ঈশ্বরচিন্তা যত করবে ততই সংসারে ভোগের আসক্তি কমবে -স্বামী শিবানন্দ

শ্রীশ্রী ঠাকুরবাণী বংশের দশম পুরুষ শ্রীমৎ স্বামী শিবানন্দ বাবা বলেন, মাথা ব্যথার কারণে ১২৩ বছর বয়সে এসে প্রথম চেক-আপ করার পরও কোনো রোগ ধরা পড়েনি স্বামী শিবানন্দের! এ বয়সেও তার কোনো শারীরিক সমস্যা নেই। এ বয়সে এসে তিনি প্রথম জানলেন মাথা ব্যথা কাকে বলে। আর সেজন্যই জীবনে প্রথম চেক-আপ করাতে গেলেন হাসপাতালে। কিন্তু সামান্য হাইপ্রেসার ছাড়া আর তেমন কোনো সমস্যা দেখলেন না চিকিৎসকেরা। ১২৩ বছরের স্বামী শিবানন্দের জন্মের আগের বছরই আবিষ্কার হয় এক্স-রে মেশিন। অথচ এতোদিন তার তা দরকার পড়েনি।

তাহলে এ সুস্বাস্থ্যের রহস্য কি? টাইমস অফ ইন্ডিয়ায় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী তার ভক্তরা জানান, প্রতিদিন কাঁচা মরিচের ভর্তা খান শিবানন্দ। সঙ্গে সিদ্ধ খাবার। অবশ্য প্রতিদিন নিয়ম করে শরীরচর্চা করেন তিনি। পাসপোর্ট অনুযায়ী বয়স ১২৩ হলেও দেখে তা বোঝার উপায় নেই। তার স্বাস্থ্য দেখে ডাক্তার-নার্সদেরও চোখও কপালে। এমনকি ডাক্তারদের সর্বাঙ্গাসন করে দেখিয়ে তাক লাগিয়ে দেন তিনি।

১৮৯৬ সালে ৮ আগস্ট বেহালায় জন্মগ্রহণ করেন শিবানন্দ। তিনিও বিশ্বের প্রবীনতম ব্যক্তি। কারণ জাপানের যে প্রবীনতম ব্যক্তির নাম গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে রয়েছে তার থেকে পাঁচ বছরের বড় বাবা শিবানন্দ। বর্তমানে বারাণসীতেই থাকেন তিনি। তবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ঘুরে বেড়ান।

সমস্যা নিয়ে কথা বলতে চাইলেই সময় দেন তিনি। এক ভক্তের দেওয়া ৬০০ স্কয়ার ফুটের ফ্ল্যাটে মাদুরে শুয়েই দিন কাটান তিনি। প্রত্যেকদিন দুই ঘণ্টা যোগা করেন। বাকি সময় বই পড়েন ও ধর্ম নির্বিশেষে সব ভক্তের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি রবিবার বিকালে সিলেট নগরীর করের পাড়াস্থ শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রক্ষচারী বাবার মন্দিরে ভক্তদের উদ্যোশে উপরুক্ত কথাগুলো বলেন। এসময় শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রক্ষচারী বাবার মন্দিরে পক্ষে থেকে ফুল দিয়ে বরণ করেন স্বামী শিবানন্দ বাবাকে ভক্তবৃন্দরা। উপস্থিত হাজার হাজার ভক্ত ও লোকনাথ ব্রক্ষচারী মন্দিরের সকল কমিটির নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। -বিজ্ঞপ্তি

Sharing is caring!

Loading...
Open