ফিরে দেখা- ২০১৮ সাল: কানাইঘাটের আলোচিত যত ঘটনা-দূর্ঘটনা

কানাইঘাট প্রতিনিধি:: ২০১৮ সালের জানুয়ারী থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত যে সব ঘটনা দূর্ঘটনায় আলোচিত ছিল কানাইঘাট।

তার একটি প্রতিবেদন তুলে ধরা হল- ২০১৮ সালের ১৩ জানুয়ারী কানাইঘাট বাজার সংলগ্ন সুরমা নদীর কামার পট্রিতে গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ হয় ডালাইচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেনীর ছাত্র রিমন চন্দ্র দাস রাজ (১০)। সাতাঁর না জানায় সে ঐদিন পানিতে ডুবে গিয়েছিল।

সে গোলাপগঞ্জ উপজেলার ফুলসাইন গ্রামের মৃত রবিন্দ্র দাসের পুত্র। তার মা লিলি রানী দাসের সাথে সে ডালাইচর গ্রামে তার মামার বাড়ীতে বসবাস করতো। ২৪ জানুয়ারী উপজেলার দিঘীরপার পুর্ব ইউপির হিম্মতের মাটি গ্রামের আলাউদ্দিনের স্ত্রী ৩ সন্তানের জননী কুলসুমা বেগম (৪৫) দুর্বৃত্তদের হাতে খুন হন। কুলসুমা বেগম এর আগের দিন সন্ধ্যায় বাড়ী থেকে গ্রামের একটি সমিতির সভায় অংশ গ্রহনের কথা বলে বের হন। পরদিন সকালে ভবানীগঞ্জ খালের পারে তার লাশ পাওয়া যায়।

২৯ জানুয়ারী বিকাল ২টায় লোভা কোয়ারীতে ট্র্যাক্টরের নিচে চাপা পড়ে মঈন উদ্দিন (৪০) নামে এক পাথর শ্রমিকের মৃত্যু হয়। সে উপজেলার ভালুকমারা গ্রামের শরিফ উদ্দিনের পুত্র। ১৭ ফেব্র“য়ারী দুপুর ১২টায় লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির সোনাতন পুঞ্জি গ্রামে স্বামীর হাতে খুন হন স্ত্রী জাহানারা বেগম (২০)। জাহানারা ঐদিন বাড়ীর পাশে একটি ছড়ায় গোসল করতে গেলে ইমন ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। ২৪ ফেব্র“য়ারী সকাল ৭টায় লোভা কোয়ারীর সাউদগ্রামে পাথর উত্তোলনের সময় গভির গর্তে পাথর চাপায় ফরহান উল্ল¬াহ (৫৫) নামে এক পাথর শ্রমিকের মৃত্যু হয়।

সে সুনামগঞ্জ জেলার দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলার কাইল্যা গ্রামের মৃত আমান উল্লার পুত্র। ২৬ ফেব্র“য়ারী সকাল ৭টায় পানির মটরে সুইচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে ফয়েজ উদ্দিন কয়েছ (২৭) নামে এক রাজ মিস্ত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। সে উপজেলার দিঘীরপার পুর্ব ইউপির শাহপুর গ্রামের মৃত ছমর উদ্দিনের পুত্র। ঘটনার দিন সে পার্শ্ববর্তী কাজীর গ্রামের আব্দুর রহমানের বাড়ীতে রাজমিস্ত্রীর কাজে গিয়ে ছিল। সেখানে পানি উঠানোর জন্য মটরে সুইচ দিতে গেলে সে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়। ২রা মার্চ সন্ধ্যা ৬টায় উপজেলার বড়চতুল ইউপির দুর্গাপুর ঈদগাহ এলাকায় একটি ট্রাক্টর উল্টে মাটি কাটা শ্রমিক শাহাদত উল্লাহ (২২) এর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।

সে একই ইউপির কাজির পাতন গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। ২৭ মার্চ রাত ২টায় লক্ষীপ্রসাদ পুর্ব ইউপির নারাইনপুর গ্রামে কবির চৌধুরীর বাড়ীতে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। পাকা বসতঘরের কাঠের দরজা ভেঙ্গে ৮/১০জন অস্ত্রধারী ডাকাতরা ঘরের ৫টি কক্ষে প্রবেশ করে পরিবারের নারী পুরুষ ও শিশুদের অস্ত্রের মূখে জিম্মি করে হাত পা বেঁধে রাখে।

