ওয়ানডে’র পর টি-টোয়েন্টি সিরিজও জয় বাংলাদেশের

স্পোর্টস ডেস্কঃ ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টিতেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ। ২০১২ সালের পর প্রথমবার বিদেশের মাটিতে ২০ ওভারের সিরিজ নিশ্চিত করলো তারা। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে মাত্র ৬ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চাপে ফেলে বাংলাদেশি বোলাররা। যদিও রভম্যান পাওয়েল ও দিনেশ রামদিনের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিয়েছিল ক্যারিবিয়ানরা। দুই ব্যাটসম্যান ফিরে গেলেও আন্দ্রে রাসেল একপাশে ঝড় তুলে দলকে পথে রেখেছিলেন। তিনি ১৭.১ ওভারে আউট হওয়ার পর বৃষ্টি নামে ফ্লোরিডায়।
আর বল মাঠে গড়ায়নি।

ওয়ানডে’র মতো চোখধাঁধানো পারফরম্যান্সের পাশাপাপশি টি-টোয়েন্টি সিরিজেও দেখা গেল আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশকে। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হারলেও পরের ২ ম্যাচ জিতে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতল সাকিব বাহিনী। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ডিএল পদ্ধতিতে ক্যারিবীয়দের ১৮ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ।

এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিদেশের মাটিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতল বাংলাদেশ। এর আগে ২০১২ সালে আয়ারল্যান্ডেই আইরিশদের ৩ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে ধবলধোলাই করে টাইগাররা।

১৮৫ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে সূচনাটা ভালো হয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজের। গত ম্যাচে বাংলাদেশকে দারুণ ভুগিয়েছিলেন আন্দ্রে ফ্লেচার। তবে তাকে আজ সেই সুযোগ দেননি মোস্তাফিজুর রহমান।শুরুতেই এ ওপেনারকে সাজঘরে ফেরত পাঠান কাটার মাস্টার। খানিক পরে

আরেক ওপেনার চ্যাডউইক ওয়ালটনকে (১৯) আউট করেন সৌম্য। আর ষষ্ঠ ওভারে মারলন স্যামুয়েলসকে বোল্ড করে সাকিব ফেরালে চাপে পড়ে ক্যারিবীয়রা।

সেই চাপের মধ্যে বুক চিতিয়ে লড়তে থাকেন রোভম্যান পাওয়েল ও দিনেশ রামদিন। ধীরে ধীরে বাংলাদেশকে চোখ রাঙাতে থাকে এ জুটি। তবে তাতে বাদ সাধেন রুবেল হোসেন। দলীয় ৭৭ রানে দারুণ এক ডেলিভেরিতে দিনেশ রামদিনকে (২১) বোল্ড করে ফেরান তিনি। কিছুক্ষণ পর রোভম্যান পাওয়েলকে (২৩) মোস্তাফিজ ফেরালে বিপর্যয়ে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পরে কার্লোস ব্র্যাথওয়েটকে নিয়ে বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেন আন্দ্রে রাসেল। তবে তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি অধিনায়ক। আবু হায়দার রনির শিকার হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন ব্র্যাথওয়েট।
একের পর এক উইকেট পড়লেও টিকে থাকেন আন্দ্রে রাসেল।রীতিমতো টাইগার বোলারদের ওপর স্টিম রোলার চালাতে থাকেন তিনি।এতে হেরে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দেয়।

তবে সোমবার ফ্লোরিডার লডারহিলে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। উড়ন্ত সূচনা এনে দেন তামিম ও লিটন। ১৩ বলে ২১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে ফেরেন তামিম। ওয়ানডাউনে ব্যাট করতে নামেন সৌম্য। যথারীতি ব্যর্থতার পরিচয় দেন তিনি। ৫ রান করেই মাঠ ছাড়েন। পরে লিটনের সঙ্গে এসে যোগ দেন মুশফিক। মিস্টার ডিপেন্ডেবল বিদায় নেন ব্যক্তিগত ১২ রানে।

মুশির বিদায়ের পর মাঠে নামেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। অধিনায়ককে নিয়ে দলীয় শত রানের কোটা পার করেন লিটন।তার আগে মাত্র ২৪ বলে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। ব্যক্তিগত ৬১ রানে থামে এ ওপেনারের বিস্ফোরক ইনিংস।৩২ বলে ৩ ছক্কা ও ৬ চারে এ ইনিংস সাজান তিনি।
এরপর সাকিবের সঙ্গে এসে যোগ দেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।দুজনের জুটিতে ভালোই এগুচ্ছিল বাংলাদেশ। তবে হঠাৎই ছন্দপতন।দলীয় ১৪৬ রানে ২৪ করে ফেরেন সাকিব। এরপর আরিফুল হককে নিয়ে দলকে বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যান মিস্টার কুল। ২৫ বলে দুজনের জুটিতে আসে ৩৮ রান। ২০ বলে ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন মাহমুদউল্লাহ।এ পথে ১ ছক্কা ও ৪টি চার মারেন তিনি। ১৬ বলে ১৮ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন আরিফুল।

