‘কয়দিন পরতো নোবেল প্রাইজের জন্য প্রিয়া সাহার নাম যাবে’

বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের দেশত্যাগ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহা যে অভিযোগ করেছেন সে প্রসঙ্গে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সহসভাপতি সুব্রত চৌধুরী বলেছেন, আসলে আমরা জিনিসটাকে যেভাবে এত গুরুত্ব দিচ্ছি, কয়দিন পরে তো নোবেল প্রাইজের জন্য ওর (প্রিয়া সাহা) নাম যাবে। বাংলাদেশ থেকে প্রিয়া সাহার নোবেল প্রাইজ পাওয়ার মতো একটি পরিস্থিতি আমরা সকলে মিলে তৈরি করেছি। সরকারও তৈরি করেছে।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সরাসরি টকশো অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রথম কথা হচ্ছে, এটাতো রুটিন ওয়ার্ক। প্রত্যেক বছরই মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের পাবলিক হিয়ারিং করে হিউম্যান রাইটস-এর উপর। এক জায়গার হিন্দু মাইনোরিটি, এক জায়গার মুসলিম মাইনোরিটি, অন্য জায়গার খ্রিস্টান মাইনোরিটিসহ সারাবিশ্বের মাইনোরিটিদের নিয়ে প্রোগ্রামগুলো করে।

সুব্রত চৌধুরী বলেন, সেখানে সরকারের পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধিদল যায়। তার দেশে ভালো অবস্থা আছে- মাইনোরিটিদের উপর কোন হামলা হয় না, তারা সুখে শান্তিতে সবাই আছে- এসব কথা বলার জন্য। এখানে কিছু
সরকারি এবং কিছু বেসরকারি প্রতিনিধিও যায়। কিন্তু, প্রিয়া সাহা সরকারি প্রতিনিধি হিসেবে যায়নি।

তিনি বলেন, এগুলো রুটিন ওয়ার্ক। এরপরে একটা প্যারাগ্রাফ বের হবে যে, বাংলাদেশ মাইনোরিটি দের প্রবলেম। তখন সরকার বলবে, এসব ঘটনার কোনো সত্যতা নেই। যুগে যুগে তো আমরা এগুলো দেখে আসছি। ২০০১ থেকে ২০০৬ এর ঘটনাবলী নিয়ে যখন পাবলিক হিয়ারিং হয়েছে, আমিও গিয়েছি।

ঐক্য পরিষদের সহসভাপতি আরও বলেন, তখন এর চেয়েও আরও খারাপ অবস্থা ছিল। সেটা নিয়ে তো কখনও এ রকম হয়নি। এবার কেন প্রিয়া সাহাকে নিয়ে আমরা এত হৈচৈ করছি? আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যিনি দায়িত্বে আছেন, উনি ওনার বক্তব্য দিয়েছেন। এছাড়া ওবায়দুল কাদের সাহেব ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও এ ব্যাপারে বক্তব্য দিয়েছেন।

Sharing is caring!

Loading...
Open