আনন্দনিকেতন এর উদ্যোগে গাছের চারা রোপণ


সিলেটের ইংরেজি মাধ্যমের স্কুল আনন্দনিকেতন এর উদ্যোগে তৃতীয় ধাপে নগরীর সড়ক বিভাজকে১০৮ টি রাধাচূড়া গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।শুক্রবার সকালে নগরীর সাগরদিঘির পাড় মুখ হতে সুবিদ বাজার পর্যন্ত রাস্তায় এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।এর আগে প্রথম ধাপে২০১৭সালে আনন্দনিকেতন এর সামনের সড়ক বিভাজকে ৪৮ টি দ্বিতীয় ধাপে ২০১৮ সালে মিরের ময়দান থেকে রিকাবী বাজার মোড় পর্যন্ত সড়কের বিভাজকে২৩৪টি এবং শুক্রবার তৃতীয় ধাপে ১০৮ টি বৃক্ষ রোপণ করে আনন্দনিকেতন আর্থক্লাব। তিনটি ধাপেই বৃক্ষরোপণ

কর্মসূচি উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।শুক্রবার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন কালে আরও উপস্থিত ছিলেন আনন্দনিকেতন এর একাডেমিক প্রধান শামীম চৌধুরী, প্রশাসনিক প্রধান ফাহমিনা নাহাশ পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি কাসমির রেজা, আনন্দনিকেতনের নির্বাহী সেক্রেটারি পারভিন সাকিবা, শিক্ষক রূপক কান্তি দত্ত আনন্দনিকেতন আর্থক্লাবের সভাপতি মুনতাহা তাবাসসুম আজাদ, সহ সভাপতি নুজহা বড়ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক সাদাত সারোয়ার চৌধুরী

প্রমুখ।তিন বছর ধরে আনন্দনিকেতন আর্থক্লাবের সদস্যদের উদোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়ে আসছে। গত মঙ্গলবার স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের তৈরি টিফিন বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থদিয়ে এসব বৃক্ষরোপণ করে। আনন্দনিকেতন এলাম্নাই এসোসিয়েশন এসব

বৃক্ষ রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকে।উদ্বোধনকালে সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আনন্দনিকেতনের শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগ আমাকে অভিভূত করেছে।নগরীর সৌন্দর্য বর্ধনে ও পরিবেশ সংরক্ষণে এই কর্মসূচী অত্যন্ত ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।তারা এর

আগেও সড়ক বিভাজকে অনেকগুলো গাছ লাগিয়েছে এবং নিয়মিত পরিচর্যা করে যাচ্ছে। এতে তারা প্রমাণ করল পড়াশুনার পাশাপাশি তারা তাদের সামাজিক দায়বদ্ধতার কথা মনে রেখেছে টিফিন বিক্রি করে অর্থ সংগ্রহ করে গাছ লাগানো একটি অসাধারণ ব্যাপার।ঈদের পরে একটা অনুষ্ঠান করে সিলেট সিটি কর্পোরেশন এই শিক্ষার্থীদের এওয়ার্ড প্রদান করবে।আমি আশা

করব অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও এভাবে পরিবেশ সংরক্ষণে এগিয়ে আসবে।আনন্দনিকেতন এর একাডেমিক প্রধানশামীম চৌধুরী ও প্রশাসনিক প্রধান ফাহমিনা নাহাশ বলেন এটি পুরোপুরিভাবে ছাত্রছাত্রীদের উদ্যোগ। আমরা চেয়েছি ছাত্রছাত্রীরা নিজেরাই কাজটি

করুক।অর্থ সংগ্রহ থেকে শুরু করে গাছ কেনা রোপণ করা সব তারাই করেছে।আমরা আশাকরি আমাদের এ কর্মসূচি দেখে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানও উদ্বুদ্ধ হবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সিলেট একটি সুন্দর নগরীতে পরিণত হোক।আনন্দনিকেতন

আর্থক্লাবের সভাপতি মুনতাহা তাবাসসুম আজাদ বলেন,”এবারের গ্রীষ্মকাল ছিল বিগত ১২৫ বছরের মধ্যে উষ্ণতম।শুধু গত এক সপ্তাহে সুমেরুর বরফ গলেছে ১০ বিলিয়ন টন এই ভয়ংকর পরিবেশ বিপর্যয়ের সমাধানের লক্ষ্যে স্কুল ছাত্র-ছাত্রী হিসেবে এই বৃক্ষায়ন আমাদের সামান্য প্রয়াস।বিন্দু বিন্দু শিশির কণা থেকেই তৈরি হয় সিন্ধু। আমরা আশাবাদী অন্যরাও যার যার অবস্থান থেকে

পরিবেশ বাঁচাতে এগিয়ে আসবেন।উল্লেখ্য আনন্দনিকেতন আর্থক্লাবের পক্ষ থেকে গত বছর নদী ও হাওরের পরিবেশ রক্ষায় সুনামগঞ্জের তাহিরপুর হতে টাঙ্গুয়ার হাওরগামী ৩০ টি নৌকাকে বড় গার্ভেজ বিন প্রদান এবং নৌকার মাঝিদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা করা হয়।বিজ্ঞপ্তি

Sharing is caring!

Loading...
Open