অবশেষে বরখাস্ত করা হলো বিতর্কিত ডিআইজি মিজানকে……..

সুরমা টাইমস ডেস্ক::  নারী কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশের ডিআইজি মিজানুর রহমান সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন। গত মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনি মিলনায়তনে মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, ‘ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গেই তাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।’
তবে কবে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে, সেই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করে তিনি কিছু বলেননি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত যাতে নির্ভুল হয়, সেই লক্ষ্যে কাজ চলছে। আমি এটুকু বলতে পারি, তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা এবং যদি প্রয়োজন হয় তার বিরুদ্ধে বিচারিক ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে। এখানে আমরা কাউকে ছাড় দিচ্ছি না।’

এদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘তদন্ত অনুযায়ী ডিআইজি মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে উত্থাপিত গুরুতর অভিযোগের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল- তিনি মরিয়ম আক্তার ইকো নামে আনুমানিক ২৫ বছয় বয়সী এক মেয়েকে জোরপূর্বক তার পান্থপথের বাসা থেকে নিজের গাড়িতে তুলে নিয়ে রাজধানীর তিনশ’ ফুট এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে তাকে মারধর করে চোখ বেঁধে রাতে বেইলি রোডের নিজ ফ্ল্যাটে নিয়ে আসেন।

তিন দিন আটকে রাখার পর মেয়ের মাকে সেই ফ্ল্যাটে এনে মেয়েকে ফিরিয়ে দেয়ার পরিবর্তে হত্যার হুমকি দিয়ে ৫০ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে করেন। এরপর মরিয়ম আক্তার ইকোকে নিয়ে লালমাটিয়ার একটি ভাড়া ফ্ল্যাটে চার মাস সংসার করেন। পরবর্তী সময়ে কাবিননামার কপি তোলার জন্য মেয়ের মা আবেদন করলে এবং ফেসবুকে স্বামী পরিচয় দিয়ে স্ত্রী মরিয়ম আক্তার ইকো ডিআইজি মিজানের ছবি আপলোড করায় মিজান ক্ষেপে যান।

এরপর পরপর দুটি মিথ্যা মামলা দিয়ে স্ত্রী ইকোকে কারাগারে পাঠান ডিএমপির ওই অতিরিক্ত কমিশনার। ২১ দিন কারাভোগের পর ১ জানুয়ারি ইকো কাশিমপুর কারাগার থেকে ছাড়া পান।

Sharing is caring!

Loading...
Open