আজ সিলেটে উদ্বোধন হচ্ছে বহুল প্রতিক্ষিত আওয়ামীলীগ কার্যালয়

নিজস্ব প্রতিবেদক:: গত ৩০শে আগস্ট আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সিলেট সফরে এসে বলেছিলেন, এখানে যেন নোঙর ছাড়া নৌকা, পাল ছাড়া নৌকা। যেখানে আওয়ামী লীগের কার্যালয় পর্যন্ত নেই সেখানে আওয়ামী লীগ জিতবে কেমনে? এক মাসের মধ্যে সিলেট মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় চাই।দলের সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশমত কার্যালয় পাচ্ছে সিলেটের আওয়ামীলীগ। দীর্ঘদিন ধরে কার্যালয় ছাড়া রাজনৈতিক ও সকল নির্বাচনী কর্মকান্ড পরিচালনা করলেও এবার কার্যালয় পাচ্ছে সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ। আজ শুক্রবার (২৮শে সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনে এই নতুন কার্যালয়ের কার্যক্রম শুরু করবে সিলেট আওয়ামী লীগ।

নগরীর সোবানীঘাটস্থ চালিবন্দরে ইব্রাহিম স্মৃতি সংসদে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের এ কার্যালয়ের উদ্বোধন উপলক্ষে শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টায় আয়োজন করা হয়েছে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের।

গত ৩০শে আগস্ট আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের নির্দেশে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই কার্যালয় প্রস্তুত করেছেন সিলেট আওয়ামী লীগের নেতারা। এই কার্যালয় প্রস্তুতে যাবতীয় ব্যয়ও কেন্দ্র থেকে দেওয়া হয়েছে।

কার্যালয় হিসেবে ব্যবহারের জন্য ইব্রাহিম স্মৃতি সংসদকে সংস্কার করে নতুন রুপে সাজানো হয়েছে। সহস্রাধিক বর্গফুটের এই কার্যালয়ে আনা হয়েছে নতুন চেয়ার-টেবিলসহ প্রয়োজনীয় আসবাপত্র। এছাড়া বানানো হয়েছে একটি ওয়াশরুম।

সরেজমিনে বৃহস্পতিবার বিকেলে সেখানে গিয়ে দেখা যায়- উদ্বোধনের জন্য প্রায় শতভাগ প্রস্তুত আওয়ামী লীগের নতুন কার্যালয়। চলছে শেষ মুহুর্তের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ। এই কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের জন্য আনা হয়েছে দুইশতাধিক প্লাস্টিকের চেয়ার, তিনটি টেবিল এবং পনেরটি উন্নতমানের চেয়ার।

কার্যালয়ের ব্যাপারে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান বলেন- কেন্দ্রের নির্দেশে দ্রুততম সময়ে আমরা কার্যালয় প্রস্তুত করেছি। ২৮শে সেপ্টেম্বর শুক্রবার আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিনে আমরা এই কার্যালয়ের কার্যক্রম শুরু করব। এখন থেকে দলীয় কার্যক্রম এখান থেকেই পরিচালিত হবে বলে জানান কামরান।

উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের পহেলা ফেব্রুয়ারি গ্রেনেড হামলায় নিহত মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ইব্রাহিম আলীর নামে এই স্মৃতি সংসদের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা। এরপর থেকে কিছুদিন বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হলেও গত কয়েক বছর ধরে সেখানে কোন কার্যক্রম নেই।

Sharing is caring!

Loading...
Open