যা আছে আরিফের নির্বাচনী ইশতেহারে……..

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেট সিটি নির্বাচনে বিএনপিদলীয় মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী। সদ্য সাবেক এই মেয়র সিসিকের চতুর্থ নির্বাচনের জন্য নিজের ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। তার ইশতেহার ১৩টি দফা রয়েছে।

বিএনপি নেতাদের পাশে নিয়ে ইশতেহার ঘোষণা করেন আরিফ।

শুরুর দিকে নগরবাসীর উদ্দেশ্যে আরিফ বলেন, ‘আজ থেকে প্রায় ৫ বছর আগে এই নগরের মানুষ আমাকে ভালোবেসে, যোগ্য মনে করে শাহজালাল ও শাহপরান (র.) এবং ৩৬০ আউলিয়ার স্মৃতিধন্য এই পবিত্র শহরের মেয়র নির্বাচিত করেছিলেন। যে ভরসা, বিশ্বাস এবং ভালোবাসা থেকে আমাকে আপনারা আপনাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করেছিলেন, আপনাদের সেই বিশ্বাসের কতটুকু মূল্যায়ন করতে পেরেছি তা আপনারা ভালোভাবেই অবগত আছেন। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হওয়ার পর থেকে প্রতিটি পাড়ায় পাড়ায়, অলিতে-গলিতে হাজার হাজার মানুষের ঢল, স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা প্রমাণ করে আমি আপনাদের দেয়া আমানত রক্ষায় সঠিক ও দায়িত্বশীল ছিলাম।’

তিনি বলেন, ‘রাজধানী ঢাকা কিংবা বন্দর নগরী চট্টগ্রাম যখন জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে আজও মুক্ত হতে পারেনি, তখন মাত্র ৫ বছরেই জলাবদ্ধতার অভিশাপ থেকে প্রায় মুক্ত সিলেট নগরী। প্রায় ৫ বছর আগে এই নগরীর মানুষের কাছেও জলাবদ্ধতা এক দুঃস্বপ্নের মতো ছিলো। আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এই সমস্যা সমধানে অগ্রাধিকারভিত্তিতে কাজ শুরু করি। নগরীর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়া ৯টি প্রধান ছড়া এবং বন্ধ হয়ে যাওয়া সবগুলো খালের পানির প্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য খাল দখলমুক্তকরণ, খনন এবং নাগরিক বিনোদনের কেন্দ্র হিসেবে খালগুলোর সৌন্দর্যবর্ধন করে ব্যবহার উপযোগী করা হয়েছে এবং কিছু কাজ এখনও চলমান আছে। প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ডে ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নতি করে সকল ড্রেনগুলোকে সচল রাখা গেছে। যার সুবিধা এই নগরীর প্রতিটি মানুষ এখন জলাবদ্ধতা নামক অভিশাপ থেকে প্রায় মুক্ত।’

জলাবদ্ধতামুক্ত নগরী গড়তে আগামীর পরিকল্পনা হিসেবে আরিফ বলেন, ‘আগামীতেও ছড়া ও খাল উদ্ধার কর্মসূচি অব্যাহত রাখার পাশাপাশি শতভাগ জলাবদ্ধতামুক্ত নগরী গড়ার স্বার্থে সুরমা নদীকে খনন করার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা গ্রহণ করব। সুরমা নদী ভরাট হওয়ার কারণে নদীর পানি যখন বেড়ে যায় তখন ছড়া ও খালের পানি নদীতে গিয়ে মিশতে পারে না, তখন নদী সংলগ্ন কয়েকটি এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। এই সমস্যা উত্তরণের জন্য নদী খনন জরুরী।’

তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে সিলেটকে এগিয়ে নেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আরিফ। তিনি বলেন, ‘সিলেটবাসীর জন্য গত নির্বাচনে মেয়র পদে আমি ছিলাম একেবারে নতুন এক মুখ। কিন্তু আপনারা আমাকে বেছে নিয়েছিলেন আপনাদের সুখ-দুঃখের সাথী হিসেবে। আমিও চেষ্টা করেছেন সকলের দুঃখে-সুখে পাশে থাকার। গত নির্বাচনী ইশতেহারে আমি সিলেটকে একটি তথ্যপ্রযুক্তির নগরী হিসেবে গড়ে তোলার কথা বলেছিলাম। স্বল্প জনবল ও সম্পদ নিয়েও আমি তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছি। ইতোমধ্যে সিলেট নগর ভবনে আমরা ওয়াইফাই সুবিধা চালু করেছি। নগর অ্যাপস চালু করে সিটি কর্পোরেশনকে তথ্যপ্রযুক্তিবান্ধব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছি। নগর অ্যাপ নামক ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে এই নগরবাসী তাদের প্রয়োজনীয় সকল বিল, বকেয়া আজ সিটি করপোরেশনকে প্রদান করতে পারেন। যা জনগণকে দীর্ঘ সময়ের ভোগান্তি থেকে মুক্তি দিয়েছে এবং বাংলাদেশে সিলেট সিটি করপোরেশনই প্রথম ও একমাত্র এ সার্ভিসটি চালু করেছে। সিলেট সিটি করপোরেশন একটি নিজস্ব এবং পরিপূর্ণ ওয়েবসাইট খোলা হয়েছে. এর মাধ্যমে প্রবাসীরাও তাদের বাড়িঘরের হালনাগাদ তথ্য জানার পাশাপাশি যে কোন নাগরিক সুবিধা গ্রহণ করতে পারছেন এবং যে কোন পরাপর্শ বা অভিযোগ জানাতে পারছেন খুবই সহজেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘‘নগরীতে ‘তথ্য প্রযুক্তি ভবন’ গড়ে তোলার পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে। নগরীর অন্যতম প্রাণকেন্দ্র সন্ধ্যাবাজারে প্রস্তাবিত জায়গা পরিদর্শন করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগা ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার। নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে পরীক্ষামূলকভাবে ওয়াইফাই চালুরও কাজ শুরু করা হয়েছে। এক্ষেত্রে দেশের অন্যতম বৃহৎ ইন্টারনেট প্রোভাইডার কোম্পানির সাথে আলোচনা চূড়ান্ত হয়েছে। আমি দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হলে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করা হবে। নগরীর প্রাণকেন্দ্রে ‘তথ্য প্রযুক্তি ভবন’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।’’

যানজট নিরসন ও হকারদের পুনর্বাসনের কথা উল্লেখ করে আরিফ বলেন, ‘যানজট সমস্যার সমাধানে আমি রিকশার জন্য আলাদা লেন চালু করেছিলাম, জীবন বাজি রেখে রাস্তা প্রশস্তকরণ কার্যক্রম করেছি। ইতোমধ্যে প্রধানতম সড়ক রিকাবীবাজার-মীরের ময়দান রাস্তা, চৌহাট্টা-কুমারপাড়া রাস্তা এবং ক্বিনব্রিজ থেকে হুমায়ুন রশীদ চত্বরসহ নগরীর অসংখ্য রাস্তা প্রশস্ত হয়েছে। যত্রতত্র ট্রাক পার্কিংয়ের কারণে নগরীতে যে মারাত্মক যানজট সৃষ্টি হয় তা থেকে মুক্তি পেতে পারাইরচকে একটি ট্রাক টার্মিনালের নির্মাণ কাজ প্রায় ৯০ ভাগ শেষ। স্বল্প সময়ের মধ্যে এটি ব্যবহার উপযোগী হবে। এছাড়াও কদমতলী বাস টার্মিনালকে আন্তর্জাতিক মানে রূপান্তর করার কাজ প্রক্রিয়াধীন।’

তিনি আরও বলেন, ‘যানজট নিরসনের জন্য টাউন বাস চালু করবো, প্রাইভেট গাড়ির আধিক্য কমানোর লক্ষ্যে স্কুলভিত্তিক বাস চালুর পাশাপাশি রাস্তা প্রশস্তকরণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখবো। হকার ভাইদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যে অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত ও ঝুঁকিপূর্ণ পুরনো লালদিঘী মার্কেটকে ভেঙে ফেলা হয়েছে। এখানে নতুন সুপরিসর মার্কেট তৈরী করে হকারদের পুনর্বাসন করা হবে। ইতোমধ্যে হকারদের তালিকাও করা হয়েছে। এতে করে তাদের একটি স্থায়ী ঠিকানা হবে। তারাও পরিবার পরিজন নিয়ে নির্বিঘেœ ব্যবসা করে অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে। এছাড়াও এই মার্কেটে ইতোমধ্যে যারা বরাদ্দ নিয়েছেন তাদেরও জায়গা দেওয়া হবে।’

পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ার কথা উল্লেখ করে বিএনপি নেতা আরিফ বলেন, ‘১০০টি ট্রাক এবং ৩০০টিরও অধিক হাতাভ্যানের মাধ্যমে আমাদের টিম নগর পরিচ্ছন্নতায় প্রতিনিয়ত কাজ করে চলেছে। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ ৩টি পয়েন্টে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন স্থাপন করে প্রতিটি মোড়ে মোড়ে নতুন ডাস্টবিন স্থাপন ছাড়াও লালমাটিয়া ডাম্পিং জোনে স্থান সম্প্রাসারণ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে করে আর্বজনা রি-সাইকিলিং ব্যবস্থাপনা কাজ চলমান রয়েছে। আর্বজনা সঠিকভাবে পরিষ্কার করার জন্য লোকবল আগের তুলনায় বৃদ্ধি করায় এখন প্রতিদিন প্রায় দ্বিগুণের চাইতেও বেশি আর্বজনা সময়মত অপসারণ করা সম্ভব হচ্ছে। আবর্জনা যাতে খোলা জায়গায় না রাখা হয় তা নিশ্চিত করার জন্য নগরীর আরও ৫টি স্থানে সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন স্থাপন করা হবে। তরল বর্জ্য, ক্লিনিক্যাল ও মেডিকেল বর্জ্য আধুনিক এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ডাম্পিংয়ের ক্ষেত্রে অটোক্ল্যাপ পদ্ধতি সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন করা হবে।’

নগরীর বস্তিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে বস্তিতে স্যানেটারি কক্ষ নির্মাণ, বস্তি বা গরীব কল্যাণ ফান্ড গঠন, বিশেষ অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা, বস্তিবাসী নারীদের জন্য সেলাই প্রশিক্ষণ, বিউটি পার্লার প্রশিক্ষণসহ ‘মোবাইল ট্রেনিং সেন্টার’ চালু করার অঙ্গিকার করেন আরিফ। স্বাস্থ্যসেবার উন্নতির জন্য স্যাটেলাইট ক্লিনিকের সংখ্যা বৃদ্ধি, ২৫ শয্যাবিশিষ্ট কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার চালু করার কথা বলেন তিনি। শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নয়নের লক্ষ্যে স্কুলের সংখ্যা ও কার্যক্রমের আওতা বৃদ্ধি করা, যুক্তরাজ্য ও অন্যান্য দেশের সাথে কানেকটিং ক্লাসরুম কার্যক্রম চালু করার কথাও উল্লেখ করেন আরিফুল হক চৌধুরী।

আরিফ বলেন, ‘সুপেয় ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য কুইটোক ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট চালু করে নিরবিচ্ছিন্নভাবে প্রতিদিন ৫ কোটি লিটার পানি নাগরিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও পানি সরবরাহ বৃদ্ধি করতে উৎপাদক নলকূপের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। ২০১৩ সালে যেখানে উৎপাদক নলকূপের সংখ্যা ছিল ৩০টি, এখন আছে ৪৫টি। জরুরী ভিত্তিতে পানি সরবরাহের জন্য ৪০০০ লিটার ধারণক্ষমতা সম্পন্ন দুটি পানিবাহী গাড়ি ক্রয় করা হয়েছে। এছাড়াও পানির গুণগত মান ও বিশুদ্ধতা বজায় থাকছে কিনা তা পরীক্ষার জন্য আমরা ল্যাবরেটরি স্থাপন করেছি। ক্রমবর্ধমান এই নগরীতে পানির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। অতিরিক্ত চাহিদা পূরণ কল্পে নগরীর বাইরে সারি নদীতে ৫ কোটি লিটার উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রায় ৬৫০ কোটি টাকা ব্যয় সাপেক্ষ এ প্রকল্পটি বর্তমানে ডিপিপি তৈরী করা হয়েছে।’

