অপরাধী মন না থাকলে উদ্বেগের কারণ নেই-প্রধানমন্ত্রী

সুরমা টাইমস ডেস্ক::     ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে সাংবাদিকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘আমি এখানে স্পষ্ট বলব, যে সাংবাদিকরা মনে করে তারা কোনো অন্যায় কাজ বা কারো বিরুদ্ধে অপবাদ বা কোনো মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করবে না, তাদের উদ্বেগের কোনো কিছু নেই।’ গতকাল বুধবার বিকেলে গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদানের বিষয়ে নানা তথ্য তুলে ধরতে আয়োজন করা হয় সংবাদ সম্মেলন।

প্রায় ১৫ মিনিট লিখিত বক্তব্য পাঠ করার পর সংবাদ সম্মেলনে প্রায় সোয়া এক ঘণ্টা সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ছাড়াও রোহিঙ্গা ইস্যু, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ক্ষমতাসীন জোট সম্প্রসারণ, জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া, সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার বইসহ নানা বিষয়ে মন্তব্য করেন।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কিছু অংশ নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্বেগ প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘কারো যদি অপরাধী মন না থাকে, ভবিষ্যতে অপরাধের পরিকল্পনা না থাকে, তার উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। আগে তো সমন জারি করা হতো না, সরাসরি গ্রেপ্তার করা হতো।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মিথ্যা সংবাদের কারণে কোনো সংসদ সদস্য এলাকায় অসম্মানিত হলে, সেটার কী হবে? সাংবাদিকরা উদ্বিগ্ন বুঝলাম; কিন্তু আমাদের উদ্বেগটা কে দেখবে?’

গণমাধ্যমের একটি অংশ নানা মিথ্যা তথ্য দিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ছাপার অপেক্ষায় আছে বলে জানান সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, ‘উদ্বিগ্ন তারা বেশি হবে, যারা আমাদের বিরুদ্ধে একটার পর একটা লেখা তৈরি করে আছে। কখন ছাড়বে সেটার অপেক্ষায় আছে তারা।’ তিনি আরো বলেন, ‘একটা জিনিস ওখানে ঢোকানো উচিত। আমি মনে করি, যদি কেউ কারো বিরুদ্ধে কোনো মিথ্যা তথ্য দেয়, তাহলে সেই তথ্যটা তাকে প্রমাণ করতে হবে যে সেটা সত্য। যদি সত্য প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়, সেই সাংবাদিক যে লিখবে, যে মিডিয়া ইলেকট্রনিক হোক বা ডিজিটাল ডিভাইস হোক বা যে এটা প্রকাশ করবে তাদের সবাইকে শাস্তি পেতে হবে এবং যার বিরুদ্ধে লিখবে তার জন্য তাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে, যেটা ইংল্যান্ডে আছে।’

যুক্তরাজ্যের একটি উদাহরণ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিবিসি একজন সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছিল। এটা প্রমাণিত হওয়ার পর সবাইকে রিজাইন করতে হয়েছে।…কিন্তু যাঁর বিরুদ্ধে ওই সংবাদ প্রকাশ করা হলো, তিনি তো ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েই গেলেন। কিন্তু যে প্রকাশ করল, তার তো কিছু হলো না। তাঁর যে সম্মানটা গেল, ক্ষতি হলো, তার ক্ষতিপূরণ হবে কিভাবে? পদ্মা সেতু নিয়ে অনেকের অনেক কথা মিথ্যা প্রমাণিত হলো। কিন্তু আমাদের যে ক্ষতিটা হলো, তার কী হবে?’

