ওসমানীনগরে ধর্ষণের চেষ্টা ও ইভটিজিংয়ের অভিযোগে আটক ২

ওসমানীনগর প্রতিনিধি:: সিলেটের ওসমানীনগরে ১২ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা ও মাদরাসার ছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে পৃথকভাবে ২ জনকে আটক করেছে ওসমানীনগর থানা পুলিশ। ধর্ষণের চেষ্টায় আটককৃত সিরাজুল ইসলাম কুড়িগ্রাম জেলার ওলিপুর উপজেলার গাবতল গ্রামের মেহের উদ্দিনের ছেলে। রোববার রাত ১০টার দিকে সাদিপুর থেকে আটক করে করা হয়।

জানা যায়, উপজেলার সাদিপুর ইউপির গজিয়া রাজাপুর গ্রামের একটি বাড়িতে এ ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। সিরাজুল ইসলাম নামের ওই যুবককে রোববার রাত ১০টার দিকে সাদিপুর থেকে আটক করে পুলিশ। সাদিপুর ইউপির রাজাপুর এলাকায় নির্মাণাধীন পল্লী বিদ্যুতের সাব স্টেশনে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত সিরাজ ওই কিশোরীর সাথে একই বাড়িতে পাশাপাশি কক্ষে ভাড়াটিয়া ছিল ।

শনিবার নির্যাতিতা কিশোরীকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টর (ওসিসিতে) ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে পুলিশ ওসমানীনগর থানা পুলিশকে বিষয়টি অবগত করে। খবর জানার সাথে সাথেই রোববার রাত ১০টার দিকে ওসমানীনগর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে সিরাজুল ইলমামকে আটক করে। এ ব্যাপারে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে ওসমানীনগর থানায় মামলার দায়ের করেছেন।

এদিকে মাদরাসার ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার অপরাধে এক ইভটিজারকে আটক করেছে থানা পুলিশ। ইভটিজার সুমন আহমদ (১৯) ওসমানীনগর উপজেলার দক্ষিণ কলারাই গ্রামের খালিছ মিয়ার পুত্র। রোববার দিবাগত রাতে ৩টার দিকে তাকে আটক করা হয়। এব্যাপারে ওসমানীনগর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং (১৪)।

ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গত বৃহস্পতিবার ধর্ষণের চেষ্টা করে সিরাজুল। বিষয়টি জানার সাথে সাথেই অভিযান চালিয়ে সিরাজুল ইসলামকে আটক করা হয়। অন্য দিকে ইভটিংজিয়ের দায়ে সুমন নামে আরেক যুবককে আটক করা হয়। আটককৃতদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

Sharing is caring!

Loading...
Open