নগরীতে রাজু হত্যার ঘটনায় ৩ ছাত্রদল নেতা আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেট মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক ফয়জুল হক রাজু হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ছাত্রদলের তিন নেতাকে নগরীর কোতোয়ালী থানায় পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। তাদেরকে রাজু হত্যাকাণ্ড বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে তাদেরকে আটকের বিষয়টি স্বীকার করা হয়নি।

এই তিন ছাত্রদল নেতা হলেন- জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি লিটন আহমদ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এখলাছুর রহমান মুন্না ও জেলা ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পদত্যাগকারী) আনোয়ার হোসেন রাজু।

এ তিন নেতাই থানা থেকে মোবাইল ফোনে জানিয়েছেন, তাদেরকে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে রেখেছে।

জানা যায়, ময়নাতদন্ত শেষে নিহত ছাত্রদল নেতা ফয়জুল হক রাজুর মরদেহ রবিবার দুপুরে হস্তান্তর করে পুলিশ। তার মরদেহ গোসল করাতে নিয়ে যাওয়া হয় মানিকপীর কবরস্থান এলাকায়। সেখানে উপস্থিত থাকা জেলা ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পদত্যাগকারী) আনোয়ার হোসেন রাজুকে আটক করেন সোবহানীঘাট ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই কামাল আহমদ। রাজুকে ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ খবর পেয়ে ছাত্রদল নেতা লিটন আহমদ ও এখলাছুর রহমান মুন্না ছুটে যান সোবহানীঘাট ফাঁড়িতে। পুলিশ আনোয়ার হোসেন রাজু, লিটন ও মুন্নাকে কোতোয়ালী থানায় নিয়ে যায়।

এ তিনজনকে আটক করা হয়েছে কিনা, তা নিশ্চিত করেনি পুলিশ। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ফয়জুল হক রাজু হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে এ তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।

প্রসঙ্গত, শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে নগরীর কুমারপাড়া এলাকায় হামলায় নিহত হন ফয়জুল হক রাজু। আহত হন আরও দুই ছাত্রদল নেতা। জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। ফয়জুল হক রাজু কমিটির বিপক্ষে ছিলেন। কমিটির পক্ষের নেতাকর্মীরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠেছে।

রবিবার বিকেলে রাজুর মরদেহ গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজারে নিয়ে দাফন করা হয়েছে।

Sharing is caring!

Loading...
Open