সৌদি-পাকিস্তান থেকে আসে অর্থ ভারত থেকে অস্ত্র……..

সুরমা টাইমস ডেস্ক:: কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় আলোচিত জঙ্গি হামলা মামলার দুই বছর দুই মাস পর অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দিয়েছে পুলিশ। পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গতকাল বুধবার কিশোরগঞ্জ মুখ্য বিচারিক হাকিম মো. হাবিবুল্লার আদালতে অভিযোগপত্রটি দাখিল করেন।

আসামিরা হলো কিশোরগঞ্জ শহরের তারাপাশা এলাকার জাহিদুল হক তানিম, গাইবান্ধার রাঘবপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী, চাঁপাইনবাবগঞ্জের হাজারদিঘা গ্রামের মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, গাইবান্ধার পান্থাপাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেন ও কুষ্টিয়ার সাদিপুর কাবলিপাড়া গ্রামের আব্দুস সবুর খান হাসান ওরফে সোহেল মাহফুজ।

অভিযোগপত্র প্রদান উপলক্ষে গতকাল বিকেলে জেলা পুলিশ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে লিখিত চার্জশিট ও শোলাকিয়ার জঙ্গি হামলা প্রসঙ্গে বক্তব্য দেন কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. মাশরুকুর রহমান খালেদ।

চার্জশিটে বলা হয়, ২০১৬ সালের ২৪ জুন রাজধানীর অ্যাপোলা হাসপাতালের পেছনে তানভীর কাদেরির বাসায় শোলাকিয়া হামলার তদন্ত করা হয়। এতে রাজীব গান্ধী ওরফে জাহাঙ্গীর আলম, তামিম আহমেদ চৌধুরী, সারোয়ার জাহান ওরফে আব্দুর রহমান, নুরুল ইসলাম মারজান, বাশারুজ্জামান চকলেট, তানভীর কাদেরি ওরফে জমসেদ, খাইরুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বল, রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, নিবরাস ইসলাম, মীর সামেহ মোবাশ্বের ও মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিল। তাদের পরিকল্পনার প্রধান টার্গেট ছিল শোলাকিয়া ঈদগাহর ইমাম মাওলানা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদকে হত্যা করা। পরে তামিম চৌধুরী, মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম, ফরিদুল ইসলাম ওরফে আকাশ, আবির রহমান, শরীফুল ইসলাম ওরফে শফিউল ইসলাম কিশোরগঞ্জে গিয়ে জাহিদুল ইসলামের বাসায় ভারাটিয়া হিসেবে থাকে। শোলাকিয়া হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ ভারতে অবস্থানরত মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজানের মাধ্যমে কিশোরগঞ্জে নিয়ে আসা হয়।

শোলাকিয়া হামলার খরচের যাবতীয় টাকা বাশারুজ্জামান চকলেটকে দিয়ে হুন্ডির মাধ্যমে সিরিয়া, সৌদি আরব ও পাকিস্তান থেকে আনা হয়।

Sharing is caring!

Loading...
Open