কোম্পানীগঞ্জের পাথর শামীমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা

স্টাফ রিপোর্টার::
কোম্পানীগঞ্জের রেলওয়ে বাংকার এলাকায় টাস্কফোর্সের অভিযানে ২০টি বোমা মেশিন ধ্বংস এবং ২টি বোমা মেশিন জব্দ করাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ। গত শনিবার রাত ১২টা থেকে ভোর ৪ টা পর্যন্ত ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারীর বাংকার নামক স্থানে টাস্কফোর্স এই অভিযান চালায়। এঘটনায় গতকাল রোববার বোমা মেশিন দিয়ে পাথর উত্তোলনের দায়ে উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম আহমদসহ ৫ জনের নামোল্লেখ করে মামলা করা হয়। মামলা নং ১২। মামলার অপর আসামীরা হলেন- শামীমের ভাতিজা কেফায়েত উল্লাহ, শামীমের ভাগ্নে আনোয়ার চৌধুরী, কেফায়েতের শ্যালক জাকারিয়া হোসেন ও শামীমের কর্মচারী আনু মিয়া।

উল্লেখ্য, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত শনিবার রাত ১২টা থেকে ভোর ৪টায় ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারীর বাংকার নামক স্থানে টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের খবর পেয়ে বোমা মেশিন মালিক ও কর্মচারীরা পালিয়ে যায়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আবুল লাইছ এবং কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল হাই। জব্দকৃত দুটি বোমা মেশিনের মালিক পাড়ুয়া গ্রামের শামিম আহমদ ও তার ভাতিজা কেফায়েত উল্লাহ বলে জানায় পুলিশ। শনিবার রাতে উপজেলার রেলওয়ে বাংকার এলাকায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু লাইছের নেতৃত্বে টাষ্কফোর্স অভিযান চালিয়ে ২ টি বোমা মেশিন জব্দ করে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা ২০/২৫ জনের বিরুদ্ধে এসআই খায়রুল বাশার বাদি হয়ে এজাহার দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে পশ্চিম ইসলামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী শামীম আহমদ বলেন, কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি নিজের দোষ ঢাকতে মিথ্যা মামলা করেছেন। গত ১৬ আগস্ট আমিসহ তৃণমূল আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ দলীয় নেতাকর্মীদের হয়রানি, পাথর কোয়ারি ধ্বংসে ওসির শেল্টার দেওয়া, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগ করি পুলিশ সুপারের কাছে স্মারকলিপির মাধ্যমে। এ অভিযোগের কারণে ওসিসহ চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে আমাদের বিরুদ্ধে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল হাই জানান, একটি পাথর খেকো সিন্ডিকেট রাতের আধাাঁরে রেলওয়ে বাংকার এলাকায় অবৈধ বোমা মেশিন দিয়ে পাথর উত্তোলন করে আসছে। তাদের দিনের বেলায় পাওয়া যায় না। তাই কৌশল পরিবর্তন করে রাতে অভিয়ান চালানো হয়।

Sharing is caring!

Loading...
Open