হবিগঞ্জে দেশীয় পদ্ধতিতে কোরবানির পশু মোটাতাজা

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে হবিগঞ্জের খামারগুলোতে গরু মোটাতাজা করা হচ্ছে। খামার মালিকদের দাবি, দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করেই পশু মোটাতাজা করা হচ্ছে। ৭৫টি খামারে গরু মোটাতাজা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে হবিগঞ্জ প্রাণিসম্পদ অফিস।

হবিগঞ্জ শহরের বাইপাস সড়কের খামার মালিক মহসিন আহমেদ জানান, তার খামারে প্রায় ২২ থেকে ২৫টি গরু রয়েছে। তারা দেশীয় প্রযুক্তির খাবার দিয়ে গরু মোটাতাজা করছেন। প্রতিটি গরু ১ লাখ থেকে ২ লাখ টাকা দামে বিক্রির আশা করছেন তিনি।

খামারের কর্মচারী রহিম মিয়া জানান, ঈদকে সামনে রেখে প্রায় ৬ মাস আগ থেকে খামারে গরু তোলা হয়। এরপর দেশীয় খাবার দিয়ে গরুগুলো মোটাতাজা করা হয়েছে।

জেলার শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার উত্তর চতুর গ্রামের রাবেয়া খামারের মালিক মনিরুল হক রানা জানান, তার খামারে ৩০টি ষাঁড় রয়েছে। একই খামারের ম্যানেজার সানাউল হক তালুকদার জানান, আশা করছি প্রতিটি ষাড় দেড় থেকে দুই লাখ টাকা করে বিক্রি করতে পারবো।

শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার উত্তর চতুর গ্রামের রাবেয়া খামারহবিগঞ্জ শহরের বাসিন্দা রহমত আলী জানান, হবিগঞ্জের অধিকাংশ খামারে দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে গরু মোটাতাজা করা হচ্ছে।

হবিগঞ্জ জেলার ভারপ্রাপ্ত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এ জেড এম ওয়াহিদুল আলম জানান, হবিগঞ্জে দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে খামারিরা গরু মোটাতাজা করছে। প্রাণিসম্পদ অফিসের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিকভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে, যেন ইনজেকশন দিয়ে কোনও গরু মোটাতাজা করা না হয়।

Sharing is caring!

Loading...
Open