মোগলাবাজারে বিয়ের লোভ দেখিয়ে খালাতো বোনকে ধর্ষন, আটক খালাতো ভাই

বিয়ের লোভ লালসা দেখিয়ে সিলেটের মোগলাবাজারে অস্টম শ্রেণীর ছাত্রী ফাহমিদা বেগম (১৪) কে জোরপূর্বক ধর্ষন করে তার খালাতো ভাই সৌদি প্রবাসী জাকির হোসেন।ঘটনাটি ঘটেছে গত ৪ আগস্ট।এদিকে ধর্ষিতার বাবা ও ভাইয়ের তৎপরতায় ও মোগলাবাজার থানার এস আই পলাশ কানু সহ সগ্ঙীয় ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদের মাধ্যমে,১৪ আগষ্ট ধর্ষক জাকির হোসেনকে আটক করা হয়।

জাকির তখন দেশ ছেড়ে পালানোর জন্য এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে যাত্রা করছিল।দক্ষিণ সুরমার তেলিপাড়া গ্রামের সিএনজি চালক আব্দুল কাদিরের মেয়ে ফাহমিদা বেগম।ফাহমিদা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় রুস্তুমপুরের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী।

ধর্ষক জাকির ফেঞ্চুগঞ্জের কটালপুর গ্রামের ছখই মিয়ার পুত্র।পারিবারিক আত্মীয়তার সূত্রে জাকির দীর্ঘদিন ধরে ফাহমিদাকে উত্যক্ত করে আসছিল।কিন্তু ফাহমিদা তার প্রতারনার ফাদে পা দেয়নি।গত ৪ আগস্ট ফাহমিদা সকালে সাড়ে ১০টার দিকে

কোচিংয়ে যাবার পথে জাকির তাকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে নগরীর একটি হোটেলে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বেলা আনুমানিক ২টার দিকে চন্ডিপুল এলাকায় রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায়।মেয়ে কোচিং থেকে না ফেরায় মা রহিমা বেগম খোঁজ নিতে বেরুলে

আহতবস্থায় মেয়ে তখন বাড়িতে পৌছে।কি হয়েছে জানতে চাইলে মেয়ে ঘটনাটি মাকে খুলে বলে এবং আত্মহত্যা করবে বলে হুমদি দেয়।মা সাথে সাথে ঘটনাটি বিবাদীর মাকে জানালে জাকির তা অস্বীকার করে।তাই রহিমা বেগম মানবাধিকার সংস্থার

সহযোগিতায় মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ওসমানী মেডিকেলের জরুরী বিভাগ ওসিসিতে মেয়েকে ভর্তি করেন।পরে রহিমা বেগম বিচারের দাবিতে ৬ আগষ্ট মোগলাবাজার থানায় জাকির হোসেনকে একমাত্র আসামী করে মামলা দায়ের করেন।নং ৪।জাকির তখন আত্মগোপন করে।গত ১৪ আগস্ট বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ধর্ষক জাকির বিদেশ পালানোর জন্য এয়ারপোর্টের পথে যাত্রা করেন রাস্তায় বেন্স ফেলে সোদী যাএী ওরেন্ট ভুক্ত আসামিকে আঠক করে মোগলাবাজার থানা পুলিশ।কিন্তু ধর্ষিতার বাবা আব্দুল কাদির মোগলা বাজার থানার এস আই পলাশ কানু সহ সগ্ঙীয় ফোর্স নিয়ে রাতে রেঙ্গা হাজিগঞ্জ বাজারের পাশে মেইন রোডে গাছ ফেলে জাকিরের গাড়ির গতিরোধ করে বোরকা পরিহিত অবস্থায় জাকিরকে আটক করেন।পরে তাকে মোগলাবাজার থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।এ ব্যাপারে মোগলাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ আখতার হোসেন

জানান ধর্ষক জাকির হোসেনকে আটক করা হয়েছে।১৫ আগস্ট তাকে কোর্টের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।গতকাল সিলেট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপস্থিত হয়ে ফাহমিদা তার সাথে ঘটে যাওয়া পাশাবিকতার বর্ণনা দেন। জাকির বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছে।বিজ্ঞতি

Sharing is caring!

Loading...
Open