জকিগঞ্জের কুখ্যাত মাদক সম্রাট বদই কারাগারে

জকিগঞ্জ প্রতিনিধি :: জকিগঞ্জের কুখ্যাত মাদক সম্রাট সীমান্তের ত্রাস বদরুল ইসলাম বদই (৪০)কে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। গত রবিবার রাতে জকিগঞ্জ থানার এসআই কল্লোল গোম্বামী গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাবুর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে বদরুল ইসলাম বদইকে গ্রেপ্তার করেন। সে জকিগঞ্জ সদর ইউনিয়নের সেনাপতিরচক গ্রামের মৃত আব্দুশ শুক্কুরের ছেলে। সোমবার তাকে জকিগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়্যাল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রেরণ করলে বিজ্ঞ বিচারক জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। পুলিশ সূত্র জানায়, তার বিরুদ্ধে জকিগঞ্জ থানাসহ সিলেটের বিভিন্ন থানায় মাদক নিয়ন্ত্রন আইনের বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। একটি মামলায় কিছুদিন সাজাভোগ করে পরে আপিলে বেরিয়ে এসেছে। অন্য মাদক মামলাগুলো আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এদিকে এলাকার লোকজন স্বস্থি প্রকাশ করে জানিয়েছেন, জৈনক দুই জনপ্রতিনিধির শেল্টারে মাদক ব্যবসায়ী বদই ও তার ভাই আব্দুর রহমান সীমান্তের ত্রাস হয়ে এলাকায় মাদকের আস্তানা গড়ে তুলেছিলো। র্দীঘদিন থেকে তারা দুইভাই মাদকসহ ভারতের চোরাকারবারীদের সাথে বিভিন্ন ধরণের অস্ত্র ব্যবসায় জড়িত রয়েছে। দুজনের বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা থাকার পরও তারা ছিলেন বেপরোয়া। তাদের অবৈধ ব্যবসার বিরুদ্ধে কারো কথা বলার সাহস নেই। এলাকার ছাত্র ও যুব সমাজকে ধংস করেছেন দুই ভাই। অভিযোগ রয়েছে, তারা আইন শৃংখলা বাহিনীর পোশাক পরে অন্য চোরাকারবারীদের মালামাল ছিনতাইসহ বহু অপকর্মে জড়িত থাকার। আইন শৃংখলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকার মাদক বিভিন্ন কায়দায় সিলেট জেলা শহরসহ আশপাশ উপজেলায় পাচার করে। এলাকাবাসী জকিগঞ্জ থানার ওসি হাবিবুর রহমান হাওলাদার ও এসআই কল্লোল গোম্বামীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বদইর ভাই মাদক ব্যবসায়ী আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দাবী জানিয়েছেন। জকিগঞ্জ থানার ওসি হাবিবুর রহমান হাওলাদার জানান, এই কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে জকিগঞ্জ থানায় মামলা রয়েছে। গত ২৪ জুলাই গভীর রাতে সে ভারত থেকে ৩ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকার ফেন্সিডিল বাংলাদেশে আনার সময় পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাদকসহ দুজনকে আটক করে কিন্তু বদইসহ অপর আরেক ব্যবসায়ী পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে। এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদক ব্যবসার সাথে যারা জড়িত রয়েছেন তাদেরকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

Sharing is caring!

Loading...
Open