নগরীর কিশোরী মোহন কেন্দ্রে দেরীতে প্রশ্নপত্র দেয়ার অভিযোগে তোলপাড়,২ জনকে অব্যাহতি

সুরমা টাইমস ডেস্ক:: এসএসসি’র গণিত পরীক্ষায় নগরীর কিশোরী মোহন কেন্দ্রে ১০ মিনিট দেরীতে প্রশ্নপত্র দেয়ার অভিযোগে তোলপাড় শুরু । এ ঘটনায় ভ্যেনু সচিব ও হল সুপারকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে সিলেট শিক্ষা বোর্ড ও জেলা প্রশাসন পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সিলেট শিক্ষাবোর্ডের অধীনে গত শনিবার অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে নগরীর কিশোরী মোহন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ৫টি কক্ষে শিক্ষার্থীদের কাছে ১০ মিনিট দেরীতে প্রশ্নপত্র দেয়ার অভিযোগ করেন সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

এ ব্যাপারে তারা সিলেটের জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ পত্রে তারা আরো উল্লেখ করেন, হিজাব পরিধান করা শিক্ষার্থীদের কান বাহির করে রাখা ও টাই খোলার নির্দেশ দেয়ায় পরীক্ষার্থীরা বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়।

এমনকি, পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়োজিত শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। দেরীতে প্রশ্নপত্র দেয়ায় এ কেন্দ্রের ১৪, ১৭, ১৮, ১৯ এবং ২০ নং কক্ষের শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র বিশেষভাবে মূল্যায়নের দাবী জানান সংশ্লিষ্ট অভিভাবকরা।

সিলেট শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো: কবির আহমদ জানান, তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে কলেজ পরিদর্শককে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। ৩ কর্ম দিবসের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এ ঘটনায় ভ্যেনু সচিব কিশোরী মোহন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও হল সুপারকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অভিযুক্ত শিক্ষকরা গত রোববার সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন। বিষয়টি তদন্তের জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। সোমবার তদন্ত শেষে মঙ্গলবার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবে কমিটি।

তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো: আসলাম উদ্দিন জানান, প্রতিবেদন পেলেই এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ব্যাপারে কিশোরী মোহন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কেন্দ্র সচিব ও এইডেড উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শমসের আলীর সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

Sharing is caring!

Loading...
Open