কানাইঘাটে পাগলা মহিষের তাণ্ডবে আহত জব্বা্র মিয়ার মূত্যু

কানাইঘাট প্রতিনিধি:সিলেটের কানাইঘাটে ভারতীয় পাগলা মহিষের তাণ্ডবে আহত জব্বার মিয়া চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আহত অবস্থায় সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ১১ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শনিবার বিকাল ৫ টার দিকে তিনি মারা যান। রোববার (২৬ মে) সকাল ১০ টায় উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউপি’র তার নিজ গ্রাম কান্দলা জামে মসজিদে জানাযা শেষে মহল্লার কবরস্থানে নিহত জব্বারকে দাফন করা হয়েছে।

গত ১৫ মে বুধবার ভোরে সীমান্তবর্তী সোনারখেওড় গ্রাম দিয়ে চোরাকারবারী কান্দলা গ্রামের জামাল আহমদ ও দিঘীরপাড় পূর্ব ইউপির দিঘীরপাড় গ্রামের কামাল আহমদের মালিকানাধীন একদল গরু-মহিষ বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এ সময় একটি মহিষ দল থেকে ছুটে এসে এলাকায় পাগলা দৌড়াদৌড়ি শুরু করে। মহিষটির তাণ্ডবে সোনারখেওড়, ডাউকেরগুল, কান্দলাসহ কয়েকটি গ্রামে আতংক ছড়িয়ে পড়ে।

এ সময় মহিষের গুতোয় গুরুতর আহত হন, বাংলাটিলা গ্রামের বাবুল আহমদ (৪০), তার ভাতিজি তানহা আক্তার (১১), ডাউকেরগুল ও কান্দলা গ্রামের জব্বার (৪৫), শামীম আহমদ (২৩), সুহানা বেগম (২৭), আব্দুশ শাকুর (২৮)। এদের মধ্যে নিহত জব্বার মিয়াসহ কয়েকজন সিলেট ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন।

পরে অনুসন্ধানে জানা যায় ঐ মহিষটি চোরা কারবারিদের আনা। লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউপির সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা দিয়ে প্রতিদিন চোরা কারবারীরা হাজার হাজার গরু-মহিষ ভারত থেকে নিয়ে আসছেন।

এসব গরু মহিষ লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউপি, দিঘীরপাড় ও সাতবাঁক ইউপির বিভিন্ন এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে আনা হয়। এতে অনেকের বাড়ির ফসল, ফসলী জমি, বাড়ীর আঙ্গিনা সহ গ্রামীণ রাস্তা-ঘাটের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হচ্ছে বলে এলাকার লোকজনরা জানিয়েছেন। এছাড়াও তারা জানান ভারত থেকে চোরাই পথে আনা এসব গরু মহিষকে মাদক খাওয়ানো হয় এবং মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক বিষাক্ত।

Sharing is caring!

Loading...
Open