কানাইঘাটে ৪ জনের মৃত্যুদন্ড কার্যকর দেখতে চান সুলাতানার মা

কানাইঘাট সংবাদদাতা:: কানাইঘাটের আলোচিত ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রী সুলতানা হত্যা মামলায় ৪ জনের মৃত্যুদন্ডের রায় দ্রুত কার্যকর দেখতে চান সুলতানার মা ও পরিবার।

সুলতানার ভাই একলিম উদ্দিনের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, এ রায়ে তারা সন্তুষ্ট হয়ে আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করেছেন। দীর্ঘ দুই বছর ছোট বোনের জন্য কাদঁতে কাদঁতে তার মায়ের চোখের পানি শুকিয়ে গেছে।

সুলতানার মা জানান, তিনি মেয়ে হত্যার ন্যায় বিচার পেয়েছেন। যারা তার মেয়েকে পৈশাচিক কায়দায় গলাটিপে হত্যার পর লাশ মাটি চাপা দিয়েছিল তাদের বিচার আল্লাহও করবেন। তবে তার একটি মাত্র আশা তার জীবদ্মশায় পলাতক থাকা বাবুল আহমদসহ ঘাতকদের মৃত্যুদন্ড কার্যকর দেখতে চান।

দুর্গম পাহাড়ী এলাকার দরিদ্র এই মহিলা আপিল কি তিনি তা বুঝেন না। তার একটি কথা আপিল টাফিল বুঝি না ঘাতকদের ফাঁিস কার্যকর হওয়া চাই। রায়ের পর থেকে এমন ভাবে তিনি বিলাপ করে চলছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউপির এরালীগুল গ্রামের ১০ বছরের শিশু শিক্ষার্থী সুলতানাকে দন্ডপ্রাপ্ত আসামী আবুল উদ্দিন (২৩), রাসেল আহমদ (২০), ছাদেক উদ্দিন (২৮) ও পলাতক বাবুল আহমদ(রুহুল) (৩২) পালাক্রমে ধর্ষণ শেষে গলাটিপে হত্যা করে। পরে তার মৃতদেহ গুম করতে পাহাড়ের চুড়ায় মাটিচাপা দেয় তারা।

গত রোববার সুলতানা বেগমকে (১০) ধর্ষণের পর হত্যা হত্যা ও লাশ গুমের মামলায় চার আসামীর মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিয়েছেন আদালত। একই সাথে আসামীদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চারজন হলেন- কানাইঘাটের লক্ষ্মীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নের এরালিগুল গ্রামের আবুল উদ্দিন (২৩), সাদেক উদ্দিন (২৮), রাসেল আহমদ (২২) ও বাবুল আহমদ ওরফে রুহুল (৩২)। তাঁদের মধ্যে বাবুল আহমদ পলাতক।

Sharing is caring!

Loading...
Open