এসময় ডাকাতদল ঘরের সমস্থ মালামাল তছনছ করে নগদ ৬০ হাজার টাকা, ৫ ভরি স্বর্ণালংঙ্কার, ৭টি মোবাইল সেট সহ অনুমানিক ৪ লক্ষ টাকার দামী জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। ২৯ মার্চ রাত ৮টায় চতুল বাজারে ভাগ্না আলমাছ উদ্দিনের দারালো দা’র আঘাতে মামা নাজিম উদ্দিন (৩০) নির্মম ভাবে খুন হয়। সে বড়চতুল ইউপির রতনপুর কোনাপাড়া গ্রামের মৃত ফয়জুল হকের পুত্র চতুল বাজারের পান দোকানি ছিল। ৩ এপ্রিল সকাল ৯টায় লক্ষিপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির নিহালপুর রাস্তায় লোভাকোয়ারী থেকে পাথর নেওয়ার সময় ট্রাক্টর উল্টে ফয়েজ আহমদ (২২) নামে এক পাথর শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।

সে উপজেলার সাতবাঁক ইউপির চরিপাড়া (মাজরডি) গ্রামের ফরিদ উদ্দিনের ছেলে। এছাড়া ৩ এপ্রিল রাত ১১টায় উপজেলার দিঘীরপার পুর্ব ইউপির ছত্রনগর গ্রামে রাত ৮টায় কিটনাশক পান করে সুলতান আহমদ (১১) নামের এক কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। সে একই গ্রামের আয়াছ আলীর পুত্র। ১৯ এপ্রিল রাতে ডাকাতদের গুলিতে কানাইঘাট সদর ইউপির ছোটদেশ আগফৌদ গ্রামের সৌদি প্রবাসী ইফজাল উদ্দিন (৩৫) নিহত হন।

২৫ এপ্রিল দুপুর ১টায় উপজেলার সদর ইউপির বীরদল পুর্ব হাওর গ্রামে পুকুরে ডুবে ১৮ মাসের শিশু রাফি মারা যায়। সে বানীগ্রাম ইউপির ছত্রপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী রইছ উদ্দিনের পালক পুত্র ছিল। ২৬ এপ্রিল সকাল ৮টায় জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করতে গিয়ে লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির কালীনগর (আগফৌদ) গ্রামে ফারুক আহমদ (৪৫) ধারালো চাকুর আঘাতে নির্মম ভাবে নিহত হন। ৩০ এপ্রিল বোরো ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে মৃত্যুবরণ করেন বড়চতুল ইউপির রায়পুর গ্রামের ইলিয়াছ আলীর পুত্র ইয়াহইয়া (২৮)।

১লা মে বিকাল ২টায় বড়চতুল ইউপির হারাতৈল হাওরে ঝড়ের কবলে পড়ে বজ্রপাতে হারাতৈল উপর বড়াই গ্রামের করিম আলীর পুত্র দুর্গাপুর হাইস্কুল এন্ড কলেজের ৬ষ্ট শ্রেনির ছাত্র তুফায়েল আহমদ তামিম (১৩) ও তার চাচাতো ভাই ফখরুল আহমদের পুত্র হারাতৈল আনোয়ারুল উলুম মাদ্রাসার ৫ম শ্রেনির ছাত্র সালমান আহমদ (১১) এর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। ৯ মে বিকাল ৩টায় লেগুনার ধাক্কায় আব্দুল্লাহ নামের ৩ বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউপির বড়দেশ (সর্দারীপাড়া) গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসী সাইফুল আলমের পুত্র। এছাড়া ৯ মে সাতবাঁক ইউপির পিরনগর গ্রামে রাত ৯টায় পারিবারিক বিরোধের জের ধরে ভাতিজা সাহেল আহমদ (২২) কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে চাচা কুতুব আলী।

