগ তার সাথে

রাজনৈতিক পরিচয় থাকায় তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস পায় না কেউ প্রতিবাদ করলে মামলা হামলা ও ভয় ভিতি দেখিয়ে নিস্তব্দ করে দেয় প্রতিবাদকারীদের।গত ২৪ আগষ্ট মীনারার বাসায় কজের মেয়ে পরিচয়ে থাকা মেয়ের মা দেকা করতে গেলে অজ্ঞাত কারণে মায়ের সাথে দেখা করতে দেননি গৃহকর্তৃক এ সময় মায়ের কান্নাকাটি শুনে কয়েকদল যুবক এগিয়ে আসেন এবং মায়ের সাথে কথা বলে স্থানীয় ইউপি সদস্যের সহযোগিতায় মায়ের হাতে কিছু টাকা তুলে দেন মীনারা বেগম।৮ বৎসর থেকে তাকা মীনারা

বেগমের এর কাজের মেয়েটি এখস অনেকটা পরিপূর্ণ হওয়ায় একে দিয়েও সে অনৈতিক কাজ করে আসছে এর প্রতিবাদ করায়

স্থানীয় কামরুল ইসলাম সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ এনে মীনারা বেগম জৈন্তাপুর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দিলে জৈন্তাপুর থানার এএসআই মোজাম্মেল হোসেন বিষয়টি তদন্ত করতে মীনারা বেগমের ভাড়াটিয়া বাড়িতে যান এসময় তার বাসাতে

উটতি বয়সীকয়েকজন যুবক দেখতে পেয়ে তিনি স্থানীয় ইউপি সদস্য আহমদ হোসেন কে মোবাইল ফোনে ডেকে পাঠান এবং ইউপি সদস্য সহ তদন্তকারী অফিসার বাসায় প্রবেশ করে উপস্থিত যুবকদের নাম পরিচয় জানতে চাইলে এরা উত্তেজিত হয়ে গালিগালাজ

করতে থাকে তদন্তকারী অফিসার ও ইউপি সদস্যকে এ সময় বাইরে থাকা স্থানীয় উত্তেজিত জনতা এদেরকে গ্রেফতার করতে সেিলট তামাবিল মহা সড়ক কিছু সময়ের জন্য অবরোধ করে রাখে। এরই মধ্যে মীনারা বেগম ও অপর নেত্রী হেনা বেগম মোবাইল ফোনে পিরের বাজার খাদিম ও শাহপরান এলাকায় তাদের খদ্যরদের জানালে মটরসাইকেল সহকারে শ খানিক যুবক জৈন্তা গেইট সংলগ্ন

এসে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ শুরু করলে উত্তেজিত জনতা তাদের কে দাওয়া দিলে কয়েকটি মটরসাইকেল ফেলে চলে যায় সন্ত্রাসীরা এ সময় কয়েকযুবককে আটক করে উত্তেজিত জনতা।২৫ আগষ্ট রবিবার দিনগত রাত অসামাজিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে এলাকাবাসী জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল ইউনিয়নের উপহার কমিউনিটি সেন্টার সংলগ্ন একটি বাসা থেকে জেলা যুব মহিলা লীগের অর্থ সম্পাদক মীনারা চৌধুরী ও জেলা জাতীয় মহিলা পর্টির যুগ্ন আহবায়ক হেনা বেগম অপর এক মহিলা মিনারার কাজের মেয়ে লিমা সহ ১৬ পুরুষ কে আটক করে জৈন্তাপুর থানায় নিয়ে আসে থানা পুলিশ।

 

আটককৃতরা হল জৈন্তাপুর উপজেলার পশ্চিম ঠাকুরের মাটি এলাকার ফারুক মিয়ার ভাড়াটিয়া শাহপরান থানার পীরের চক গ্রামের মৃত আব্দুল কাদিরের ছেলে মাহতাব আহমদ(২২), শাহপরান থানার পীরের বাজার হাতুড়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আলী হোসেন(৩৪), জৈন্তাপুর থানার পাঠনীপাড়া গ্রামের বর্তমান খাদিমপাড়া ২নং রোডের বাসিন্ধা মোঃ জয়নালের ছেলে

মোঃ আলকাছ(২৭), খাদিমপাড়া চামেলীবাগ গ্রামের আব্দুল গফ্ফারের মোঃ শাকিল শাহ(৩৪), বাউল টিলা গ্রামের মৃত আলকাছ মিয়ার ছেলে মোঃ সাজু (২৫), খাদিমপাড়া ২নং রোড গ্রামের মীর হোসেনের ছেলে সানি আহমদ(২১), জালালনগর গ্রামের শাহজাহান