সাইবার নিরাপত্তা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সাইবার সিকিউরিটি (নিরাপত্তা) প্রতিটি দেশে বিরাট সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। সেখানে সামাজিক, পারিবারিক সমস্যা তৈরি হচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের সমস্যা, পর্ন এসব ছড়াচ্ছে।

আমরা সে লক্ষ্যে উদ্যোগ নিয়েছি।’

কোনো দল আসবে কি না সেটা তাদের দলীয় সিদ্ধান্ত : আগামী জাতীয় নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণের সম্ভাবনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অবশ্যই নির্বাচন হবে। বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচন চায়। কোন দল নির্বাচনে আসবে, কে আসবে না, এটা তাদের দলীয় সিদ্ধান্ত। এতে আমাদের কিছু করার নেই।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০১৪ সালের নির্বাচনে আমি তাদের (বিএনপি) নির্বাচনে আসার আহ্বান জানাই। তৎকালীন বিরোধী দল আমার আহ্বানে সাড়া দেয়নি। বাকিদের নিয়ে নির্বাচন করেছি। কিন্তু নির্বাচনে অংশ না নিয়ে তারা (বিএনপি) নির্বাচন ঠেকানোর কাজ করেছে। তারা ৩৯০০ মানুষ পুড়িয়েছে। যারা মানুষকে মানুষ মনে করে না তাদের জন্য মায়াকান্না কেন? যারা আগুনে পুড়েছে তাদের কখনো খোঁজ নিয়েছেন? যারা আগুনে পুড়ে কর্মক্ষমতা হারিয়েছে তাদের পরিবার কিভাবে চলছে খোঁজ নিয়েছেন? যারা মানুষ পোড়ানোর খেলা খেলে তাদের জন্য এত মায়াকান্না কেন? যারা সামান্য এতিমের টাকার লোভ সামলাতে পারে না তাদের জন্য এত কান্না কেন? এরা কিভাবে স্বপ্ন দেখে ক্ষমতায় আসার? কিভাবে দেশ চালাবে তারা?’

মিয়ানমার শুধু হ্যাঁ হ্যাঁ বলে; কিন্তু কাজের বেলায় কিছু না : রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে মিয়ানমারের ভূমিকার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের বিষয়ে আমরা কাজ করছি। বিদেশি সংস্থাগুলোও সহযোগিতা করছে। ভাসানচরে এরই মধ্যে রোহিঙ্গাদের বসবাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এদিকে মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের চুক্তি হয়েছে, লোকের তালিকাও করা হয়েছে আর তারা যেন মিয়ানমারে ফিরে যেতে পারে সে ব্যবস্থাও আমরা নিচ্ছি। রোহিঙ্গাদের বিষয়ে চীন, জাপানসহ অনেক দেশ এগিয়ে আসছে। মিয়ানমার বলে রেডি, আর যখন আমরা রোহিঙ্গা পাঠাতে চাই তখন কোথায় যেন বাধা। বৈঠকের সময় মিয়ানমার শুধু হ্যাঁ হ্যাঁ বলে; কিন্তু কাজের বেলায় কিছু না।’

আশা করি বঙ্গবন্ধুদের খুনিদের ফিরিয়ে আনতে পারব : বঙ্গবন্ধুর দুই পলাতক খুনিকে দেশে ফিরিয়ে আনার সম্ভাবনা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘হত্যাকারীদের ফিরিয়ে আনতে আমরা থেমে নেই, কাজ করছি। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে যখন আমার দেখা হয়েছিল তখন এ বিষয়ে তাঁকে বলেছি। তিনি বেশ আগ্রহ দেখিয়েছেন এবং নোট নিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আমার এ বিষয়ে কথা হয়েছে। আর কানাডায় পলাতক খুনির বিষয়ে আদালতে একটি মামলা চলছে। আমরা আশাবাদী বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে আনতে পারব।’

