সিলেটে পতিতা সর্দার জামাল বেপরোয়া

ডেস্ক নিউজ : সিলেটের পতিতা সর্দার জামাল দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। শহরতলীর ইসলামপুরের শ্যামলী ৪২ বাসার বাসিন্ধা নেছার আহমদের পূত্র জামাল আহমদ সে সময়ের সাথে তার পরিচয় বদলায়।

জামালের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন সুরমা পয়েন্ট এলাকার ভোক্তভোগীরা। অভিযোগ কারিরা বলেন , জামালের সাথে থাকে একটি মোটর সাইকেল ও একটি ক্যামেরা দেখতে লাগে সাংবাদিক। পুলিশের কাছে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে তার এই অনৈতিক কার্যকলাপ।
প্রতিদিন সকাল সাতটা হলেই বাসা থেকে বের হয়ে প্রথমে নগরীর পেপার পয়েন্টে ট্রাফিক পুলিশের কাছে সাংবাদিক পরিচয়ে নাস্তার টাকা, সকাল আটটায় সুরমা মার্কেটের সামনে তিনতাস নামক জুয়া থেকে দুই শত টাকা এরপর শুরু হয় তার মূল ডিউটি। তার প্রদান ডিউটি হচ্ছে সিলেট জ্জজ কোর্টের গেইটের পাশে রাস্তায় যৌন উত্তেজক শ্রীপুর ট্যবলেট বিক্রি করা। এর পাশাপাশি সুরমা পয়েন্ট এলাকায় পতিতা নারীদের দিয়ে ব্যবসা করা। বিকাল হলেই ওই নারীদের কাছ থেকে টাকার ভাগ নেওয়া।
সূত্রে জানা যায়, সুরমা পয়েন্ট এলাকার এক পতিতা নারী পিচ্চি মালেকের স্ত্রীর কাছে প্রতিদিনের ন্যায় টাকা দাবি ওই নারী টাকা দিতে না পারায় তার স্বামী মালেককে পুলিশের হাতে দরিয়ে দেয়। ওই পতিতা নারী আরও বলেন, সে প্রতিদিন গ্রাম থেকে নগরীতে আসা লোকদের বিভিন্ন ফাঁেদ ফেলে পুলিশি ভয় দেখিয়ে লোকদের সাথে থাকা সকল টাকা পয়সা হাতিয়ে নিয়ে যায়।
ওই এলাকার ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা জানান, জামাল সে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয়ে পতিতা নারীদের পিছনে ঘোরে বেড়ায়। এমনকি বিকাল হলেই সে ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা করে আদায় করে। যদি কোন লোক জামালকে টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন তাহলে সে পুলিশ দিয়ে দোকান উচ্ছেদ করে দেয়। নগরীর যে খানে পতিতাবৃত্তি সে খানেই জামাল। যে খানেই জুয়া সে খানেই জামাল।
জামালের আগের আস্তানা ছিলো নগরীর লালধীঘির পাড় এলাকার কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে সেখানেও সে দোকান বসিয়ে দৈনিক চাঁদা আদায় করতো। কিন্তু পরে তাকে ওই এলাকার ব্যবসায়ীরা গণপিটুনি দিয়ে ওই খান থেকে তাড়িয়ে দেন।
সম্প্রতি, এক পতিতা নারী জেসমিনের সাথে অশ্লীল ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ হয়। জামাল নগরীতে পতিতা সর্দার হিসেবে পরিচিত । এর পর তার বিরুদ্ধে ’সি এন বাংলাদেশ’ নামক একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ হয়।
এই ভিন্ন পরিচয়দারী জামালের অত্যাচারে অতিষ্ট নগরীর ক্ষদ্র ব্যবসায়ী ও ট্রাফিক পুলিশ। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা কামনা করছেন নগরীর সচেতন মহল।
এ ব্যপারে জামাল আহমেদের সাথে মুটো ফোনে বক্তব্যের জন্য ৩ বার ফোন দেওয়া হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। সুত্র : সিলনিউজবিডি

Sharing is caring!

Loading...
Open