চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের দায়ে চাঁদাবাজ লুৎফুর বাহিনীর বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড।

নিজস্ব প্রতিনিধি:: চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের দায়ে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা চাঁদাবাজ লুৎফুর রহমানসহ তার ৪ সহযোগীকে আজ ৫ জুলাই বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন মহানগর যুগ্ম দায়রা জজ আদালত।
জানা যায়, আজ মহানগর যুগ্ম দায়রা জজ মোঃ ইয়াসির আরাফাত এয়ারপোর্ট থানার মামলা নং-৮ (৭/৯/১৫) দোষী সাব্যস্ত করে এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেছেন।
দন্ডপ্রাপ্ত চাঁদাবাজ ছাত্রলীগ নেতা লুৎফুর রহমানকে ৮ বছরের সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত করছে বিজ্ঞ আদালত।
১৮৬০/৩২৬ ধারায় ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড, ৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে ২ মাসের কারাদন্ড- এবং ১৮৬০/৩৮৫ ধারায় ৩ বছরের সশ্রম কারাদন্ড- ৩ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১ মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছে। মামলার অপর আসীমা নাজমুল ইসলাম রায়হান, পিতা নজরুল ইসলাম, সাং বড়শালা ১৮৬০/৩৮৫ ধারায় ৩ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও- ৩ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ১ মাসের কারাদন্ড- ও ১৮৬০/৩২৪ ধারায় ২ বছরের সশ্রম কারাদন্ড- ৩ হাজার টাকা জরিমান অনাদায়ে ১ মাসের কারাদন্ড-। আলম মিয়া, পিতা আব্দুল হান্নান চৌধুরী, সাং সালেহপুর, ১৮৬০/৩২৪ ধারায় ২ বছরের সশ্রম কারাদ- ৩ হাজার টাকা জরিমান অনাদায়ে ১ মাসের কারাদ-। ফরিদ মিয়া পিতা সোনা মিয়া, সাং-মুংলীপাড় ১৮৬০/৩৭৯ ধারায় ২ বছরের সশ্রম কারাদন্ড- ৩ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের কারাদন্ড- এবং জাবেদ পিতা আব্দুস শুকুর টেনাই, সাং সালেহপুর, ১৮৬০/৩৭৯ ধারায় ১ বছরের সশ্রম কারাদন্ড- ৩ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষে এ মামলা পরিচালনা করেন আদালতের এপিপি এডভোকেট সালমা সুলতানা এবং বাদী পক্ষে এডভোকেট সৈয়দ মহসীন, এডভোকেট জাহাঙ্গীর হোসেন ও এডভোকেট খোরশেদ আলম এবং আসামী পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এডভোকেট রেজাউল করিম, এডভোকেট শহীদুল ইসলাম শাহীন, এডভোকেট সন্তোষ, এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ৭ সেপ্টেম্বর দুপুরে চাঁদাবাজ লুৎফুর বাহিনী ব্যবসায়ী গণি মিয়ার উপর হামলা চালায়। এ ঘটনায় বাদী হয়ে তার ভাই আব্দুল কাহির এয়ারপোর্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close