১১ মে কানাইঘাট পৌরসভার গোসাইনপুর মসজিদে রমজান মাসের ইমাম রাখা নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে একই গ্রামের মৃত জয়াদ আলীর পুত্র মোহাম্মদ আলী (৬০) খুন হন। ২৩ মে সকাল ১১টায় লক্ষিপ্রসাদ পুর্ব ইউপির কেউটি হাওর (কেরকেরী) পশ্চিম গ্রামে পানিতে ডুবে একই গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের বড় ছেলে তাহফিজ উদ্দিন (৬) তাদের প্রতিবেশী একই গ্রামের বছল উদ্দিনের মেয়ে ফাইজা বেগম (৪) নামে দুই শিশু তাদের বাড়ীর পাশের একটি পুকুরের পানিতে ডুবে মারা যায়। ২৪ মে দুপুর ২টায় লেগুনার ধাক্কায় গিয়াস উদ্দিন (২৪) নামের এক ট্রাক চালকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি সদর ইউপির বীরদল কচুপাড়া গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের পুত্র। ফালজুর ব্রীজ সংলগ্ন বোরহান উদ্দিন রোডে ট্রাক চালক গিয়াস উদ্দিনের গাড়ীতে যান্ত্রিক ক্রুটি দেখা দেওয়ায় তিনি রাস্তার পার্শ্বে দাড়িয়ে ছিলেন। এসময় বিপরীতগামী একটি লেগুনা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাকে ধাক্কা দিলে তিনি নিহত হন।

২৭ মে সকাল ১১টায় উপজেলা হাসপাতালে যাওয়ার পথে মন্দিরের ঘাটে এসে চরিপাড়া গ্রামের বাবুল আহমদের যাত্রীবাহী ইঞ্চিন নৌকায় উঠেন কুওড়ঘড়ি গ্রামের কয়ছর আহমদের স্ত্রী হাসনা বেগম। এসময় যাত্রীবাহী ইঞ্জিন নৌকাটি সুরমা নদীর ঘাট থেকে ছেড়ে দেওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে ছুঠে আসা পাথরবাহী স্টীল নৌকার ধাক্কায় হাসনা বেগম (২৬) এর কোলে থাকা শিশু সুহেব (১) সুরমা নদীতে পড়ে ডুবে যায় মারা যায়। ১৩ জুন সকাল ১১টায় বর্জপাতে সাদিক আহমদ (৮) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। সে উপজেলার বড়চতুল ইউপির কাদির গ্রামের আব্দুশ শুকুরের পুত্র।

১৪ জুন সন্দ্যায় ভাইয়ের বাড়ী থেকে ঈদুল ফিতরের একটি শাড়ী নিয়ে নিজ বাড়ীতে আসার পথে চতুল হকারাই সড়কে একটি লেগুনা থেকে পড়ে গিয়ে রাজিয়া বেগম (৫৫) নামে এক বৃদ্ধা মহিলার মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। সে উপজেলার বড়চতুল ইউপির বড়চতুল গ্রামের জমসেদ আলীর স্ত্রী। ১৯ জুন বিকাল ৪টায় নিজ বাড়ী থেকে বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার পথে বানের পানিতে ডুবে হোসনে আরা বেগম (৩৫) নামে এক মহিলার মৃত্যু হয়। সে উপজেলার দিঘীরপার পুর্ব ইউপির দক্ষিন ঠাকুরের মাটি গ্রামের মতি মিয়ার স্ত্রী। ২ জুলাই সকাল ৯টায় বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে ইসলাম উদ্দিন (৩০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়।

সে কানাইঘাট পৌরসভার বায়মপুর (লক্ষিপুর) গ্রামের মখলিছুর রহমানের পুত্র। ২০ জুলাই বিকাল ৫টায় উপজেলার দিঘীরপার পুর্ব ইউপির পুর্ব রামপুর গ্রামের সাজিদ আলীর পুত্র আলমগীর হোসেন (৩০) পাওনা টাকার লেনদেনের মারপিটের ঘটনায় মারা যায়। ১৬ আগস্ট সকাল ৬টায় উপজেলার বায়মপুর (বদিকোনা) গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে ফারুক আহমদ (৪২) খুন হয়। সে কানাইঘাট পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের বায়মপুর (বদিকোনা) গ্রামের মৃত আসদ রাজা উরফে জমসেদ আলীর পুত্র। ৩০ আগস্ট দুপুর ১২টায় লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউপির সুনাতন পুঞ্জি গ্রামের রফিক উদ্দিনের মেয়ে রিনা বেগম (১৮) এর লাশ জৈন্তাপুর উপজেলার ঠাকুরেরমাটি গ্রামের একটি পুকুর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত রিনা বেগম তার স্বামী বিলাল উদ্দিনের বোনের বাড়ীতে ঈদুল আজহার দাওয়াত খেতে গিয়ে সেখান থেকে নিখোঁজ হয়েছিল। ৩১ আগস্ট সকাল ১০টায় বড়চতুল ইউপির নাপিত খালের ব্রীজের নিচ থেকে মহিলাদের ব্যবহৃত একটি সাইড ব্যাগ থেকে এক নবজাতকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ১লা সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় নিজ বসতঘরের তীরের সাথে গলায় ফাঁস লাগিয়ে পলি দাস (২৮) নামে ৪ মাসের অন্তঃসত্তা এক গৃহ বধু আত্বহত্যা করেছে। সে উপজেলার রাজাগঞ্জ ইউপির ফালজুর পুর্ব গ্রামের অর্জুন দাস এর স্ত্রী। ১৯ সেপ্টেম্বর পুকুরে ডুবে শোয়াইবুর রহমান (২০) নামে এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যু হয়।

