শাহপরাণ থানা পুলিশের হাতে ছিনতাইকৃত টাকাসহ ৩ ছিনতাইকারী আটক

এফআইভিডিবি কল্লগ্রাম ব্রাঞ্চের মাঠকর্মী কামরান আহমদ চৌধুরীর (২৫) কাছ থেকে ছিনতাইকৃত ৭০ হাজার ২২৫ টাকাসহ ৩ ছিনতাইকারীকে আটক করেছে শাহপরাণ থানা পুলিশ। এসময় তাদের কাছ থেকে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত মাইক্রোবাস, ২টি রামদা ও ১টি চাকু জব্দ করা হয়।

মঙ্গলবার (৯ জুলাই) গোলাপগঞ্জ থানাধীন পাঁচমাইল এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটক ছিনতাইকারীদের নাম টিটুল আহমেদ রাসেল (২০), মো. রাসেল আহমদ (২০) এবং শাফিয়ান আলী (২০)। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. জেদান আল মুসা স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ জানায়, খাদিমপাড়া এফআইভিডিবি কল্লগ্রাম ব্রাঞ্চের মাঠকর্মী কামরান আহমদ চৌধুরী দাসপাড়া এলাকা হতে গ্রাহকদের নিকট থেকে ৭০ হাজার ২২৫ টাকা আদায় করে এফআইভিডিবি ব্রাঞ্চ অফিসে ফেরার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। পথে দাসপাড়া ৬নং রোডের মুখে পৌঁছা মাত্র একটি সাদা রংয়ের নোহা গাড়ী (রেজিঃ নং-চট্ট মেট্রো চ-১১-১১৯৮) যোগে কয়েকজন ছিনতাইকারী কামরান আহমদ চৌধুরীকে ধারালো অস্ত্র দ্বারা ভয় দেখিয়ে গাড়ীতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে। তাকে নিতে ব্যর্থ হয়ে কামরান আহমদের কাঁধে থাকা টাকার ব্যাগ নিয়ে দ্রুত গতিতে মুরাদপুর পয়েন্টের দিকে পালিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা। ঘটনাস্থল দিয়ে মোটরসাইকেল যোগে যাওয়া মোগলাবাজার থানার এএসআই মো. ইকবাল হোসেনকে কামরান আহমদ ঘটনা খুলে বললে ছিনতাইকারীদের মাইক্রোবাসকে ধরার জন্য তিনি অগ্রসর হন।

পরে শাহপরাণ (রহঃ) থানার অফিসার ইনচার্জ এর নেতৃত্বে অন্যান্য অফিসার ও ফোর্স সহ ছিনতাইকারীদের পালানোর রাস্তা অনুসরণ করে তাৎক্ষনিক ভাবে স্থানীয় জনতার সহায়তায় গোলাপগঞ্জ থানাধীন পাঁচমাইল এলাকা হতে ছিনতাইকৃত টাকা সহ ছিনতাইকারী টিটুল আহমেদ রাসেলকে (২০) এবং অপর ২ ছিনতাইকারী মো. রাসেল আহমদ (২০) এবং শাফিয়ান আলীকে (২০) স্থানীয় জনতার সহায়তায় অত্র শাহপরাণ (রহঃ) থানাধীন মীরেরচক কুইটুক এলাকা থেকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত ছিনতাইকারীরা তাদের উপরোক্ত নাম ঠিকানা প্রকাশ করে এবং ছিনতাইয়ের ঘটনার কথা স্বীকার করে। উক্ত ঘটনায় মামলা রুজের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে বলে জানায় পুলিশ।বিজ্ঞপ্তি

Sharing is caring!

Loading...
Open