সিলেট জেলা দুগ্ধ খামারটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে-নাইটগার্ড দিয়ে চলে দাপ্তরিক কাজ

আহমেদ শাকিলঃঃঅবহেলা অযত্নে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে সিলেট জেলা দুগ্ধ খামারটি।
স্বরজমিন ঘুরে দেখা যায় ,কর্মরতদের কর্তব্য অবহেলা ,অযত্নে প্রায় ধ্বংসের মুখে খামারটি।
নাইটগার্ড দিয়ে চলছে দাপ্তরিক কার্যক্রম।

খামার সূত্রে জানা গেছে,১৯৩০ সালে সিলেটবাসীকে পুষ্টি যোগাতে নগরীর টিলাগড়ে ৭০০ বিঘা জমির উপর গড়ে তোলা হয় একমাত্র সরকারি দুগ্ধ খামার।

কিছু দিন পূর্বে ৩১ একর জমি দখল করে নিয়েছে ওজে ট্রাস্ট নামক একটি প্রতিষ্টান। অজানা কারণে এদিকেও ভ্রুকেপ নেই কর্মরতদের। সুত্রমতে,বড় ধরনের ঘুষ গ্রহণের ফলে ৩১ একর নালিশা ভুমির ফাইলটি লালফিতায় বন্দী হয়ে হিমাগারে পড়ে আছে।

গরু সংকটের কারণে বর্তমানে খামারের বিশাল জায়গা অব্যবহৃতভাবে পড়ে আছে।
খামারের উন্নয়ন নিয়েও কর্তৃপক্ষের কোনো মাথা ব্যথা নেই।

এখানে কর্মরত কর্মকর্তারা বেশির ভাগ সময় নানা অজুহাতে ছুটিতে থাকেন বলে একাধিক ভুক্তভোগী জানিয়েছেন।

এ খামারে চারশ’ পঞ্চাশটি গবাদি পশু পালনের সুযোগ সুবিধা থাকলেও নানা কারনে খামারে গবাদি পশু সংখ্যা অত্যান্ত নগন্য ।গাভি সংকটের কারণে গ্রাহক চাহিদা মেটাতে পারছে না খামারটি এমন দাবী কর্তৃপক্ষের।

কিন্তু স্থানীয়রা অভিযোগ কাগজে পত্রে ২৪০লিটার দুধ বিক্রি হলেও প্রতি দিন কমপক্ষে ৩৫০ লিটার দুধ বিক্রয় করা হয়। প্রতিবছর গাভিগুলো বাছুর দিলেও নানা অজুহাতে খামার কর্তৃপক্ষ তা বিক্রি করে দেন।

এতে খামারে গাভির সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে না। খামারে প্রতিদিন ২৪০লিটার দুধ তালিকা ভুক্ত ৬শ গ্রাহকের মধ্যে বিক্রি করা হয়। গ্রাহকরা জানিয়েছেন, চাহিদার এক চর্তুথাংশ দুধ সরবরাহ না করে বাকী দুগ্ধ অবৈধ ভাবে বিক্রি করে খামার কর্তৃপক্ষ।

দুধের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হওয়ার ফলে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেক সময় গ্রাহকদের খালি হাতে ফিরে যেতে হয়। শুধু তাই নয়, খামার হতে বিনামূল্যে ঘাসের কাটিং বিতরনের কথা থাকলেও খামারীদের কাছ থেকে ঘাসের কাটিং ,জৈব স্যার, গোবর স্যার, প্রয়োজনীয় ঔষধ পত্র বিতরনসহ নানা অজুহাতে উৎকোচ গ্রহন করেন দুগ্ধ খামারে কর্মরতরা।

শুধু তাই নয় ,খামারের উন্নয়নের নামে একাধিক প্রজেক্টের টাকা আত্বসাতের অভিযোগও রয়েছে।
এ ব্যাপারে দুগ্ধ খামারের ডি ডি আবুল কাশেমের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই, দুগ্ধ খামারের সহকারি পরিচালকের সাথে যোগাযোগ করুন উনি ভালো বলতে পারবেন।

সহকারি পরিচালক কামরুজ্জামানের সাথে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি জানান,এই ঘটনা আরো আগে থেকেই চলতেছে,এখন কার্যক্রম নাই বললেই চলে, শুনছি ওবায়দুল জায়গিরদার নামক জৈনক লোক ৩১ একর ভূমি দখল করে নিয়েছে। এর চেয়ে বেশি কিছু আমি জানিনা।

Sharing is caring!

Loading...
Open