সিলেটে শোকসভায় উপস্থিত হননি মুহিত-নাহিদ, গুঞ্জন……..

নিজস্ব প্রতিবেদক::      জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সিলেটে শোকসভার আয়োজন করে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ। এতে অতিথি ছিলেন দলটির সাধারণ সম্পাদকসহ একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা। তবে উপস্থিত ছিলেন না সিলেট-১ আসনের সাংসদ ও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এবং আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

এদের মধ্যে নাহিদ সিলেটে অবস্থান করলেও এ শোকসভায় উপস্থিত হননি। তাদের সভায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে দলীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে।

সিলেটে আওয়ামী লীগের এমন বড় পরিসরে কর্মসূচিতে সিলেটের দুই মন্ত্রীর উপস্থিত না থাকা নিয়ে বৃহস্পতিবার সভাস্থলেই উপস্থিত দলীয় কর্মীদের মধ্যে গুঞ্জন উঠে। অনেকেই দুই মন্ত্রীকে আমন্ত্রণ না জানানোতে ক্ষোভও প্রকাশ করেন।

বৃহস্পতিবার (৩০ আগস্ট) সিলেটের রেজিস্টারি মাঠে আয়োজিত এই শোকসভার প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ এমপি, জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি, দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ও এনামুল হক শামীম। এছাড়া বিভাগীয় পর্যায়ের অনেক নেতা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদেরও সদস্য। বৃহস্পতিবার তাঁর নির্বাচনি এলাকায়ই এই শোকসভার আয়োজন হয়। তবে তাতে ছিলেন না অর্থমন্ত্রী। এমনকি সিলেটের গোলাগগঞ্জ-বিয়ানীবাজার আসন থেকে নির্বাচিত সাংসদ ও শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বৃহস্পতিবার তাঁর নির্বাচনী এলাকায় অবস্থান করলেও শোকসভায় দেখা যায় নি। শিক্ষামন্ত্রী আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলিরও সদস্য।

আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সিটি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পরাজয় এবং নির্বাচনে দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধের বিরোধের বিষয়টি প্রকাশ্যে চলে আসায় জাতীয় নির্বাচনের আগে তা নিরসনের লক্ষ্যে এবার সিলেট সফরে আসেন কাদের। সফরকালে দলের সিলেটের সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের সাথে নিয়ে আসেন তিনি। মুহিত ও নাহিদ সিলেটের সাংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত না হওয়ায় এই শোকসভায় তারা হাজির হননি।

তবে এবিষয়ে জানতে বৃহস্পতিবার রাতে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদউদ্দিন আহমেদের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা কল রিসিভ করেননি।

Sharing is caring!

Loading...
Open