এস কে সিনহার বিষয়ে আইন নিজের গতিতে চলবে : দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার বিচার হবে কি না জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ল উইল টেক ইটস ওউন কোর্স।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারকে আর সমর্থন না দিতে সাবেক এ প্রধান বিচারপতির অনুরোধের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রথম মাইনরিটি সম্প্রদায় থেকে আমরা একজন প্রধান বিচারপতি বানিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি এর মান রাখতে পারেননি। তাঁরই সহকর্মীরা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে তাঁর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন। তাঁরা এমনকি এটাও বলেছিলেন যে তিনি যদি দায়িত্বে ফেরেন তবে তাঁরা কোর্টে বসবেন না। সমস্যা কিন্তু এখানেই শুরু। আমাদের কিন্তু কিছু করার ছিল না।…তিনি শেষ পর্যন্ত কী করেন তা আমি দেখছি। শুধু এটুকু বলব, আমি তাঁর কর্মকাণ্ড অবজার্ভ করছি।’ সরকারপ্রধান বলেন, ‘তিনি (এস কে সিনহা) ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে আমাদের সমর্থন না দেওয়ার জন্য বলে এসেছেন। অনেকেই যাচ্ছেন, বিএনপিও গেছে, সমর্থন না দিতে বলে এসেছে। আমরা কারো মুখাপেক্ষী হয়ে রাজনীতি করি না। আমাদের জন্য এ দেশের জনগণ। আমরা এ দেশের জনগণের জন্য রাজনীতি করি। তারা আমাদের চায় কি না সেটাই বিচার্য বিষয়।’

শত ফুল ফুটতে দাও : আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটের বিরুদ্ধে সম্প্রতি নতুন রাজনৈতিক জোটের আত্মপ্রকাশ ও তৎপরতার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘একটা জোট হয়েছে, আমি খুশি। এই জোটের জন্য যদি কোনো সাহায্য-সহযোগিতা লাগে তা-ও আমি দেব। জোট বড় হচ্ছে, এতে বড় বড় মানুষই আছে। ছোট তো কেউ না, সবই বড় বড় মানুষ। আমার কথা হলো, শত ফুল ফুটতে দাও। এটা নির্বাচনের জন্য ভালো। এখন তাঁরা নির্বাচনে আসবেন কি না, করবেন কি না বা করতে পারবেন কি না বা সেই সাহস তাঁদের আছে কি না সেটা একটা প্রশ্ন। তবে জোট যখন গঠন হয়েছে, আমি তাদের স্বাগত জানাচ্ছি।’ তিনি বলেন, ‘এসব জোট নিয়ে আমার ভয়ের কিছু নাই। ভয় থাকে তার, যার হারাবার কিছু আছে। আমার হারাবার কিছু নেই।’

ষড়যন্ত্র তো থাকবেই, পরোয়া করি না : জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান শেষে দেশে ফিরেই দলের নেতাকর্মীদের সতর্ক করার কারণ জানতে চাইলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ষড়যন্ত্র তো একটা থাকবেই। বাংলাদেশ হচ্ছে ষড়যন্ত্রকারীদের জন্য উর্বর ভূমি। তবে এটা নিয়ে পরোয়া করি না। খালি আমার নেতাকর্মীদের একটু সতর্ক করতে চাই। তাঁরা ভাবছেন, ১০ বছর ক্ষমতায় ছিলাম, অনেক ভালো কাজ করেছি। আবারও ক্ষমতায় আসব। কিন্তু বাংলাদেশ তো সে রকম দেশ না।’

কোটা চাইলে আন্দোলন করুক : কোটা বাতিল প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কোটা বাতিলের দাবিতে যে আন্দোলনটা হলো সে রকম আন্দোলন আগে কখনো দেখিনি। আমরাও ছাত্রজীবনে আন্দোলন করেছি। কিন্তু ভিসির বাসায় যেভাবে হামলা হলো, ভাঙচুর, লুটপাট হলো…মেয়েরা রাতের বেলায় বাইরে, আমি নির্ঘুম রাত কাটালাম।…যখন বললাম কোটা থাকবে না, তখন বলছে কোটা সংস্কার চাই। কোটা যদি না থাকে তবে আর সংস্কার করতে হবে না। যদি এখন কারো চাই তবে তাদের কোটা চাই বলে আন্দোলন করতে হবে। সে রকম আন্দোলন যদি করতে পারে তখন ভেবে দেখব কী করা যায়। যেটা সহজভাবে বুঝি সেটাই বলছি। কোটা চাইলে আন্দোলন করুক। আন্দোলন ছাড়া কোটা দেব না।’

