ঐতিহ্যবাহী গোল্ডস্মিথ ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ গরুর মাংস,


জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় লড়াইয়ের অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী গোল্ডস্মিথ ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন তাদের ক্যাম্পাসে গরুর মাংস নিষিদ্ধ করেছে।গরুর মাংস দিয়ে বানানো কোনো কিছুই এখন থেকে ক্যাম্পাসে আর বিক্রি করা হবে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রধান অধ্যাপক ফ্রান্সিস কর্নার বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন আগামি মাসের মধ্যে ক্যাম্পাসের সব ক্যাফে ও দোকান থেকে গরুর মাংসের পণ্য পুরোপুরি তুলে দেবেন তিনি।তিনি বলেন ফাঁকা বুলি দিয়ে তো আর জলবায়ু পরিবর্তন

মোকাবিলা করা যাবে না।কাজ করতে হবে। এরই অংশ হিসেবে তারা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।ফ্রান্সিস আরও বলেন নতুন দায়িত্ব নিয়েছি। তবে আমাদের কর্মী ও শিক্ষার্থীরা পরিবেশের ভবিষ্যতের বিষয়ে যত্নশীল। এ উদ্যোগে তারা সহায়তা করবেন বলে আমি আশা করি।২০২৫ সালের মধ্যে গোল্ডস্মিথ বিশ্ববিদ্যালয় কার্বন নিরপেক্ষ ক্যাম্পাসে পরিণত হবে বলে তার আশাবাদ। তবে কার্বন নিঃসরণ বন্ধে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন উদ্যোগ এটাই প্রথম নয়। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৬ সাল থেকে গরুর মাংস ও

ভেড়ার মাংসের খাবার সরবরাহ করে না।গরুর মাংস নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি আরেকটি উদ্যোগ নিয়েছে গোল্ডস্মিথ ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন কর্তৃপক্ষ। এবারের গ্রীষ্মকালীন ছুটি থেকে ফেরার পর ক্যাম্পাসে প্লাস্টিকের প্রতিটি পণ্য ব্যবহারের জন্য শিক্ষার্থীদের ১০ পেন্স করে গুনতে হবে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।জলবায়ু বিশেষজ্ঞ রোসি রজার্স এই উদ্যোগকে ‘উৎসাহব্যঞ্জক’ বলে মন্তব্য

করেছেন।যুক্তরাজ্য গ্রিনপিসের এই অধিকারকর্মী বলেন অন্যরাও যাতে দ্রুত এই আদেশ পালন করে এবং জীবাশ্ম জ্বালানিতে বরাদ্দ বন্ধ করে সে উদ্যোগ নিতে হবে।তবে ন্যাশনাল ফারমার্স ইউনিয়নের ভাইস প্রেসিডেন্ট স্টুয়ার্ট রবার্টস বলেন ব্রিটিশ গরু ও অন্য জায়গার গরু উৎপাদনের মধ্যে পার্থক্যটা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বুঝতে পারেনি কিংবা বুঝতে ভুল করেছে।জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করাটা এ সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ।তবে শুধু একটি পণ্য দিয়ে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা সম্ভব-বিষয়টা এতটা সরল নয়।

Sharing is caring!

Loading...
Open