সে উপজেলার বড়চতুল ইউপির মোবারক আলীর পুত্র। ২ অক্টোম্বর উপজেলার ঝিংগাবাড়ী ইউপির ফাগু গ্রামের মৃত ইজ্জত উল্লার পুত্র আব্দুন নুর (৪৭) পাশের বাড়ীতে রহস্যজনক ভাবে মারা যায়। ৬ অক্টোম্বর স্বামীর বাড়ীতে বিষ পান করে শিফা বেগম (২০) নামে এক গৃহ বধু আত্মহত্যা করে। সে উপজেলার সাতবাঁক ইউপির করডি গ্রামের রইছ উদ্দিনের স্ত্রী। ১৩ অক্টোম্বর খাসিয়ার গুলিতে দনা সীমান্তে সোনারখেয়র গ্রামের জালাল উদ্দিনের পুত্র মামুন উদ্দিন (৩০) মারা যায়।

২৭ অক্টোবর সকাল ১০টায় মটর সাইকেল এক্সিডেন্ট করে কানাইঘাট সরকারী কলেজের ছাত্র শামিম আহমদ (২২) মারা যায়। সে উপজেলার দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউপির বড়দেশ খালোপার গ্রামের নছির আহমদ পেস্কারের পুত্র। ২৮ অক্টোবর ছবি দেখে মুহিব মোল্লার লাশ শনাক্ত করে তার পরিবারের। এর আগে নিজ বাড়ী থেকে সিলেট শহরে গিয়ে নিখোঁজ হন পৌরসভার রায়গড় গ্রামের মুহিবুর রহমান উরফে মুহিব মোল্লা (৫০)। এর পুর্বে গোলাপগঞ্জ উপজেলার বাঘা এলাকা থেকে ৮ অক্টোবর তার লাশ উদ্ধার করে বেওয়ারিশ হিসাবে দাফন করা হয়েছিল।

এছাড়া ২৮ অক্টোবর সকাল ১১টায় পৌরসভার নয়াখলা গ্রামের আফতাব উদ্দিনের শিশু কন্যা তানিশা বেগম (৫) বাড়ীর লোকজনের অগোচরে পুকুরে ডুবে মারা যায়। ৩১ অক্টোবর ভোর ৬টায় লক্ষিপ্রসাদ পূর্ব ইউপির মিকিরপাড়া গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল করিমের ছেলে আব্দুর রহমান (৩২) একটি গরু নিয়ে সুরমা নদী পার হওয়ার সময় নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়। এর দু’দিন পর সুরমা নদীতে তার লাশ ভেসে উঠে।

৭ নভেম্বর সকাল ১১টায় লেগুনা থেকে পড়ে গিয়ে শফিকুন নেছা (৬২) নামে এক বৃদ্ধা মহিলার মৃত্যু হয়। সে উপজেলার দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউপির ভ্রাম্মন গ্রামের মৃত আহমদ আলীর স্ত্রী। ৪ ডিসেম্বর ভোর ৬টায় সিওমেক হাসপাতালে আলমগীর হোসেন (২৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। সে উপজেলার বড়চতুল ইউপির ইন্দ্রকোনা গ্রামের মৃত ফয়জুল হকের পুত্র। সে পল্লীবিদ্যুতের মেইন লাইন থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়ে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে গুরুতর আহত হয়েছিল। ৩০ ডিসেম্বর দুপুর ২টায় উপজেলার দক্ষিন বাণীগ্রাম ইউপির ধলিবিল দক্ষিণ নয়াগ্রামের প্রতিবন্ধী ময়না মিয়া উরফে বাকু (৮০) নিজ বাড়ীর সামনে আমন ধানের পাহারা ঘরে আগুনে পুড়ে মারা যান।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close