যুবলীগ নেতা নয়ন হত্যা গ্রেপ্তার-০২…।

সুরমা টাাইমস ডেস্ক : রাঙামাটির স্থানীয় যুবলীগ নেতা নূরুল ইসলাম নয়নকে হত্যা ও মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় দুজনকে করেছে পুলিশ। ছিনতাই হওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধারে নৌবাহিনীর ডুবুরিরা খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় মাইনী নদীতে তল্লাশি চালাচ্ছেন বলে জেলার পুলিশ সুপার আলী আহমদ জানিয়েছেন।

দীঘিনালার থানার ওসি মো. শামসুদ্দিন বলেন, ‘বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে জুনেল চাকমা (৩২) ও রুনেল চাকমা (১৭) নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের দীঘিনালা থানায় রাখা হয়েছে। ‘ গ্রেপ্তার দুজনের দেওয়া তথ্যর ভিত্তিতেই মাইনী নদীতে তল্লাশি শুরু হয়েছে জানিয়ে ওসি বলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম সালাহউদ্দিনও অভিযানে অংশ নিচ্ছেন।

রাঙামাটির লংগদু সদর ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালানোর কাজ করতেন। গত ১ জুন খাগড়াছড়ি-দীঘিনালা সড়কের চার মাইল (কৃষি গবেষণা এলাকাসংলগ্ন) এলাকায় নয়নের লাশ পাওয়া যায়। এর জের ধরে পরদিন সকালে নয়নের লাশ নিয়ে মিছিল থেকে লংগদু উপজেলা সদরে পাহাড়িদের কয়েকটি গ্রামে হামলা ও কয়েক শ বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে লংগদু উপজেলা সদরে ১৪৪ ধারা জারি করে স্থানীয় প্রশাসন।

স্থানীয় বাংলাভাষীদের অনেকে নয়ন হত্যার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকে দায়ী করে এলেও সেই অভিযোগ তারা অস্বীকার করে। গ্রেপ্তার দুজনের মধ্যে জুনেলের বাড়ি রাঙামাটির লংগদুতে। আর রুনেলের বাড়ি খাগড়াছড়ির বাবুছড়ায়। পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সদস্যরা তাদের দুজনকে আটক করার পর থানায় নিয়ে যায়।

পুলিশ বলছে, জুনেলের সঙ্গে বাবুরাজ নামের আরেকজন সেদিন লংগদু থেকে খাগড়াছড়ি সদরে আসার জন্য নয়নের মোটরসাইকেল ভাড়া করে। পথে বাবুছড়া থেকে রুনেল তাদের সঙ্গে যোগ দেন। খাগড়াছড়ি সদর থেকে ফেরার সময় চারমাইল এলাকায় নয়নকে মারধর করে মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়া হয় ও পরে সেটি মাইনী নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে পুলিশ কর্মকর্তাদের ভাষ্য।

Sharing is caring!

Loading...
Open

Close