বিশ্বনাথে পুলিশ অ্যাসল্ট মামলায় মাজারের খাদেম গ্রেফতার

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি :: দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকার পর অবশেষে পুলিশ অ্যাসল্ট মামলার প্রধান আশিক নুরকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে সিলেটের বিশ্বনাথ থানা পুলিশ। আশিক উপজেলার নুধার পূর্বপাড়া (ভিন্নারটেক) গ্রামের মৃত আহমদ আলী ওরফে ছাবাল শাহ’র ছেলে এবং ছাবাল শাহার মাজারের কর্তা।

বৃহষ্পতিবার (১১ই এপ্রিল) ভোরে কোম্পানীগঞ্জ থানা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার কারর পর বিকেলে বিশ্বনাথ থানায় হাজির করা হয়। এরআগে একই মামলায় জাকির ও কয়ছর নামে আরও দু’জনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। তবে, ওই মামলার প্রধান আসামী পুলিশের সোর্স সুহেল মিয়াকে এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

প্রসঙ্গত, নওধার পূর্ব পাড়ারয় ছাবাল শাহ্র মাজারকে ঘিরে নারী ব্যবসাসহ নানা অপরাধ দমাতে ছাবাল শাহর কলেজে পড়ুয়া মেয়ে তাসলিমা বেগম থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দেওয়া অভিযোগপত্রটি ২০১৯ সালের ১০ জানুয়ারি আমলে নিয়ে মামলা রেকর্ড করে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ, (মামলা নং ৯)। মামলার প্রধান আাসমি সুহেলকে গ্রেপ্তার করতে সাদাপোষাকে ৩জন কনস্টেবল নিয়ে ওইদিন সন্ধ্যায় বৈারগী বাজারে যান এসআই সবুজ কুকামর নাইডু। সুহেলকে গ্রেপ্তারের একপর্যায়ে সুহেলের ভাইসহ তার সহযোগীরা পুলিশকে পিটিয়ে আহত করে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই এসআই সবুজ কুমার নাইডু বাদী হয়ে সুহেলকে প্রধান আসামিসহ ১৫জনের নাম উল্লেখ করে আরও ১৬জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি রেখে থানায় পুলিশ অ্যাসল্ট মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নং ১০)।

এব্যাপারে ওসি শামসুদ্দোহা পিপিএম ও মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই দেবাশীষ শর্ম্মা বলেন, অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে এবং গ্রেপ্তার হওয়া আশিক নুরকে শুক্রবার আদালতে পাঠানো হবে।

Sharing is caring!

Loading...
Open