জেলা প্রশাসক বরাবরে কোম্পানীগঞ্জ পাথর শ্রমিকদের স্মারকলিপি


কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পাথর উত্তোলন ও বহনকারী শ্রমিক ইউনিয়ন রেজি নং চট্ট: ২২৬৩ এর সভাপতি সিরাজুল ইসলামকে হয়রানি মূলক মামলা থেকে
অব্যহতি দাবি জানিয়েছেন সংগঠনের শ্রমিক নেতা কর্মীরা।

১৩ জানুয়ারি সিলেট জেলা প্রশাসক বারাবরে প্রেরিত এক স্মারকলিপিতে শ্রমিকরা এই দাবি জানান।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পাথর উত্তোলন ও বহনকারী শ্রমিক ইউনিয়ন পক্ষ থেকে স্মারক লিপি প্রদান করেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন
আহমদ।

জেলা প্রশাসকের পক্ষে স্মরকলিপি গ্রহন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক সঞ্জীব কুমার সিংহ (উপ সচিব)। স্মরাকলিপি রিয়াজ উদ্দিন আহমদ উলে-খ্য করেন গত ৭ জানুয়ারি কোম্পানীগঞ্জ টাস্কফোর্স সদস্যদের উপর সন্ত্রাসী হামালার ঘটনা ঘটে।
কিন্তু পরিতাপের বিষয় হচ্ছে যে, উক্ত হামলায় ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত মামলায় আমাদের সংগঠনের সভাপতি সিরাজুল ইসলামকে
জড়িয়ে ফেলা হয়।

যা মোটেই সঠিক নয়। প্রকৃত পক্ষে ৭ জানুয়ারি
ঘটনার দিন সিরাজুল ইসলাম সাংগঠনিক কাজে সিলেটে অবস্থান করছিলেন। ঘটনার দিন সিরাজুল ইসলাম সিলেট জেলা আওয়ামীলীগর
প্রচার সম্পাদক এডভোকেট মাহফুজুর রহমান ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আফতাব আলী কালা মিয়ার সাথে নগরীর
পূর্ব জিন্দাবাজারে একটি রেস্টুরেন্টে বৈঠকে ছিলেন। তাছাড়া সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে অতীতে পাথর শ্রমিক সংগঠনের পক্ষ থেকে
বোমা মেশিন বন্ধে বিভিন্ন আন্দোলন কর্মসূচিও পালন করা হয়েছে।

কিন্তু ৭ জানুয়ারি সংঘটিত অনাঙ্কাখিত ঘটনার সাথে কোন প্রকার সম্পৃক্ততা না থাক সত্তে¡ও তাকে মামলায় আসামী করা হয়েছে। যাতে
আমারা শ্র্রমিকরা হতবাক ও বিস্মিত হয়েছি। এ ব্যাপারে সুষ্টু তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আহŸান জানিয়েছেন শ্রমিক নেতৃবৃন্দ।

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, কোম্পানীগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার নুর হোসেন, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পাথর
উত্তোলন ও বহনকারী শ্রমিক ইউনিয়ন রেজি নং চট্ট: ২২৬৩ এর কার্যকরি সভাপতি আব্দুল বাছির, সহ সভাপতি মকবুল হোসেন চৌধুরী মঙ্গল, সহ
সভাপতি মানিক মিয়া, ক্রীড়া সম্পাদক ময়না মিয়া, উৎমা শাখার সাধারণ সম্পাদক সুধীর চন্দ্র দাস, শ্রমিক নেতা আব্দু সালাম, শ্রমিক নেতা
আব্দুল আউয়াল, শ্রমিক নেতা মো. চান মিয়া, শ্রমিক নেতা মওলা মিয়া, আনা মিয়া, বুরহান উদ্দিন বেলায়েত হোসেন মুকুল, দিলু মিয়া, দুলাল
মিয়া প্রমুখ।বিজ্ঞপ্তি

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close