মৌলভীবাজারে দাদীকে বেঁধে ১২ বছরের নাতনিকে রাতবর ধর্ষণ

মৌলভীবাজারের কাগাবলা ইউনিয়নে পিতৃহীন এক কিশোরীকে (১২) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় কিশোরীর মা বাদী হয়ে ২ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন। আসামীরা হলেন একই এলাকার ৩ সন্তানের জনক জাহিদ মিয়া (২৭) ও রাব্বি মিয়া (২৮)।

ধর্ষিতার মা বলেন, গত শনিবার কিশোরিকে দাদীর কাছে রেখে আত্মিয়ের বাড়ীতে রোগী দেখতে যান, সে দিন গভীর রাতে দাদী পাশে ঘুমিয়েছিলেন এই কিশোরী। এ সময় ধর্ষক জাহিদ মিয়া ও রাব্বি মিয়া টিনের বেড়া কেটে ঘরে ঢুকে দাদী এবং কিশোরীকে বেধে ফেলে। পরে ঊঠানে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে যায়। এসময় কিশোরী চিৎকার করতে চাইলে তার মুখে শক্ত কিছু একটা ঢুয়ে রাখে এতে মুখেও প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।

কিশোরীর মা আরও বলেন, সারারাত মেয়ের শরীর থেকে রক্ত ঝরেছে। ভোর রাতে যখন তার জ্ঞান ফিরলে সে ঘরে এসে দাদীর বাধন খোলে দেয়, পরে আমাকে কল দেয়।

তিনি কাঁদতে কাঁদতে বলেন, আমার সোনা ময়না কিভাবে যে বেঁচে গেছে আল্লাই জানেন। এই কুলাঙ্গারগুলা আমার কলিজার টুকরাকে এত কষ্ট দিল তা যেনো আল্লাহ দেখেন। আমি এর কঠিন বিচার চাই।

বর্তমানে ওই কিশোরী মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই ইমরান হোসেন জানান, মেয়েটি ঘটনার দিন থেকে এখনো চিকিৎসা নিচ্ছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি।

মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন ঘটনার সত্যাতা নিশ্চিত করে জানান, খুবই খারাপ একটি ঘটনা ঘটেছে, আমরা চেষ্টা করছি আসামীকে ধরতে।

Sharing is caring!

Loading...
Open