সিলেট সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল নানা সমস্যায় জর্জরিত


স্টাফ রির্পোটার: সিলেট বিভাগের একমাত্র সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালটি নানা সমস্যায় জর্জরিত।খাতাপত্রে তিন জন ডাক্তার থাকলেও বাস্তবে একজন ডাক্তারও পাওয়া যায় না।জারুদার ও পিয়ন দিয়ে চলছে সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালটি এমন অভিযোগ একাধিক ভুক্তভোগীর।শুধু তাই নয় এখানে নানা সংক্রামক রোগের প্রতিষেধক ভ্যাকসিন ও সরকারি মূল্যবান ঔষধপত্র অসাধু র্কমচারীরা বিক্রি করে দেন এমন অভিযোগ বিস্তর। এসব দেখার যেন কেউ নেই।সরজমিন ঘুরে দেখা যায়,

একজন ডাক্তার ও নেই হাসপাতালটিতে শুধু মাত্র একজন সিস্টার নার্স রয়েছেন। তিনি নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান,বেশির ভাগ সময়ই ডাক্তাররা নানা অযুহাতে হাসপাতালে উপস্থিত থাকেন না।ফলে মারাত্মকভাবে চিকিৎসা সেবা ব্যহত হয়।

স্থানীয় একাধিক সুত্র জানিয়েছে,এখানে র্কমরত তিন জনের দুইজন ডাক্তারই প্রাইভেট চেম্বার নিয়ে ব্যাস্ত থাকেন।সরজমিন গিয়ে দেখাযায় বেশিরভাগ সময় হাসপাতালের ডাক্তারদের রুম তালাবদ্ধ থাকার কারনে ডাক্তারদের দেখা পাওয়া যায়না,

১৯৬২ সালে নগরীর শাহী ঈদগাহে ৭৫০ শতক ভূমির উপর সিলেট বিভাগের একমাত্র সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালটি স্থাপন করা হয়।২০ শয্যার এ হাসপাতালে মঞ্জুরিকৃত পদের সংখ্যা ২১টি।তবে দীর্ঘদিন থেকে এখানে অনেক পদ-ই শূন্য রয়েছে।রোগীদের সেবা প্রদানের জন্য ২ জন পুরুষ একজন মহিলা ডাক্তারসহ মোট তিন জন ডাক্তার নিয়েই চলছে গুরুত্বপূর্ণ এই হাসপাতাল।

এছাড়া ঔষধ সংকট,চিকিৎসক,কর্মকর্তা-কর্মচারী, যন্ত্রপ্রাতির অভাবসহ নানা কারণে হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা ব্যহত হচ্ছে মারাত্মকভাবে।খুব কম খরচে চিকিৎসা হওয়ায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের কাছে হাসপাতালটি অনেক জনপ্রিয়।অনেকের কাছে ডায়রিয়া হাসপাতাল হিসেবে অধিক পরিচিত। এখানে ডায়রিয়া,ধনুষ্টংকার,জলবসন্ত, হাম, হুপিংকাশি, গন্ডমালা রোগ,রুবলা,জলাতংক,ডিপথেরিয়াসহ এই ধরণের নানা সংক্রামক রোগের চিকিৎসা করা হয়ে থাকে।

এই মারাত্মক রোগগুলোর সিলেট বিভাগে এটিই একমাত্র চিকিৎসা কেন্দ্র।এছাড়া এখানে এমন কিছু রোগের প্রতিষেধক ভ্যাকসিন দেয়া হয় যা বিভাগের অন্য কোথাও নেই।সম্মুখভাগে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গেইট দেখে বোঝার উপায় নেই এটি হাসপাতাল না অন্যকিছু।কাটাতারের জোড়াতালির বেড়ায় শূন্য মাঠে দাঁড়িয়ে আছে একটি গেইট।ফলে বাহিরাগতদের অবাধ যাতায়াতে রোগীসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতিনিয়ত দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। রোগীদের মতে হাসপাতালটি নিজেই যেন সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত।

এখানে চিকিৎসা নিতে ভর্তি হওয়া সুমন মিয়া জানান, ‘১০ টেখা দিয়া বর্তি অইছি, কিছু ওষুদ ডাখতরে মাগনা দিছইন আর বাদবাকি বারা তাকি আড়াই আজার টেখার ঔষদ লইয়া আনছি।এ হাসপাতালে রয়েছে জরুরি বিভাগ এখানে বেশিরভাগ রোগীই আসেন কুকুর,বিড়াল,বাদুড়ের কামড় ডায়রিয়া বা বসন্তে আক্রান্ত হয়ে।এছাড়া ধনুষ্ঠংকার,চিকেন পক্স,ডায়রিয়ার মূমুর্ষ রোগীর জন্য নেই কোনো আইসিইউ ব্যবস্থা। নেই চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি।এ ব্যাপারে হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত র্কমর্কতা ডা. ওকিল উদ্দিনের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।..বিস্তারিত আসছে

Sharing is caring!

Loading...
Open