এক মেয়ের মোবাইল নম্বরের জন্য বন্ধুকে হত্যা করে ইমন

সুরমা টাইমস ডেস্ক:: ফেনী সদর উপজেলার মাথিয়ারা থেকে নিখোঁজের ৭দিন পর স্কুলছাত্র শুভ’র লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ইসমাঈল হোসেন ইমন (১৪) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে।

মঙ্গলবার ফেনী সদর আমলি আদালতের বিচারক সিনিয়র জুড়িসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইনের আদালতে ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। নিহত শুভ ও আসামি ইমন দু’জনই স্থানীয় মাদার কেয়ার ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ৩১ মার্চ বিকেলে নিখোঁজ হয় হয় দক্ষিণ কাশিমপুর এলাকার সৌদি প্রবাসী ইমাম হোসেনের ছেলে আরাফাত হোসেন শুভ (১৪)। ঘটনার ৭ দিন পর মাথিয়ারা এলাকার একটি ডোবা থেকে পুলিশ অর্ধগলিত অবস্থায় শুভর লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় বাদী হয়ে নিহত শুভর মা খাদিজা বেগম থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ শুভর সহপাঠী ইসমাঈল হোসেন ইমনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। ফেনী সদর আমলি আদালতে সমর্পণ করা হলে ইমন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। জবানবন্দিতে ইমন জানান, ৩০ মার্চ একটি মেয়ের মোবাইল নম্বর নিয়ে ইমনের সঙ্গে শুভর বাকবিতণ্ডা হয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্দ হয়ে ৩১ মার্চ বিকেলে শুভকে বাড়ি থেকে ডেকে আনে ইমন। পরে তারা দু’জনে তেমুহনী বাজারের ডেন্টাল গলিতে বসে ইউটিউবে বিভিন্ন ভিডিও দেখে। বিকেল ৪/৫ টার দিকে ইমন তার সহপাঠী শুভকে কৌশলে পার্শ্ববর্তী কলাবাগানে নিয়ে ছুরি দিয়ে গলা ও শরীরের বিভিন্নস্থানে কেটে হত্যা করে। গ্রেফতারকৃত ইমন মধ্যম মাথিয়ারা গ্রামের কামাল উদ্দিনের ছেলে। ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত ইমনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

ফেনী মডেল থানা পুলিশের ওসি তদন্ত সাজেদুল ইসলাম জানান, শুভকে নিজ হাতে তার সহপাঠী ইমন খুন করেছে বলে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

Sharing is caring!

Loading...
Open