ভারতে ঘুরতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার বাংলাদেশি নারী……..

সুরমা টাইমস ডেস্কঃঃ বেড়াতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত শহরের একটি হোটেলে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক বাংলাদেশি নারী। এ ঘটনায় ধর্ষণে সহযোগীতা করার জন্য রতন মজুমদার নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে মূল ধর্ষণকারীকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

বারাসত থানা সূত্রে জানা যায়, নির্যাতিতা ওই বাংলাদেশির বাড়ি বাংলাদেশের গাজীপুর জেলায়। গত ২৩ জুলাই তিনি বাংলাদেশ থেকে বৈধ পাসপোর্ট নিয়ে ভারতে যান। সেখানে তিনি বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে বনগাঁ শহরেই একটি হোটেল উঠেছিলেন। তারপর বারাসতের কাজীপাড়া এলাকায় তার এক আত্মীয় থাকায় সেই আত্মীয়র সঙ্গে দেখা করতে বারাসতে আসেন। গত ২৫ জুলাই তিনি বারাসতের কাজীপাড়ায় আসেন। কাজীপাড়ায় ওই আত্মীয়র সঙ্গে দেখা করার পর তিনি কাজীপাড়া থেকে বারাসতে আসার জন্য একটি অটোতে উঠেছিলেন। অটোতে বাংলাদেশি নারীর সঙ্গে আরও দুইজন পুরুষ যাত্রী ছিলেন। তাদের নাম রতন মজুমদার এবং জগন্নাথ আচার্য। বারাসতে অটো থেকে নেমে তারা একটি ট্যাক্সি ভাড়া করে ওই বাংলাদেশিকে কলকাতা দেখানোর নামে কলকাতায় নিয়ে যান। ২৫ জুলাই সারাদিন তারা ৩জন মিলে ঘুরে বেড়ান। ঘোরার সময় তারা ওই নারীর সঙ্গে একাধিক ছবিও তোলেন। এরপর সারাদিন কলকাতার ঘোরার পর একটি রেষ্টুরেন্টে তারা খাওয়া দাওয়াও সারেন। এরপর রাতে কলকাতা থেকে বারাসতে আসেন। এরপর রতন ও জগন্নাথ বারাসতের টাকি রোড সংলগ্ন একটি হোটেলে ওঠেন। সেখানে রতন মজুমদারের নামে একটি ঘর ভাড়া নেওয়া হয়। সেই ঘরে তিনজনে মিলে ওঠেন। চলে গল্প গুজব। একপর্যায়ে রতন ওই বাংলাদেশির জন্য মোবাইলের সিমকার্ড কিনতে হোটেল থেকে বেরিয়ে যান। সুযোগ পেয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করে হোটেল থেকে পালিয়ে যায় জগন্নাথ।

পুলিশ কর্মকর্তা দীপংকর ভট্টাচার্য্য জানান, বৃহস্পতিবার ওই বাংলাদেশি নারী বারাসত থানায় এসে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ধর্ষণে সহযোগী হিসাবে রতন মজুমদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধর্ষক জগন্নাথের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

Sharing is caring!

Loading...
Open