জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌরীন করিম’র সাফল্যে……..

নিজস্ব প্রতিবেদক:: সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌরীন করিম’র সাফল্যের এক বছর অতিবাহিত হয়েছে। কর্মজীবনে তিনি ২০১১ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার কর্মকতা পদে কর্মরত ছিলেন। এর পর ২০১৪ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তিনি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভুমি) কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষে তিনি সিলেটের ডিসি অফিসে জুলাই-২০১৭ থেকে সেপ্টেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর পদে কর্মরত থেকে সফল কর্মকর্তা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়ে ২০১৭ সালের ১২ই সেপ্টেম্বর জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে জেলা প্রশাসকদ্বয়ের নির্দেশনা মোতাবেক জৈন্তাপুর উপজেলাকে একটি অত্যাধুনিক মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সর্ব ক্ষেত্রেই রয়েছে এই নারী (ইউএনওর ) পদচারণা।প্রথমেই তিনি নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে কাজ শুরু করেন। সরকারের দেয়া প্রতিশ্রুতি পালনে তিনি কখনো পিছু পা হননি। শুরু করেন বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ,বিবাহ বিচ্ছেদ ও স্বামী পরিত্যাক্তা নারীদের নিয়ে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা। তাদের আতœকর্মস্থানের জন্য বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করেন তিনি।নদী ও খালে অবৈধ বাধ অপসারণ,অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ,সকল মাধ্যমিক বিদ্যাললে ডিজিটাল এটেনডেস সিস্টেম চালু, প্রাথমিক বিদ্যালয় গুলোতে মিট ডে মিল চালু, ঝড়ে পড়া পাথর শ্রমিক শিশুদের জন্য শিলকুড়ি শিশু নিকেতন বিদ্যালয় স্থাপন, উপজেলা হেল্প ডেস্ক সিস্টেম চালু, মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ ও ক্রীড়াসামগ্রী বিতরণ,মুক্তিযোদ্ধা কর্নার স্থাপন, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্পের শতভাগ ঋৃণ প্রদান ও সঞ্চয় আদায় ,শিশুদের মাঝে স্কুল ড্রেস বিতরণ,ফরমালিন মুক্ত মাছ বাজার গড়ে তোলা, কেজি দরে মাছ বিক্রি প্রথা চালু,দীর্ঘদিনের অবহেলিত রাস্তা সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহন ও উপজেলা পরিষদ চত্বরকে সুসজ্জিত করতে জৈন্তাপুরে সেরা পোর্টালের দপ্তর,সিলেট বিভাগের মধ্যে অন্যতম ম্যুরাল তৈরী,লালাখালে শুক সারিঘাট তৈরী,উপজেলা সৌন্দর্য্য বর্ধনমূলক কাজ,শিশু কুঞ্জ (শিশু পার্ক) নির্মাণ,পুকুর ঘাটের সৌন্দর্য করণে সংস্করণ,উপজেলা পরিষদ গ্রন্থাগার নির্মাণ,কমিউনিটি ওয়াশব্লক স্থাপন,সুষ্ঠভাবে চা শ্রমিক নির্বাচন, আশ্রয়ণ প্রকল্প স্থাপন,আইন শৃঙ্গলা রক্ষায় নিয়োমিত মোবাইল কোর্ট পরিচালন কাজের উদ্যোগ গ্রহনসহ আরো নানাবিধ উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড অব্যাহত রেখেছেন। কর্মজীবনে তিনি অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন,২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এ টু আই প্রোগ্রাম’র থেকে সেরা নারী কর্মকর্তার পুরস্কার অর্জন করেন,২০১৬ সালে জেলা প্রশাসন কর্তৃক সিলেট বিভাগের সেরা এসিল্যান্ড পুরস্কার অজর্নন করেন, ২০১৮ সালে তিনি সিলেট বিভাগের সেরা পোর্টাল দপ্তর নির্বাচিত হন । তিনি সকলের সহযোগিতা নিয়ে জৈন্তাপুর উপজেলার অসমাপ্ত কাজগুলো সমাপ্ত করতে চান বলে দৃঢ প্রত্যয় ব্যাক্ত করেন।

Sharing is caring!

Loading...
Open