নাগরিক দুর্ভোগ নিয়ে উভয় সঙ্কটে সিসিক মেয়র,


সুরমা টাইমস ডেস্কঃ নাগরিক দুর্ভোগ নিয়ে উভয় সঙ্কটে সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। গেলো টানা বৃষ্টির কবলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় নগরবাসির দুর্ভোগ এখন চরমে। ফলে নগরবাসীর অনেক গঞ্জনা সইতে হচ্ছে মেয়রকে। ড্রেণেজ ব্যবস্থা যথাসময়ে সংস্কার না হওয়ায় নগরীর বিভিন্ন এলাকা ছিল পানি কবলিত। নগরবাসীর চলমান দুর্ভোগ নিয়ে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট চেম্বারের প্রশাসক আসাদ উদ্দিন আহমদ গণমাধ্যমে সিসিককে দায়ি করে গণমাধ্যমে কড়া সমালোচনা করেছেন।

সমালোচনায় তিনি নগরীতে উন্নয়ন কর্মকান্ড নিয়ে সিসিক স্বেচ্ছাচারি ও একক আধিপত্যের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করে বলেন, প্রতিষ্ঠানটি যেন দিন দিন জনবান্ধব প্রতিষ্ঠানের বদলে স্বেচ্ছাচারি ও একক আধিপত্যের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হচ্ছে। নগরীতে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডে জনদুর্ভোগ ও ব্যবসায়ীদের নানা সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, চলমান কাজগুলো ঠিকাদাররা নিজেদের খেয়াল-খুশি মতো করে যাচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এসব বিষয়ে কোন দায়দায়িত্ব আছে বলে মনে হয় না। ফলে জনগণের ভোগান্তি অসহনীয় মাত্রায় গিয়ে পৌঁছেছে।

আগামী একমাসের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলো চলাচলের উপযোগী এবং যে সমস্ত বাসা-বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গা হয়েছে সেগুলো পুনর্র্নিমাণের অনুরোধ জানান। এছাড়া জনদুর্ভোগ এড়াতে জনবহুল এলাকাগুলোতে একই সাথে একাধিক উন্নয়নকাজ পরিচালনা না করার জন্য সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানান।আসাদ উদ্দিনের এমন বক্তব্যের জবাবে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র

আরিফুল হক চৌধুরী বলেন,যানজট ও জলাবদ্ধতা নিরসনে সিলেট নগরীর বিভিন্ন রাস্তাঘাট সম্প্রসারণ ও ড্রেন নির্মাণের কাজ চলায় সাময়িক কিছুটা দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে নগরবাসীকে। এজন্য দুঃখপ্রকাশ করে সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, নগরবাসীর সহযোগিতায় ছড়া-খাল উদ্ধার ও সংস্কার কাজ করতে পারায় নগরীর জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমে এসেছে। যানজট নিরসনের জন্য নগরবাসী তাদের মূল্যবান জায়গা ছেড়ে দিচ্ছেন। রাস্তা সম্প্রসারণের কাজ সমাপ্ত হলে যানজটের অভিশাপমুক্ত হবে সিলেট নগরী।

মেয়র আরিফ বলেন, পর্যটকবান্ধব, পরিচ্ছন্ন ও একটি বাসযোগ্য নগরী গড়তে সিটি করপোরেশন নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে এই বর্ষামৌসুমেও রাস্তা সম্প্রসারণ ও ড্রেন নির্মাণের কাজ চলমান রাখা হয়েছে। এতে সাময়িক দুর্ভোগ সৃষ্টি হলেও কাজ সম্পুর্ণ হওয়ার পর নগরবাসী তাদের কাঙ্ক্ষিত সুফল পাবেন। কিন্তু সিটি করপোরেশনের এই উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টা একটি মহল দেখেও না দেখার ভান করছেন। বুঝেও না বুঝার ভান করে আছেন তারা। মূলত এই মহলটি সিলেটের উন্নয়নই চান না। নগরবাসীর কষ্ট, দু:খ-দুর্দশা তাদের মনে দাগ কাটে না। তাই তারা বিভিন্ন অজুহাতে নগরীর চলমান উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করার নানা ষড়যন্ত্র করছেন।

Sharing is caring!

Loading...
Open