সরকারী আদেশ না নিয়েই হবিগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের ক্যাশিয়ার ইন্ডিয়া সফরে

নিজস্ব প্রতিনিধি: সরকারী আদেশ না নিয়েই হবিগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের ক্যাশিয়ার ইন্ডিয়া সফর গেছেন। যার ফলে ঠিকাদারগণ তাদের বিভিন্ন কাজের বিলের চেক না পাওয়ায় চলমান বিভিন্ন সরকারী উন্নয়ন ও মেরামত কাজে মারাত্মকভাবে ব্যাঘাত দেখা দিয়েছে। প্রায় এক সপ্তাহ ধরে ঠিকাদারগণ তাদের কাজের বিলের চেক না পাওয়ায় কাজ বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।

সুত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগে কর্মরত ক্যাশিয়ার নুরুল হক কামাল ৪ দিনের নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন দিয়ে গত ১১ এপ্রিল থেকে কর্মরত অফিসে অনুপস্থিত রয়েছেন। ঐ বিভাগের সরকারী বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ সম্পাদনে নিয়োজিত ঠিকাদারগণ অফিসে গিয়ে তাদের বিভিন্ন বিল ভাউচারের চেক না পাওয়ায় তাদের কাজে মারাত্বক ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ক্যাশিয়ার কামাল তার এক আত্মীয়ের বিয়ের কথা বলে অফিস থেকে ৪ দিনের সাধারণ ছুটি নিলেও সরকারীভাবে কোন রকম বর্হিগমন আদেশ না নিয়ে ইন্ডিয়া বেড়াতে চলে যান। যা চাকুরীর বিধিমালাআইন পরিপন্থি বলে জানা যায়।

বিষয়টি নিয়ে ঐ অফিসে নিয়োজিত ঠিকাদারদের মাঝে দেখা দিয়েছে মারাত্মক অসন্তোষ। ক্যাশিয়ার নুরুল হক কামাল প্রায় ৩ মাস পুর্বে সরকারীভাবে ইন্ডিয়া সফরের ১৫ দিনের ছুটি নিয়ে গেলেও তার কাছে রক্ষিত অফিসিয়াল কোন চার্জ কাউকে না দিয়েই সফরে চলে যাওয়ায় এ নিয়ে বেশ প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল। সরকারী বিধিমালায় কোন কর্মচারী দেশ ত্যাগ করলে তার হাতে রক্ষিত দায়িত্ব হস্তান্তর করে যাওয়ার নিয়ম থাকলেও এহেন সরকারী বিধি পরিপন্থী কাজ করায় অনেকেই তা নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন বলে জানা গেছে।

অনেকেই তা বলাবলি করছেন যে ক্যাশিয়ারের কাছে কি এমন অফিসিয়াল গোপন তথ্য আছে যে দায়িত্ব হস্তান্তর করতে ভয় পায়। এছাড়া ক্যাশিয়ার কামাল আিফসের বিভিন্ন ঠিকাদার ও কর্মচারীর সাথে প্রায়ই অশোভন আচরন করেন বলেও জানা গেছে।

এভাবে ক্যাশিয়ার কামাল সরকারী নিয়মের প্রতি কোন তোয়াক্কা না করে বিদেশ সফর করার বিষয়ে জানতে চাইলে হবিগঞ্জ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সাদ মোহাম্মদ আন্দালিব বলেন, আমার জানামতে ক্যাশিযার ছুটি নিয়েই ভারতে গেছেন।

Sharing is caring!

Loading...
Open