ওয়ানডে’র পর টি-টোয়েন্টি সিরিজও জয় বাংলাদেশের
স্টাফ রিপোর্টার: ওয়ানডের পর টি-টোয়েন্টিতেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ জিতল বাংলাদেশ। ২০১২ সালের পর প্রথমবার বিদেশের মাটিতে ২০ ওভারের সিরিজ নিশ্চিত করলো তারা। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে মাত্র ৬ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট তুলে নিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চাপে ফেলে বাংলাদেশি বোলাররা। যদিও রভম্যান পাওয়েল ও দিনেশ রামদিনের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস দিয়েছিল ক্যারিবিয়ানরা। দুই ব্যাটসম্যান ফিরে গেলেও আন্দ্রে রাসেল একপাশে ঝড় তুলে দলকে পথে রেখেছিলেন। তিনি ১৭.১ ওভারে আউট হওয়ার পর বৃষ্টি নামে ফ্লোরিডায়। আর বল মাঠে গড়ায়নি।

ওয়ানডে’র মতো চোখধাঁধানো পারফরম্যান্সের পাশাপাপশি টি-টোয়েন্টি সিরিজেও দেখা গেল আত্মবিশ্বাসী বাংলাদেশকে। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হারলেও পরের ২ ম্যাচ জিতে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতল সাকিব বাহিনী। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ডিএল পদ্ধতিতে ক্যারিবীয়দের ১৮ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ।

এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিদেশের মাটিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতল বাংলাদেশ। এর আগে ২০১২ সালে আয়ারল্যান্ডেই আইরিশদের ৩ ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে ধবলধোলাই করে টাইগাররা।
১৮৫ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে সূচনাটা ভালো হয়নি ওয়েস্ট ইন্ডিজের। গত ম্যাচে বাংলাদেশকে দারুণ ভুগিয়েছিলেন আন্দ্রে ফ্লেচার। তবে তাকে আজ সেই সুযোগ দেননি মোস্তাফিজুর রহমান।শুরুতেই এ ওপেনারকে সাজঘরে ফেরত পাঠান কাটার মাস্টার। খানিক পরে

আরেক ওপেনার চ্যাডউইক ওয়ালটনকে (১৯) আউট করেন সৌম্য। আর ষষ্ঠ ওভারে মারলন স্যামুয়েলসকে বোল্ড করে সাকিব ফেরালে চাপে পড়ে ক্যারিবীয়রা।

সেই চাপের মধ্যে বুক চিতিয়ে লড়তে থাকেন রোভম্যান পাওয়েল ও দিনেশ রামদিন। ধীরে ধীরে বাংলাদেশকে চোখ রাঙাতে থাকে এ জুটি। তবে তাতে বাদ সাধেন রুবেল হোসেন। দলীয় ৭৭ রানে দারুণ এক ডেলিভেরিতে দিনেশ রামদিনকে (২১) বোল্ড করে ফেরান তিনি। কিছুক্ষণ পর রোভম্যান পাওয়েলকে (২৩) মোস্তাফিজ ফেরালে বিপর্যয়ে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পরে কার্লোস ব্র্যাথওয়েটকে নিয়ে বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেন আন্দ্রে রাসেল। তবে তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি অধিনায়ক। আবু হায়দার রনির শিকার হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন ব্র্যাথওয়েট।
একের পর এক উইকেট পড়লেও টিকে থাকেন আন্দ্রে রাসেল।রীতিমতো টাইগার বোলারদের ওপর স্টিম রোলার চালাতে থাকেন তিনি।এতে হেরে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দেয়।তবে

সোমবার ফ্লোরিডার লডারহিলে টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। উড়ন্ত সূচনা এনে দেন তামিম ও লিটন। ১৩ বলে ২১ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে ফেরেন তামিম। ওয়ানডাউনে ব্যাট করতে নামেন সৌম্য। যথারীতি ব্যর্থতার পরিচয় দেন তিনি। ৫ রান করেই মাঠ ছাড়েন। পরে লিটনের সঙ্গে এসে যোগ দেন মুশফিক। মিস্টার ডিপেন্ডেবল বিদায় নেন ব্যক্তিগত ১২ রানে।

মুশির বিদায়ের পর মাঠে নামেন অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। অধিনায়ককে নিয়ে দলীয় শত রানের কোটা পার করেন লিটন।তার আগে মাত্র ২৪ বলে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। ব্যক্তিগত ৬১ রানে থামে এ ওপেনারের বিস্ফোরক ইনিংস।৩২ বলে ৩ ছক্কা ও ৬ চারে এ ইনিংস সাজান তিনি।

এরপর সাকিবের সঙ্গে এসে যোগ দেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।দুজনের জুটিতে ভালোই এগুচ্ছিল বাংলাদেশ। তবে হঠাৎই ছন্দপতন।দলীয় ১৪৬ রানে ২৪ করে ফেরেন সাকিব। এরপর আরিফুল হককে নিয়ে দলকে বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যান মিস্টার কুল। ২৫ বলে দুজনের জুটিতে আসে ৩৮ রান। ২০ বলে ৩২ রানে অপরাজিত থাকেন মাহমুদউল্লাহ।এ পথে ১ ছক্কা ও ৪টি চার মারেন তিনি। ১৬ বলে ১৮ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন আরিফুল।

Sharing is caring!

Loading...
Open