বর্তমানে দেশে খাদ্যশষ্যের কোনো সঙ্কট নেই — খাদ্যমন্ত্রী

সুরমা টাইমস ডেস্ক::       বর্তমানে দেশে খাদ্যশস্যের কোনো সঙ্কট নেই বলে দাবি করেছেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। আজ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ দাবি করে মন্ত্রী বলেন, এবার বোরো মৌসুমের শুরুতে হাওরে পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। ফলে এবার খাদ্য গুদামে মজুদ তলানিতে নেমে এসেছিলো। তবে এ মুহূর্তে আমরা সঙ্কট কাটিয়ে উঠেছি।

আওয়ামী লীগের সদস্য আব্দুল মান্নান ও জাসদ-এর সদস্য নাজমুল হক প্রধানের পৃথক দুই সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরো জানান, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১২ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুদের কথা থাকলেও মাত্র আড়াই লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশষ্য মজুদ করা গিয়েছিল। যে কারণে দেশে সাময়িকভাবে খাদ্য সঙ্কট সৃষ্টি হয়। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বিভিন্ন দেশ থেকে খাদ্য আমদানি করে সে সঙ্কট মোকাবিলায় আমরা সক্ষম হয়েছি। বর্তমানে দেশে কোন খাদ্য সঙ্কট নেই।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এবার ১০ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুদের কথা থাকলেও দেশের জনসংখ্যা উত্তোরোত্তোর বৃদ্ধি পাওয়ায় আমরা ১৫ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য শষ্য মজুদ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আর এসব মজুদ আমরা বিদেশ থেকে আমদানি নির্ভর না হয়ে অভ্যন্তরীণ উৎস্য থেকে সংগ্রহ থেকে করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

সরকার দলীয় সদস্য সুকুমার রঞ্জনের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে সারা দেশে খাদ্যের চাহিদা ছিল ২৯৬ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে চাল ২৬৯ লাখ মেট্রিক টন এবং গম ছিল ২৭ লাখ মেট্রিক টন।

আওয়ামী লীগের মো. আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে কামরুল ইসলাম বলেন, দেশে বর্তমানে খাদ্যশস্যের দাম স্থিতিশীল পর্যায়ে রয়েছে। বিশ্ববাজারে খাদ্যের দাম কমার সাথে সাথে বাংলাদেশেও খাদ্যশস্যের দাম কমেছে। বর্তমানে চালের দাম প্রতি কেজিতে ৫ থেকে ৭ টাকা কমেছে এবং আটার দাম সর্বনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। সরকার চালের বাজার মূল্য স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত বাজারদর মনিটরিং করে থাকে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close