এবার জালালাবাদ থানা পুলিশের উপর চাদাবাজির অভিযোগ !

চাঁদা আদায় করার পর পুলিশ সদস্য টাকা গুনে দেখছেন ঠিক আছে কিনা,

 

স্টাফ রিপোর্টার ঃ সিলেট সদর উপজেলার চেঙ্গেরখাল নদীর জালালাবাদ ইউনিয়ন অংশে পাথর ও বালুবাহী নৌকা ও কার্গো থেকে চাদাঁবাজির অভিযোগ উঠেছে সিলেট জালালাবাদ থানা পুলিশের উপর।প্রতিদিন দেড় শতাধিক নৌকা থেকে লক্ষাধিক টাকা চাদা উত্তোলন করছে পুলিশ,এমনটিই অভিযোগ করেন এলাকাবাসী, স্থানীয় শিবের বাজার পুলিশ ফাড়ির সদস্যারা জালালাবাদ থানার অফিসার ইনচার্য ওকীল উদ্দিনের নির্দেশেই নাকি এই চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছেন।

কোনো প্রকার ইজারা ছাড়াই নৌকা থেকে টাকা তুলা হচ্ছে জালালাবাদ ইউনিয়নের কালারুকা তথা চেঙ্গেরখাল নদীর ইলঙ্গির বিলের কাড়া নামক স্থানে এই চাদাঁবজির ঘটনা ঘটছে।স্থানীয়রা জানান,চেঙ্গেরখাল নদী দিয়ে প্রতিদিন দেড়শতাধিক পাথর ও বালুবাহী নৌযান চলাচল করে। এসব নৌযান দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যায়।

গত ৫ মে থেকে হঠাৎ করে জালালাবাদ থানার নাম দিয়ে ট্যাক্স আদায় শুরু করেন। একটি কার্গো থেকে প্রতিদিন ২ হাজার ও বলগেট থেকে এক হাজার ৫০০ টাকা করে আদায় করছে ঐ চক্র। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে নৌকার মাঝিসহ শ্রমিকদের মারধরের ঘটনা ঘটছে।

প্রতিদিন নৌকা, ভলগেট থেকে এরকম চাদাবাজীর ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।এবং এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।কোম্পানীগঞ্জ থেকে ছেড়ে যাওয়া পাথরবাহী কার্গো এমভি মোহনা এর চালক বাবুল মিয়া অভিযোগ করেন,তার কাছ থেকে জোর করে দেড় হাজার টাকা নিয়ে গেছেন পুলিশ সদস্যরা। মারধরের ভয়ে তিনি এই চাঁদা দিতে বাধ্য হয়েছেন।

সাংবাদিক এবং ক্যামেরা দেখে মুখ লুকাচ্ছেন দুই পুলিশ সদস্য,

 

একইভাবে চালক হাসান ও আকিরও একই অভিযোগ করেন। সরজমিনে ঘটনাস্থলে গেলে চালকরা জানান পুলিশকে চাদা না দিলে পুলিশ কার্গো ,নৌকা, ভলগেট আটকিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা রেখে দেয় এবং আমাদের মারধর করে।

এমভি মিরাকা-৬ এর মালিক মতিন মাতেব্বর বলেন, এভাবে নতুন নতুন জায়গায় চাদাঁবাজি বাড়তে থাকলে আমাদের সিলেট কেন্দ্রিক ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হবে। তিনি চাঁদা না দেয়ায় তার কার্গো এক ঘণ্টা আটকে রাখা হয়েছিলো বলে জানান। এরপর ব্যবসার স্বার্থে তার চালক চাঁদা দিতে বাধ্য হন বলে জানান মতিন মাতেব্বর।

এলাকাবাসীর অভিযোগ জালালাবাদ থানার ওসি ওকিল উদ্দিনের নেতৃত্বে শিবের বাজার পুলিশ ফাড়ির সদস্যরা এই চাদাঁবাজি চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন আমরা যেনেশুনে চাদাঁবাজির বিষয়টি জালালাবাদ থানার ওসিকে অবহিত করলেও নিজের পকেট ভারী করার জন্য তিনি কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না। প্রতিদিন চাদাঁবাজির লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।

অপর দিকে, এ ব্যাপারে জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ১)মনতাকা আহমদ।২) কমর আলী। ৩) মানিক মিয়া, ৪) গেদন মিয়া, ৫) কয়েছ মিয়া সহ অন্যান্ন সদস্যবৃন্দ বলেন, আমরাও শুনেছি জালালাবাদ থানার ওসির মাধ্যমে শিবের বাজার ফাঁড়ীর পুলিশ সদস্যরা চাঁদা তুলছন। এ ব্যাপারে এ ডি সি জেদান আল মুসা বলেন পুলিশ কখনো চাঁদাবাজি করতে পারেনা যদি পুলিশের কোন সদস্য চাঁদাবাজির সাথে জড়িত থাকলে তাদের প্রতি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এব্যাপারে জালালাবাদ থানার ওসি ওকিল উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন এ ব্যাপারে আমার জানা নেই তবে ছবি দেখে ব্যবস্থা নেব।এছাড়া, শিবের বাজার পুলিশ ফাড়ীর ইনচার্য এস আই চন্দ্র শেখর বড়ুয়া জানান পুলিশ এমন কাজ করতে পারেনা ফুললি নেগেটিভ এখানকার অভাররুল হলেন ওসি সাহেব আপনি উনার সাথে কথা বলেন।
বিস্তারিত আসছে ভিডিও সহ।

Sharing is caring!

Loading...
Open