এবার সিলেটে সংসদ নির্বাচন নিয়ে শুরু হয়েছে প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ……..

নিজস্ব প্রতিবেদক:: দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছিল ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি। সংসদ সদস্যরা শপথ নেয়ার দিন থেকে পরবর্তী ৫ বছর পর্যন্ত থাকে নির্বাচিত সংসদের মেয়াদ। ২০১৪ সালের ১২ই জানুয়ারি বর্তমান সরকার গঠিত হয়। সংবিধান অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ১১ই জানুয়ারির আগের ৯০ দিনের মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
তাই আর মাস তিনেক পরেই আসতে পারে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল। সেই হিসেবে আর বসে থাকার সময় নেই কারও। বর্তমান সাংসদ আর সম্ভাব্য প্রার্থীরা নির্বাচনী এলাকায় আনাগোনা বাড়িয়ে দিয়েছেন। কেন্দ্রের সাথে লবিংয়ে চলছে তাদের নিয়মিত দৌড়ঝাঁপ।
চলতি মাসের শেষ সপ্তাহেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রস্ততি শুরু করবেন প্রার্থীরা। কোরবানির ঈদ আর এর পরেই শারদীয় দুর্গা পূজার উপলক্ষ ঘিরেই ভোটারদের খুব কাছে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে তাদের। এলাকায় জনপ্রিয়তা অর্জন ও ভোটারদের মন জয় করতেই এলাকায় তাদের যাতায়াত আগের চেয়ে বাড়িয়ে দিয়েছেন। সেইসাথে দলীয় টিকেট পেতে কেন্দ্রের সাথে লবিংয়েও কমতি নেই তাদের। নিজেদের সর্বস্ব ঢেলে দিচ্ছেন কেন্দ্রের সুনজর পেতে।

বর্তমান সাংসদরা ইতোমধ্যে তাদের নিজ এলাকায় কৌশলী জনসংযোগ শুরু করে দিয়েছেন। এলাকার নতুন উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন আর চলমান কাজ পরিদর্শনের পাশাপাশি শুরু করেছেন জনসংযোগ।

সরকারের মিত্র হিসেবে জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের অন্যান্য সহযোগীরা ইতোমধ্যে আগামী নির্বাচনে আসার ঘোষণা দিয়ে রেখেছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে তারা আসনের সংখ্যার ভাগ নিয়ে কষাকষি চালাচ্ছে। বসে নেই দীর্ঘ ১২ বছর ধরে ক্ষমতার বাইরে থাকা দেশের অন্যতম রাজনৈতিক দল বিএনপি। আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণের ব্যাপারে তারা নিরবে প্রস্ততি নিচ্ছে।

সিলেট জেলার ছয়টি আসনে প্রধান দলগুলো এখনো তাদের চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা না করলেও সম্ভাব্য প্রার্থীদের মাঠে থাকার ঘোষণা দিয়ে রেখেছে। সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের পর ভোটের মাঠে উত্তাপ ছড়াতে সেইসব প্রার্থীরাও আদাজল খেয়ে নামার অপেক্ষায় রয়েছেন। কেন্দ্রের মন জয় আর নির্বাচনের টিকেট পেতে শেষ মূহুর্ত পর্যন্ত তারা নিজেদের দলীয় সম্ভাব্য প্রার্থীদের পেছনে ফেলার আগাম যুদ্ধে নেমেছেন বছর কয়েক আগেই।

Sharing is caring!

Loading...
Open