কারাগারের বদলে দুই মাস যাবৎ হাসপাতালে যুবলীগ নেতা চপল

সুরমা টাইমস ডেস্ক:: সুনামগঞ্জে হাওরে বাঁধ নির্মাণে দুর্নীতির মামলায় গত ১৫ই আগস্ট গ্রেপ্তার হন জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক এবং শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি খায়রুল হুদা ওরফে চপল। মাত্র এক সপ্তাহ ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকার পরই ‘বুকে ব্যথার’ রোগী সাজিয়ে তাঁকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) নেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি সেখানেই আছেন।

খায়রুল হুদার বিরুদ্ধে হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে দুর্নীতির মাধ্যমে হাজার কোটি টাকার ফসলহানির অভিযোগে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা হয়। মামলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ১৫ কর্মকর্তাসহ বাঁধের কাজে জড়িত ৪৬ জন ঠিকাদারকে আসামি করা হয়।

এই মামলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের সুনামগঞ্জ কার্যালয়ের বরখাস্ত হওয়া সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আফছার উদ্দিন ও ঠিকাদার মো. বাচ্চু মিয়া জেলে আছেন। কিন্তু প্রায় দুই মাস হাসপাতালে আছেন খায়রুল হুদা। তিনি সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান নুরুল হুদার ছোট ভাই।

সাজাপ্রাপ্ত কয়েদিদের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে অন্য হাসপাতালে নেওয়ার সুপারিশ করেছেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের চিকিৎসক বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস।

বিপ্লব কান্তি বলেন, খায়রুল হুদার জন্য অনেক সুপারিশ থাকায় তাঁকে হাসপাতালে পাঠাতে বাধ্য হয়েছেন।

ঢাকার কারা উপমহাপরিদর্শক তৌহিদুল ইসলাম বলেন, কারাগারের চিকিৎসকের পরামর্শেই তাঁদের হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে চিকিৎসার পর দ্রুত কারাগারে ফেরত আনার ব্যাপারে নির্দেশনা রয়েছে। বিলম্ব হলে সেই দায় কেন্দ্রীয় কারা কর্তৃপক্ষের।

গত ১৫ই আগস্ট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পরদিন তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close