সিলেটের চেঙ্গেরখাল নদীতে চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক ২

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেট মহানগরীর জালালাবাদ থানাধীন চেঙ্গেরখাল নদী দিয়ে চলাচলরত নৌযানে চাঁদাবাজির অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার তাদেরকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছেন জালালাবাদ থানার ওসি অকিল উদ্দিন আহমদ। জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনফর আলীর নেতৃত্বে এই চাঁদাবাজি চলছিল বলে জালালাবাদ থানা পুলিশ প্রেরিত এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- জালালাবাদ থানার কালারুকা গ্রামের মৃত মন্তাজ আলীর ছেলে আনফর আলী (৪০), কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চৈতনগড় গ্রামের মৃত আফতাব আলীর ছেলে সৈয়দুর রহমান (৩৫)।

এ ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে আটককৃত দুইজন ছাড়াও আরও ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জনকে আসামী করা হয়েছে।

মামলার এজহারনামীয় অন্য আসামীরা হলেন- জালালাবাদ থানার কালারুকা গ্রামের মৃত আরফান আলীর ছেলে একরাম আলী (৩৫), আবদুস সামাদের ছেলে আবদুর রহমান (৩২), ইমাম উদ্দিনের ছেলে শাহাব উদ্দিন (২৮), মৃত আজর আলীর ছেলে কুতুব উদ্দিন (২৯), মৃত জফুর আলীর ছেলে নজই (৩২), খাশেরগাঁও’র আবদুল আজিজের ছেলে আবুল (৩১), পূর্ব কালারুকার আছদ্দর আলীর ছেলে চাঁন মিয়া (৪৫), মৃত সৈয়দ উল্লাহর ছেলে সিরাজ (৩৩), পশ্চিম কালারুকার রহিম উল্লাহর ছেলে চুরমান (৩০), আলীনগর গ্রামের আবদুর নূরের ছেলে জমির (২৪), কমর আলী মেম্বারের ছেলে রুবেল (৩৪), মৃত এশাদের ছেলে বতুল (৪৫) এবং ওই গ্রামের জনৈক নজরুল (২৯) ও ফকির আলী (৪০)।

মামলার এজহারে অভিযোগ করা হয়, জালালাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান মনফর আলীর নেতৃত্বে চেঙ্গেরখাল নদীতে চলাচলকারী নৌযান থেকে দীর্ঘদিন থেকে একটি চক্র চাঁদা আদায় করে আসছে। প্রতিটি নৌকা থেকে তারা ভূয়া রসিদ দিয়ে তারা ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করছিল। বৃহস্পতিবার অভিযানকালে চাঁদা আদায়রত অবস্থায় দুইজনকে আটক করা হয়। এসময় বাকি চাঁদাবাজরা পালিয়ে যায়।

মামলায় আরও উল্লেখ করা হয়, এর আগে গত ১৯শে জুন অভিযানকালে চাঁদাবাজরা পালিয়ে গেলেও তাদের ফেলে যাওয়া একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা জব্দ করা হয়। তাছাড়া গত ৩০শে জুন স্থানীয় সরকার বিভাগের শীল মোহর যুক্ত একটি ভূয়া চাঁদা আদায়ের রশীদ জালালাবাদ থানা পুলিশ চেঙ্গেরখাল নদীতে চলাচলরত একটি ভলগেটের ড্র্রাইভারের নিকট থেকে উদ্ধার করে বলে জানান জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অকিল উদ্দিন আহমদ।

Sharing is caring!

Loading...
Open