ইশতেহারে তিনি আরও বলেন, ‘আমি দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হলে তরুন প্রজন্মকে নিয়ে একটি ড্রিম টিম গঠন করব। আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে এই প্রকল্পে শিক্ষিত তরুণ-তরুণীকে চাকরির সুযোগ করে দেওয়া হবে। এই ড্রিম টিমের সদস্যরা নতুন যুগের সেবা প্রদানের লক্ষ্যে কাজ করবেন। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা এই ড্রিম টিমে কাজ করে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিজেকে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি নিজের নগরীর উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবেন। একই সাথে এই প্রকল্পের মাধ্যমে বেকারদের কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি করা হবে। সিলেট সিটি করপোরেশনকে সম্প্রসারণ করার ক্ষেত্রে এবং সিলেটকে তথ্যপ্রযুক্তি সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের সিলেট গড়ার কাজে এই ড্রিম টিম গবেষণাকর্মও পরিচালনা করবে।’

আরিফ উল্লেখ করেন, ‘নারীদের জন্য আলাদা একটি ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের উদ্যোগ নেয়া হবে। আইসিটি ভবনের পুরো একটি অংশে গড়ে তোলা হবে এই ইন্সটিটিউট। এখানে ঢাকা থেকে আইসিটি সেক্টরের এক্সপার্টদের নিয়ে এসে নারীদের আইটি ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদেরকে স্বাবলম্বী করা হবে। যোগ্যতার ভিত্তিতে সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তাদেরকে চাকরির সুযোগ করে দেয়া হবে। এছাড়াও নারীদের জন্য আলাদা টাউন বাস চালুর উদ্যোগ গ্রহন করা হবে। বিশ^ব্যাপী আউটসোর্সিংয়ের যে মার্কেট সেখানে তারা যাতে কাজ করতে পারে সেভাবে তাদের যোগ্য করে গড়ে তোলা। কর্মজীবী নারীদের সুবিধার জন্য ডে-কেয়ার সেন্টার চালুর উদ্যোগ গ্রহন করা।’

‘‘মহানগরবাসীকে নিরবিচ্ছিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি সেবা নিশ্চিত করার জন্য নগরীতে একটি লার্নিং রিসোর্স সেন্টার চালু করা হবে। এতে থাকবে ই-লাইব্রেরি, ডেস্কটপ কম্পিউটার, ওয়াইফাই সুবিধা, থাকবে কফিশপসহ তথ্যপ্রযুক্তির সেবার ক্ষেত্রে নানারকম সুবিধা। শিক্ষিত ও মেধাবীরা যাতে এই লার্নিং রিসোর্স সেন্টারে এসে বিশে^র বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয়ে স্কলারশিপ, ক্রেডিট ট্রান্সফার ইত্যাদি বিষয়ে যাবতীয় তথ্য পেতে পারে সেজন্য ইনফরমেশন ডেস্ক স্থাপন করা। এছাড়াও ওয়ার্ডভিত্তিক ক্লাব পাঠাগার এবং ফরেন ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স চালু করা হবে।’’

আরিফ ‘নতুন সিলেট’ গড়তে চান। তিনি বলেন, ‘‘সবাই মিলে পরিকল্পনামাফিক কাজ করলে ‘নতুন সিলেট’ গড়া খুবই সম্ভব। এই ‘নতুন সিলেট’ হবে পরিচ্ছন্ন, থাকবে না কোন যানজট, থাকবে মেট্রোরেল কিংবা টিউব (আন্ডারগ্রাউন্ড রেল), থাকবে না তারের জঞ্জাল, তার যাবে আন্ডারগ্রাউন্ড দিয়ে। ‘নতুন সিলেটে’ থাকবে খোলা উদ্যান, থাকবে বহুতল বিশিষ্ট পার্কিং ভবন। থাকবে ‘সিলেট টাওয়ার’। উঁচুতম এই স্থানকে কেন্দ্র করে তৈরী করা হবে অন্যরকম এক আবহ, যেখানে উপস্থাপিত হবে সিলেটের ঐতিহ্য আর সংস্কৃতি। সিলেট টাওয়ার-এর উপর দাঁড়িয়ে থেকে পর্যটকরা শুধু সিলেটের উঁচু-নিচু টিলা আর সবুজ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখেই মুগ্ধ হবেন না, তাদের জন্য সেখানেই থাকবে এক ‘টুকরো মিনি সিলেট’।’’

Sharing is caring!

Loading...
Open