নগরীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত রাফিয়ার দাফন সম্পন্ন, কায়সানের শুক্রবার

নিজস্ব প্রতিবেদক:: সিলেট বিমানবন্দর সড়কের লাক্কাতুরায় তেলবাহী লরির চাপায় নিহত দম্পতির ময়নাতদন্ত শেষ হয়েছে। দু’জনের মধ্যে ব্যবসায়ী কায়সান ইসলাম চৌধুরীর মরদেহ সিলেট ডায়াবেটিক হাসপাতালের মরচুয়ারিতে রাখা হয়েছে।

তাঁর স্ত্রী রাফিয়া সুলতানার মরদেহ গতকাল মঙ্গলবার রাতে তার বাবার বাড়িতে দাফন করা হয়েছে। আহত তাদের দুই সন্তানের মধ্যে মেয়ে এখনও সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেঝ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আর ছেলেকে তার নানীর কাছে দেয়া হয়েছে। তাদের অবস্থা আগের চেয়ে কিছুটা ভাল।

কায়সান ইসলাম চৌধুরীর মরদেহ আগামী শুক্রবার সকাল ১০ টায় গোলাপগঞ্জে তাঁর গ্রামের বাড়িতে জানাযা শেষে দাফন করা হবে। আমেরিকা ও ইংল্যান্ড থেকে তার স্বজনরা দেশে ফিরলে তাকে দাফন করা হবে।

নিহত কায়সান চৌধুরীর বোন মানবাধিকার কর্মী রত্না বেগম জানিয়েছেন, নিহত রাফিয়া সুলতানার বাবার বাড়ির লোকজন তাদের মেয়েকে নিজেদের বাড়িতে দাফনের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাই গতকাল মঙ্গলবার রাতেই দাফন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমাদের আত্মীয় স্বজনরা মৃত্যু সংবাদ পেয়ে দেশে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাই এখনও কায়সানের মরদেহ দাফন করা হয়নি। ডায়বেটিক হাসপাতালের মরচুয়ারিতে রয়েছে। আগামী শুক্রবার সকাল ১০ টায় গোলাপগঞ্জের ভাদেশ্বরে গ্রামের বাড়িতে তার মরদেহ দাফন করা করা হবে।’

বুধবার দুপুরে নগরীর কাস্টঘরে কায়সান চৌধুরীর বাসায় গেলে সেখানে নিহত দম্পতির স্বজনরা জানিয়েছেন, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত দম্পতির সন্তান মেহনাজ চৌধুরী (৮) ও শেহজাদ আহমদ চৌধুরী (৫) এখন আগের চেয়ে কিছুটা সুস্থ আছে। মাকে দাফনের পূর্বে মেয়ে মেহনাজকে মরদেহ দেখানো হয়েছে। সে বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। আর শেহজাদকে হাসপাতাল থেকে নানীর কাছে দেয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সিলেট নগরীর কাস্টঘর এলাকার ভাদেশ্বর হাউসের বাসিন্দা কায়সান ইসলাম চৌধুরী ও রাফিয়া সুলতানা গত সোমবার সন্ধ্যায় লাক্কাতুরায় ট্যাংকলরির নিচে চাপা পড়ে মারা যান। তারা সিএনজি অটোরিক্সাযোগে অ্যাডভেঞ্চার ওয়ার্ল্ড থেকে বাসায় ফিরছিলেন।

দুর্ঘটনায় তাদের দুই সন্তান ও আহত হয়। তাদের গ্রামের বাড়ি গোলাপগঞ্জ উপজেলার ভাদেশ্বর পশ্চিমবাগে। পুলিশ ট্যাংকলরির চালককে আটক করেছে।

এ দুর্ঘটনায় এখনও কোন মামলা হয়নি।

Sharing is caring!

Loading...
Open