আমি কিন্তু ইভিএমের পক্ষে : নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে নিজের অবস্থান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি কিন্তু ইভিএমের পক্ষে। এখন একটা সুইচ টিপে টাকা ট্রান্সফার করা হচ্ছে। টাকা হচ্ছে সবচেয়ে প্রিয় জিনিস। ভোটও প্রিয় জিনিস। ভোটটাই বা দিতে পারবেন না কেন? বরং এখন এমন একটা ব্যবস্থা করা উচিত যে আমি আমার মোবাইল থেকেই ভোটটা দিতে পারব। যেন ভোটকেন্দ্রে যেতে না হয়।…বাটন চাপছে, সঙ্গে সঙ্গে ভোটটা কাউন্ট হয়ে যাচ্ছে। এখন আর আগের রাতে ব্যালট বাক্স অর্ধেক ভরে রাখার উপায় নাই।’

তারা যদি প্রশংসা করে দোষের কিছু নাই : হেফাজতে ইসলামের আমিরের প্রধানমন্ত্রীকে সংবর্ধনা দিতে চাওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমার কোনো শত্রু ছিল না। তবে হ্যাঁ, ওই হেফাজতের ঘটনার রাতের আগে খালেদা জিয়া সবাইকে আহ্বান জানালেন, আপনারা সবাই ঢাকা চলে আসেন। আমার মতো চেষ্টা করেছি পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য। ওই রকম পরিস্থিতি যেন বাংলাদেশে আর না আসে। খালেদা জিয়া তাকে ওপেন সমর্থন দিয়েছিলেন, জামায়াত আল্লামা শফীকে সমর্থন দিয়েছিল।’ তিনি বলেন, ‘ওই রাতে মতিঝিল শাপলা চত্বরসহ মানুষ যে টেনশনে ছিল তাদের তো আমি যেভাবেই পারি টেনশনমুক্ত করেছি। এ জন্য আমি তো ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। এখন তারা যদি আমার প্রশংসা করে তবে তাতে তো দোষের কিছু নাই।’

কওমি মাদরাসার শিক্ষা সনদের স্বীকৃতি প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, ‘একসময় অনেকে বলেছে, আমি তো ধর্মই বিশ্বাস করি না। এ রকম একটা ভাবনা অনেকের মধ্যে ছিল। এ কওমি মাদরাসার ছেলে-মেয়েদের ভবিষ্যৎ ছিল না। তারা কী করত, কোথায় যেত কোনো ঠিকানা ছিল না। আমি তাদের জন্য ভবিষ্যৎ ঠিকানা করে দিয়েছি।’ তিনি আরো বলেন, ‘এই উদ্যোগে দেশের মানুষ খুশি হওয়ার কথা। আর যারা আমার ভালো দেখতে পারে না, আমাকে খুন করতে চায় তাদের তো ভালো লাগবে না। এটাতে সাধারণ মানুষ খুশি হয়েছে।’

শরিকদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচনকালীন সরকার : নিজ জোটের কলেবর বৃদ্ধির বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের জোট তো আছেই। সেভাবেই চলছে। কেউ যদি আসতে চায় আসবে। তবে এত বেশি কলেবর বৃদ্ধি দরকার নেই।’

নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ২০১৪ সালে চেষ্টা করেছিলাম সব দলকে নিয়ে একটা সরকার গঠন করব। ২০১৪ সালের নির্বাচনে যারা জয়ী হয়েছে তাদের নিয়েই সরকার গঠন করে আছি। তাই আমরা ক্যাবিনেটে আলোচনা করব। শরিকদের সঙ্গে আলোচনা করব। দু-একটি দলের সঙ্গে এরই মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বাকিদের সঙ্গে আলোচনা করব, এরপর সিদ্ধান্ত নেব।’

Sharing is caring!

Loading...
Open