ধ্বস নেমেছে চামড়ার ব্যবসায়


সুরমা টাইমস ডেস্কঃ সারাদেশের মতো সিলেটেও ধ্বস নেমেছে চামড়ার ব্যবসায়।দাম নেই আগের মতো।এবার কোরবানী বেশি হলেও বাজারে কাটতি নেই চামড়ার।ফলে অনেকটা কম দামেই ব্যবসায়ীরা সারাদিনের সংগ্রহকৃত কাঁটা চামড়া তুলে দিচ্ছেন

পাইকারী ব্যবসায়ীদের হাতে।এবার একাধিক স্থানে নিজস্ব এজেন্ট মাধ্যমে চামড়া সংগ্রহ হয়েছে বেশি। কোরবানীর পশুর চামড়া কেনার জন্য আড়তদাররা গ্রামে গ্রামে নিয়োগ দিতেন দালাল।দালালরা গ্রাম থেকে চামড়া সংগ্রহ করে নিয়ে আসতো শহরে।

আর এক যুগ পর কোরবানীর পশুর সেই চামড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে উচ্ছিষ্ট।কিনতেই চায় না কেউ। এক যুগ আগের সেই একহাজার টাকার চামড়া এবার ঈদে বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৬৮ টাকায় শুনতে অবিশ্বাস্য মনে হলেও এবার সিলেট নগরীতে চামড়ার কয়েকটি অস্থায়ী হাট ঘুরে এমন দৃশ্যই দেখা গেছে।ঢাকার ট্যানারি মালিকরা আগের টাকাই আটকে রেখেছেন এমন অজুহাত দেখিয়ে সিলেটের

আড়তদাররা ন্যায্য মূল্য দিতে চাচ্ছেন না চামড়ার।সিন্ডিকেট করে পানির দামে কিনছেন চামড়া।সোমবার বিকেলে নগরীর পশুর চামড়ার অস্থায়ী হাটের মধ্যে সবচেয়ে বড় হাট বসে রেজিস্ট্রারি মাঠে।এবারও হাট বসেছে।নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন নিয়ে আসছেন চামড়া।চামড়ার ক্রেতারা জানান গত কয়েক বছর ধরেই ঢাকার ট্যানারি মালিকরা তাদের টাকা আটকে রেখেছেন।

চামড়া নিয়ে টাকা দিতে চান না। পুরনো পাওনা টাকা ফেরত পাওয়ার আশায় তারা এবারও চামড়া কিনছেন।কিন্তু ঢাকায় টাকা আটকে রাখায় তারা নামমাত্র মূল্যে চামড়া কিনতে হচ্ছে।তবে নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র জানিয়েছে চামড়া ব্যবসায়ীদের এই

অজুহাত মিথ্যা ও সাজানো।ঢাকার ট্যানারি মালিকদের সাথে যোগসাজশ করে তারা সারাদেশে নামমাত্র মূল্যে চামড়া সংগ্রহ করছেন।পরে ওই চামড়া প্রক্রিয়াজাত করে ঠিকই তারা ট্যানারি মালিকদের কাছে চড়া মূল্যে বিক্রি করে থাকেন।

Sharing is caring!

Loading...
Open