কপাল পুড়তে পারে মাহমুদ-উস সামাদ কয়েসের


সিরমা টাইমস ডেস্ক :: আওয়ামী লীগের ভেতরের একটি অংশ থেকে অনেকদিন থেকে সিলেট-৩ আসনের বর্তমান সাংসদকে এবার আর দলীয় মনোনয়ন না দেওয়ার দাবি জানানো হচ্ছিলো। এই আসনে কয়েসকে সরিয়ে দলীয় মনোনয়ন পেতে মাঠে তৎপর ছিলেন আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সত্যি সত্যিই কপাল পুড়তে পারে মাহমুদ-উস সামাদ কয়েসের। আসন্ন নির্বাচনে তাঁর দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবে আওয়ামী লীগের অন্য কোনো নেতাও সিলেট-৩ আসনে দলীয় মনোনয়ন পাচ্ছেন না। এই আসনটি মহাজোটের অন্য শরীক জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ।
জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আতিকুর রহমান এ আসনে মহাজোটের প্রার্থী হতে পারেন বলে জানা গেছে।
এআরগে ২০০৮ সালে সিলেট-৩ আসনে থেকে মাহমুদুস সামাদ কয়েস ও আতিকুর রহমান দু’জনই প্রার্থী হন। সেবার আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি জোটগতভাবে নির্বাচন করলেও এই আসনটি উন্মুক্ত রেখে দেয় দুই দল। সে নির্বাচনে প্রথমবারের মতো সাংসদ নির্বাচিত হন কয়েস।
গত নির্বাচনে হবিগঞ্জের একটি আসনে প্রার্থী হয়ে পরাজিত হন আতিকুর রহমান। এবার আবার তিনি সিলেট-৩ আসনের জন্য দলীয় মনোনয়ন কেনেন।
এই আসনটি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
এই আসনের বর্তমান সাংসদ মাহমুদুস সামাদ কয়েসের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই মাঠে সক্রিয় রয়েছে তাঁর দলেরই একটি অংশ। দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ সিরাজও এই আসনের প্রার্থী হতে মনোনয়ন কিনেছেন। সাংসদ থাকাকালেই কয়েসের বিরুদ্ধে মিছিল, সংবাদ সম্মেলন করে বিভিন্ন অভিযোগ এনেছেন দলীয় নেতারা। ফলে এই আসনে কে হন আওয়ামী লীগের প্রার্থী এ নিয়ে জল্পনা কল্পনা ছিলো।
এই আসনে কয়েস, মিসবাহ সিরাজ ছাড়াও আ. লীগের দলীয় মনোনয়ন কিনেছেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা চেয়ারম্যান আবু জাহেদ, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ নেতা হাবিব হোসেন, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাছিত টুটুল, এআর সেলিম, শাহ মুজিবুর রহমান জকন ও মনির হোসাইন।
বিএনপির মনোনয়ন কিনেছেন সাবেক সাংসদ শফি আহমদ চৌধুরী, কাইয়ুম চৌধুরী ও ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম।
আর জাতীয় পার্টির মনোনয়ন কিনেছেন আতিকুর রহমান, সিলেট-২আসনের বর্তমান সাংসদ ইয়াহইয়া চৌধুরী এহিয়া, উসমান আলী,তোফায়েল আহমদ ।
বুধবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সাক্ষাতকার নেন দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা। এতে সিলেটের ৬টি আসনেরও প্রার্থী চুড়ান্ত করা হয় বলে জানা গেছে।

Sharing is caring!

Loading...
Open