বড়লেখায় সেই শিশুর বাড়িতে পুলিশ, আইনি সহায়তার আশ্বাস

বড়লেখা প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পরিবহন শ্রমিকদের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘট চলাকালে উপজেলার চান্দগ্রামে অ্যাম্বুলেন্স আটকে রাখায় মারা যাওয়া সাতদিনের শিশুর পরিবারকে আইনি সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) আবু ইউসুফ।

মঙ্গলবার (৩০শে অক্টোবর) রাত সাড়ে আটটার দিকে তিনি ওই শিশুর বাড়িতে গিয়ে তার বাবা-মা সঙ্গে কথা বলে পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ আইনগত সহায়তার আশ্বাস দেন।

এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) আবু ইউসুফ সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটা একটা জঘন্য ঘটনা। যুদ্ধক্ষেত্রেও মানুষ চরম শক্রকে চিকিৎসা দেয়। কিন্তু এদের (পরিবহন শ্রমিকদের) বিবেক বাঁধল না। আমি পুলিশ সুপার স্যারের নির্দেশে তাঁদের বাড়িতে এসেছি। তাদের সমবেদনা জানিয়েছি। স্যারের পক্ষ থেকে মামলা করার জন্য তাঁদের বলেছি। তাঁরা মামলা দিলে আমরা সর্বোচ্চ আইনগত সহায়তা দেওয়া হবে।’

মারা যাওয়া শিশুকন্যার পিতা প্রবাসী কুটুন মিয়া বলেন, ‘সাত দিনের বাচ্চা। মামলা করলে লাশ কবর থেকে তুলে ময়নাতদন্ত করা হতে পারে। এরকম অনেকেই বলছেন। ওই বিষয়টা নিয়ে সবার সাথে পরামর্শ করছি। দেখি কি করা যায়।’

এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের সঙ্গে বড়লেখা থানার অফিসার ইন-চার্জ (ওসি) মো. ইয়াছিনুল হক, পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জসীম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত রোববার (২৮ অক্টোবর) বড়লেখা থেকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বড়লেখা উপজেলার বড়লেখা সদর ইউনিয়নের অজমির গ্রামের বাসিন্দা প্রবাসী কুটন মিয়ার সাতদিনের কন্যাশিশুকে নিয়ে যাওয়ার সময় পরিবহন শ্রমিকরা চান্দগ্রামে প্রায় দেড় ঘণ্টা অ্যাম্বুলেন্স আটকে রাখে। এতে চান্দগ্রামে অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যেই শিশুটি মারা গেছে।

Sharing is caring!

Loading...
Open