মিয়ার ছেলে ইমন আহমদ(১৯), শাহপরান আলবারাকা বিআইডিসি গ্রামের সোহেল আহমদের ছেলে হৃদয় আহমদ ওরফে রায়হান (১৯), মৌলভী বাজার জেলার কুলাউড়া থানার পুরশাহ গ্রামের মতিন মিয়ার ছেলে শোয়েব আহমদ(২১), শিবগঞ্জ সাদিপুর গ্রামের মৃত আব্দুল আউয়ালের ছেলে মোস্তাকিন(১৯), ৪নং রোড খাদিমপাড়া গ্রামের দ্বীন ইসলামের ছেলে রুহুল আমীন(২০), মেজরটিলা সৈয়দপুর গ্রামের শহীদ আহমদের ছেলে শাহিন আহমদ(২৪), ৬নং রোড খাদিমপাড়া গ্রামের আব্দুল গফুরের ছেলে জুনাইদ

আহমদ(২২), শাহপরান বাহুবল গ্রামের জাবেদ আহমদের ছেলে ইমরান আহমদ (২২), শাহপরান রুস্তুমপুর গ্রামের মোঃ মিন্টু মিয়ার ছেলে মোঃ আরিফ হোসেন(২১),শাহপরান মোহাম্মদপুর আ/এ বাসিন্ধা জকিগঞ্জ থানার বিয়ারাইল গ্রামের মৃত ইলিয়াছ মিয়ার ছেলে রাজু আহমদ(২১), জৈন্তাপুর উপজেলার ৩নং চারিকাটা ইউনিয়নের বনপাড়া দক্ষিন বর্তমান পশ্চিম ঠাকুরের মাটি গ্রামের ফারুক মিয়ার ভাড়াটিয়া আজিজুর রহমান চৌধুরীর স্ত্রী মিনারা বেগম চৌধুরী(৩১) ও একই গ্রামের আব্দুর রশিদ এর মেয়ে লিমা

বেগম(১৮), জালালাবাদ থানার কুমারগাঁও নজিরগাঁও মাতৃ মঞ্জিলের মোহাম্মদ হোসেন স্ত্রী হেনা বেগম(৪৫)। আটককৃতদের ২৬ আগষ্ট সকাল ১১টায় আদালতে প্রেরন করে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ।

এব্যাপারে চিকনাগুল ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আহমদ হোসেন এ প্রতিবেদককে জানান, অভিযোক্ত মীনারা বেগম নিজেকে ক্ষমতাশীল দলের নেতৃ পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন থেকে ভাড়াটিয়া বাসা নিয়ে নানা অপকর্ম করে আসছেন। গত কয়েকদিন আগে আমি একটি মহিলাকে তার বাসার সামনে কাদতে দেখে এগিয়ে যাই, এবং তার দুঃকের কথা শুনে তাকে একটি সন্তষ্ট জনক কথা বলে মীনারা বেগমের কাছ থেকে তার মেয়ের মায়না হিসেবে কিছু টাকা দিয়ে তাকে বিদায় করি। মেয়েটির বাড়ি দরবস্ত এলাকায় বলেও আমাকে জানায়। ৮ বৎসর থেকে মীনারা বেগম মেয়েটিকে তার বাড়িতে কাজের মেয়ে হিসেবে নিয়ে এসেছেন মীনারা বেগম আমাকে জানান তার সাথে আরেকটি যুবতী মেয়েও এ বাসায় রয়েছে বরে আমি শুনতে পেরেছি।

অফিসার ইনচার্জ শ্যামল বনিক জানান- অসামাজিক কাজে জড়ীত থাকায় এলাকাবাসী তাদেরকে আটক করে পুলিশকে খবরদেয়। খবর পেয়ে আমার নেতৃত্বে পুলিশ ফৌস ঘটনাস্থলে পৌছালে এলাকাবাসী তাদেরকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করে। আমরা আটককৃতদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করি। অপরাধ দমনে এলাকাবাসীর এমন সহযোগীতার কারনে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আমি থানায় যোগদানে মাত্র কয়েকদিন হয়েছে এই মহিলার সম্পর্কে আমার তেমন ধারনা নেই বিষয়টি খুবই জটিল।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close