ফেঞ্চুগঞ্জে বিয়ে করে ৮ মাসের মাথায় বিপাকে এক স্বামী……..

সুরমা টাইমস ডেস্ক:: বিয়ে করে ৮ মাসের মাথায় চরম বিপাকে পড়েছেন ফেঞ্চুগঞ্জের কটালপুর গ্রামের আজাদ মিয়া। তিনি একা নয় স্ত্রীর ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় হয়রানী করা হচ্ছে তার পুরো পরিবারকে। স্ত্রীর একের পা এক ষড়যন্ত্রে আজ শান্তিতে নেই তারা। সোমবার সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে আজাদ মিয়া এ অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে আজাদ মিয়া জানান, ইসলামী বিধানমতে পারিবারিক ও সামাজিকভাবে চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি দক্ষিণ সুরমার শ্রীরামপুরের মৃত আব্দুল মালিকের মেয়ে মোছা. রুনা বেগমের (২৬) কে তিনি বিয়ে করেন। বিয়ের পরে রুনা তাকে জানায়, এই বিয়েতে তার মত ছিল না। অন্য এক যুবকের সাথে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। পরিবারের চাপে বিয়ে বসতে সে বাধ্য হয়েছে। রুনা এই সংসার করতে চায়না।

আজাদ মিয়া বলেন, রুনাকে অনেক বুঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে, যা হওয়ার হয়ে গেছে, আসো দুজনে মিলে সংসারকে সোনার সংসার করে তুলি। তাতে পাত্তা দেয়নি সে। সর্বশেষ গত ১৩ মে সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে রুনা বেগম স্বামী আজাদ মিয়াকে প্রধান আসামী করে পরিবারের ৫ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা নং ২২৩/২০১৮ ইং। এতে অভিযোগ হিসেবে উল্লেখ করা হয় দুই লাখ টাকা যৌতুক না দেয়ায় রুনাকে নির্যাতন করা হয়। এতে তার গর্ভের বাচ্চা নষ্ট হয়ে গেছে।

আজাদ মিয়া তার বক্তব্যে আরো উল্লেখ করেন, রুনা ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি হলেও তাতে পুলিশ কেইস কিংবা নির্যাতন সংক্রান্ত কোন তথ্য হাসপাতালের রেজিষ্টারে নেই। এদিকে রুনার দায়ের করা অভিযোগটি আমলে নিয়ে আদালত দক্ষিণ সুরমা উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা এ ধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি বলে আদালতে প্রতিবেদন দেন। অন্যদিক রুনা প্রতিবেদনের উপর নারাজি দিলে আদালত পুনরায় উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছেন।

আজাদ মিয়ার অভিযোগ করেন, রুনা তার ভাই রাহিমের প্ররোচণায় সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমুলকভাবে তার পরিবারকে হয়রানী করছে। রুনা নিজেই গভর্পাত বিনষ্টকরণ জাতীয় ঔষধ সেবন করে শুধু আজাদ মিয়াকে নয় পুরো পরিবারের উপর নির্যাতনের নানা অপবাদ দিচ্ছে।

আদালতে করা মামলায় উল্লেখ করা হয়, রুনা বেগম ২৮ এপ্রিল স্বশরীরে ফেঞ্চুগঞ্জ থানায় মামলা করতে গিয়েছিলেন, তবে পুলিশ মামলা নেয়নি। বাস্তবে ঐ দিন রুনা সিলেট ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। রুনা ও তার মুহরী ভাই রাহিমের অপরাধমূলক কর্মকান্ডের বিচারে সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি কামনা করেছেন আজাদ মিয়া।

Sharing is caring!

Loading...
Open