সিলেটে অবস্থান না করেও পুলিশের মামলার আসামী বিএনপি নেতা সাদেক…….!

নিজস্ব প্রতিবেদক::     সিলেট নগরীর যতরপুরে জেলা বিএনপির সভাপিত আবুল কাহের শামীমের বাসার সামনে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে কোতোয়ালী থানায় এসআই কৃষ্ণপদ রায় বাদী হয়ে করা এই মামলায় আসামী করা হয়েছে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ৫৫ নেতাকর্মীকে।

এই মামলায় আসামী হয়েছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারাও। আসামীর তালিকায় রয়েছেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের শামীম, মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কাহির চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রব ফয়সল, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজমল বক্ত চৌধুরী সাদেক, জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরীসহ নেতৃবৃন্দ।

কিন্তু এদিন সিলেটে অবস্থান না করেও এই মামলার আসামী হয়েছেন মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজমল বক্ত চৌধুরী সাদেক।

জানা গেছে- ঘটনার দিন রবিবার তিনি ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে দুপুর ১২টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রোগ্রামে ছিলেন তিনি। সেখানে সিলেট মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী নাজনীন হোসেন, আসমা কামরান এবং সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র শাহানা খানমও ছিলেন।

ঢাকায় অবস্থান করার পরও সাদেককে মামলায় আসামী করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঐ প্রোগ্রামে সিলেট মহিলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের সাথে সাদেকের তোলা ছবি দিয়ে ক্ষোভ ঝাড়ছেন তারা।

প্রসঙ্গত, রবিবার সন্ধ্যায় নগরীর সোবহানীঘাট যতরপুর এলাকায় জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের শামীমের বাসা থেকে জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এখলাছুর রহমান মুন্নাসহ ৮ জনকে আটক করে পুলিশ। তিনটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়।

ঘটনার পর ওসি মোশাররফ গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘আবুল কাহের শামীমের বাসার সামনে ছাত্রদল নেতাকর্মীরা জড়ো হচ্ছে দেখে পুলিশের টহল দল সেখানে যায়। তখন নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর চড়াও হয়। তারা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। পুলিশের ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশা ভাঙচুর করে।’

তবে পুলিশের বক্তব্য উড়িয়ে দিয়ে বিএনপি নেতা আবুল কাহের শামীম বলেছিলেন, ‘পুলিশের ওপর হামলার কোনো ঘটনাই ঘটেনি। হয়রানি করতে এ ধরনের ঘটনা সাজাচ্ছে পুলিশ।’

Sharing is caring!

Loading...
Open