ওসমানীনগরে যৌতুক না দেওয়ায় স্ত্রীকে অমানবিক নির্যাতন

ওসমানীনগর প্রতিনিধি:: সিলেটের ওসমানীনগরে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীর উপর অমানসিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টায় স্বামী ক্বারী খসরুজ্জামান তাকে নির্যাতন করে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে স্ত্রী রুনা বেগমের হাতে গুরুতর ও গভীরত জখম হয়।

বর্তমানে রুনা বেগম সিলেট ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। জানা যায়, ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক বিশ্বনাথ উপজেলার নংশিংপুর গ্রামের ছরব আলীর মেয়ে মোছাঃ রুনা বেগমের সাথে ওসমানীনগর উপজেলার গয়াসপুর গ্রামের মৃত আব্দুল জাহিরের ছেলে ক্বারী খসরুজ্জামান বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

বিবাহের পর থেকে রুনা বেগমকে মৌখিকভাবে তার বাপের বাড়ি থেকে ৫ লক্ষ টাকা যৌতুক আনার কথা বলেন। কিন্তু রুনা বেগম যৌতুক দিতে অসম্মতি জানান। বার বার এভাবে যৌতুকের দাবি করলে রুনা বেগমও বার বার যৌতুক দিতে অপরাগতা স্বীকার করেন। এক পর্যায়ে গত বুধবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ক্বারী খসরুজ্জামান রুনা বেগমকে ৫ লক্ষ টাকা যৌতুক আনার কথা বলেন।

এতে রুনা বেগম সাফ যৌতুক দিতে পারবেন না বলে অসম্মতি
জানালে স্বামী খসরুজ্জামান ক্ষুব্ধ হয়ে তার শরীরে লাঠি দিয়ে আঘাত করতে থাকে। ঘরে থাকা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে রুনা বেগমের শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত করেন খসরুজ্জামান। এক পর্যায়ে দাড়ালো দা দিয়ে আঘাত করলে রুনা বেগমের হাতে গুরুতর জখম হয়। সাথে সাথে তার বাসুর ছানা মিয়াকে খবর দিলে তিনি নিজে এসে রুনা বেগমের হাতে সেলাই দেন। এতে রুনা বেগমের হাতের অবস্থা আরওু বেগতিক হলে তার আত্মীয়স্বজন তাকে গতকাল সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান ভিকটিম রুনা বেগমের পিতা ছরব আলী।

Sharing is caring!

Loading...
Open