এপার বাংলার লেখক মোহাম্মদ মোশতাক চৌধুরী ওপার বাংলায় সংবর্ধিত

জৈন্তিয়া ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি, হাজী আব্দুল হক চৌধুরী-মস্তফা খাতুন ট্রাস্ট ও গ্রীন প্লান সিলেট এর চেয়ারম্যান এবং সাহিত্যের ছোট কাগজ সিলেটের দর্পণ সম্পাদক, লেখক, গবেষক, শিক্ষানুরাগী মোহাম্মদ মোশতাক চৌধুরী ভ্রমণ পিপাসু শিকড় সন্ধানী লেখক। তিনি বিগত কয়েক বছর থেকে ভারতের কলকাতা সহ আসাম প্রদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়মিত আসা যাওয়া করছেন। সেখানকার কবি-সাহিত্যিক, সাংবাদিক, শিক্ষাবিদ ও সংগঠকদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে সংবর্ধিত হচ্ছেন।

তারই ধারাবাহিকতায় গত ২৭ এপ্রিল করিমগঞ্জের স্বপ্নীল বহুমুখী বিদ্যালয়ে অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুজিবুর রহমান চৌধুরীর ব্যবস্হাপনায় ও বদরপুর আল ইসলাহ একাডেমিতে একাডেমির সেক্রেটারী মো. শাহজাহানের উদ্যোগে পৃথক পৃথক সংবর্ধনা ও মতবিনিময়। ২৮ এপ্রিল শিলচরের একটি কলেজের প্রভাষক ডক্টর শ্যাম মাহমুদ সস্ত্রীক উত্তরীয় পরিয়ে দেন। ২৯ এপ্রিল আসাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে আড্ডা ও ভিসি মহোদয়ের সাথে সাক্ষাৎ। এবং বদরপুর নবীন চন্দ্র কলেজের প্রিন্সিপালের সাথে মতবিনিময় ও বই আদান প্রদান।

৩০ এপ্রিল বদরপুর প্রেসক্লাব আয়োজিত সংবর্ধনা। এসব সংবর্ধনা পরবর্তী দেশে এসে এক অভ্যর্থনার জবাবে মোশতাক চৌধুরী বলেন- ওপার বাংলার কবি সাহিত্যিকরা তাৎক্ষনিক সংবর্ধনায় যেভাবে আমাকে ফুল দিয়ে ও উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে ও বই উপহার দিয়ে যে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ করলো তাতে আমি আবেগে আপ্লুত। সেখানকার কৃষ্টি-কালচার, ভাষা ও সংস্কৃতি আমাদের সিলেটের থেকে কোনো অংশে কম না। এবং তাদের মিডিয়ার তৎপরতা চোখে পড়ার মতো কারণ আমার মত নগন্যের সংবর্ধনার সবকটি নিউজ তাদের স্হানীয় প্রায় সকল পত্রিকায় খুবই গুরুত্ব সহকারে প্রকাশ করেছে।

জৈন্তিয়া ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি গবেষক মোহাম্মদ মোশতাক চৌধুরী ৫ দিনের ভারত সফর শেষে দেশে আসলে একটি ঘরোয়া আড্ডায় তাকে অভ্যর্থনা জানান প্রতিভাত সাহিত্য পরিষদের সভাপতি ও গ্রীন প্লান সিলেট এর সেক্রেটারী কবি এম. আলী হোসাইন, জৈন্তিয়া ইতিহাস-ঐতিহ্য সংরক্ষণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক কবি মো. আলমগীর চৌধুরী প্রমুখ।বিজ্ঞপ্তি

Sharing is caring!

Loading...
Open