কে কোথায় প্রার্থী


সুরমা টাইমস ডেস্ক :: একাদশ সংসদ নির্বাচনে একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধীদের পরিবারের বেশকজন সদস্য সংসদ সদস্য প্রার্থী হয়েছেন। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামির মনোনয়নে তাদের অধিকাংশই ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়তে চান।
বুধবার মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে সারাদেশে ৩ হাজার ৬৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এদের মধ্যে অন্তত ৬ জন আছেন যাদের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে দণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এবং সুপ্রিম কোর্ট।

যুদ্ধাপরাধী দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী, মতিউর রহমান নিজামী, সৈয়দ মো. কায়সার, আব্দুল আলীম, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পরিবারের একাধিক সদস্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে আব্দুল আলীম, কায়সার ও সাকা চৌধুরীর পরিবারের সদস্যরা সরাসরি বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত থাকলেও নিজামী-সাঈদীর পরিবার জামায়াতে ইসলামির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

তবে সাঈদীপুত্র বিএনপি মহাসচিবের সাক্ষরিত প্রত্যয়নপত্রের মাধ্যমে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন, আর নিজামীপুত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।
পিরোজপুর-১ আসনে শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর পুত্র জামায়াতে ইসলামির নেতা শামীম সাঈদী বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

পাবনা-১ (সাঁথিয়া-বেড়া) আসনে ফাঁসিতে দণ্ডিত শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী মতিউর রহমান নিজামীর পুত্র জামায়াতে ইসলামির নেতা ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর ভাই গিয়াসউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। একই আসনে গিয়াসউদ্দিনের ছেলে সামির কাদের চৌধুরীকেও দলীয় মনোনয়নের চিঠি দিয়েছে দলটি।

জয়পুরহাট-১ (সদর ও পাঁচবিবি) আসনে যুদ্ধাপরাধী আব্দুল আলীমের পুত্র ফয়সল আলীম মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ফয়সল আলীম বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি ও জেলা কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য।

জিয়াউর রহমানের সময়ের বিএনপি নেতা এবং এরশাদ সরকারের কৃষি প্রতিমন্ত্রী যুদ্ধাপরাধী সৈয়দ মো. কায়সারের ভাই সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সল হবিগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ি আগামি ৩০ ডিসেম্বর হবে ভোটগ্রহণ।

Sharing is caring!

Loading...
Open